শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ৩১ আশ্বিন ১৪২৮, ০৮ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

সারা বাংলার খবর

পর্যটকে মুখর কক্সবাজার, পূর্বের রূপে ফিরছে সৈকত

কক্সবাজার ব্যুরো | প্রকাশের সময় : ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৭:২৬ পিএম

পর্যটকের পদচারণায় আগের রূপে ফিরতে শুরু করেছে পর্যটন নগরী কক্সবাজার। লকডাউন উঠে যাওয়া পর সরকার বিনোদন কেন্দ্র খুলে দেয়ায় কক্সবাজার সৈকতে এখন পর্যটকদের ভীড় বাড়ছে। পর্যটন নগরী কক্সবাজারের হোটেল-মোটেল সহ দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত এবং বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে আসছেন হরেক রকম পর্যটক। তবে কক্সবাজার আগত পর্যটকদের মধ্যে মাক্স পড়ার যেন বালাই নেই।

শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) সৈকতের লাবণী পয়েন্ট, সীইন পয়েন্ট ও হিমছড়ি সহ কয়েকটি বিনোদন কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, হাজারো পর্যটক ঘুরে বেড়াচ্ছেন মনের আনন্দে। আবার সাগরের পানিতে গোসল করে যেন ক্লান্তি মেটাচ্ছেন অনেকেই। দেখা গেছে অধিকাংশ পর্যটক মুখে মাক্স শূন্য। তবে সে ক্ষেত্রে বিভিন্ন পয়েন্টে টুরিস্ট পুলিশ স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে পর্যটকদের সতর্ক করছেন। লাবনী পয়েন্টে মাইকে হরদম স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা ও মুখে মাক্স পরার ঘোষণা দেয়া হলেও ওদিকে পর্যটকদের আগ্রহ নেই। কয়েকজন পর্যটক এর সাথে কথা বললে জানান, আসলে দীর্ঘদিন পর সৈকতে তারা উচ্ছ্বাসে মেতেছেন। তাই মাক্স পড়তে ভুলে গেছেন।

এদিকে দীর্ঘদিন পর কক্সবাজারে পর্যটক আসতে শুরু করায় কক্সবাজার সৈকত এবং বিনোদন বিনোদন কেন্দ্রগুলো আগের সেই রূপে ফিরতে শুরু করেছে। এতে একদিকে যেমন চাঙ্গা হচ্ছে কক্সবাজারের পর্যটনকেন্দ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতি। একই কারণে অতীতের লোকসান কাটিয়ে উঠার আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।

দেখা গেছে, পর্যটন এলাকার হোটেল-মোটেল, সৈকতের কিটকট ছাতা-চেয়ার ও ঝিনুক মার্কেটসহ সর্বত্র বেড়েছে পর্যটকের পদচারণা।

সৈকতের বিনোদন পয়েন্টগুলোতে শত শত ছাতা-চেয়ার সাজিয়ে পর্যটকদের স্বাগত জানাচ্ছেন কিটকট ব্যবসায়ীরা। বিভিন্ন পয়েন্টে টিউব ও স্পিডবোট দিয়ে
পর্যটকদের সাগরে গোসল করতে এবং সাঁতার কাটতে সহযোগিতা দিয়ে আনন্দ দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

নব নির্বাচিত৷ টুয়াক নেতা আনোয়ার কামাল এ প্রসঙ্গে বলেন, পর্যটক ভালই আছেন। তবে কক্সবাজার শহরের রাস্তাঘাটের দুরবস্থায় পর্যটকদের দুর্ভোগও কম হচ্ছে না।

হোটেল ইলাফ ইন্টারন্যাশনাল এর ব্যবস্থাপক খাইরুল ইসলাম এ প্রসঙ্গে বলেন, দীর্ঘ লকডাউনের পর ঘর বন্দী মানুষ ক্লান্তি কাটাতে ছুটে আসছেন কক্সবাজারে। তিনি বলেন হোটেল-মোটেলগুলোতে ভালো বুকিং আছে। কক্সবাজারে নিরাপত্তা সবসময়ই ভালো। এক্ষেত্রে জেলাও পুলিশ প্রশাসনের নজরদারির প্রশংসা করেন তিনি।

কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, টুরিস্ট পুলিশ সারাক্ষণ প্রচারণা চালালও পর্যটকরা যেন সৈকতে এসে মাক্স পরতে ভুলে যান। তবে বিশাল এই জনসংখ্যাকে তো শাস্তির আওতায় আনা যায়না।

সৈকতে পর্যটকদের অবস্থা দেখে কয়েকজন পর্যটককে বলতে শোনাগেছে- করোনা কী দেশ থেকে উঠে গেছে?

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন