সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২৩ মাঘ ১৪২৯, ১৪ রজব ১৪৪৪ হিজিরী

বিনোদন প্রতিদিন

বলিউড শীর্ষ পাঁচ

| প্রকাশের সময় : ২ ডিসেম্বর, ২০২২, ১২:১৪ এএম

১. ভেড়িয়া, ২. কোড়া কাগজ, ৩. মিস্টার মাম্মি, ৪. দৃশ্যম ২, ৫. ক্যাপিটাল এ স্মল এ

ভেড়িয়া

‘স্ত্রী’ (২০১৮) এবং ‘বালা’র (২০১৯) জন্য খ্যাত অমর কৌশিক পরিচালিত হরর ফিল্ম্

সড়ক নির্মাণ ঠিকাদার ভাস্কর (বরুণ ধাওয়ান) দিল্লির বাসিন্দা, সে বাগ্গার (সৌরভ শুক্লা) হয়ে কাজ করে। অরুণাচল প্রদেশের জিরো এলাকায় জনার্দনের (অভিষেক ব্যানার্জী) সঙ্গে সে একটি বনের ভেতর সড়ক নির্মাণের কাজ পায়। স্থানীয় জোমিন (পালিন কাবাক) তাদের সঙ্গে যোগ দেয়। পাণ্ডা (দীপক দোব্রিয়াল) তাদের কাজে সহায়তা করবে স্থির হয়। উপজাতীয়রা জায়গা ছাড়তে রাজি নয় বলে তাদের কাজ কর আ কঠিন হয়ে পড়ে। তরুণদের প্রভাবিত করে ভাস্কর বয়স্কদের রাজি করাতে চেষ্টা করতে থাকে। এক রাতে গেস্ট হাউসে ফেরার পথে তাকে একটি নেকড়ে (হিন্দিতে ভেড়িয়া) আক্রমণ করে। সঙ্গীরা তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায়। এদিকে গুজব রটে যায় এই নেকড়ের আক্রমণ খারাপ দিকে মোড় নেবে। পশুরোগ চিকিৎসক আনিকার (কৃতি স্যানন) চিকিৎসায় ক্ষত অলৌকিকভাবে এক রাতেই শুকিয়ে যায়। ভাস্কর অবশ্য টের পায় তার অদ্ভুত কিছু হয়েছে। কয়েক রাত পর প্রকাশ (দেসাম বেয়ঙ) নামে ভাস্করের এক কর্মী নেকড়ের আক্রমণে মারা যায়। ক্রমে নেকড়ের আক্রমণ বেড়ে যায়। ভাস্করের দুই সঙ্গীর সন্দেহ এর পেছনে ভাস্করের হাত আছে। তাদের ধারণা ভাস্কর ভিশানুতে (অয়্যারউল্ফ) পরিণত হয়েছে অর্থাৎ সেই নেকড়েতে পরিণত হয়ে হত্যা করছে।

হলিউড শীর্ষ পাঁচ

১. ব্ল্যাক প্যান্থার : ওয়াকান্ডা ফরএভার, ২. স্ট্রেঞ্জ ওয়ার্ল্ড, ৩. গ্লাস অনিয়ন : এ নাইভস আউট মিস্টি, ৪. ডিভোশন, ৫. দ্য মেনু

স্ট্রেঞ্জ ওয়ার্ল্ড

ডন হল পরিচালিত এনিমেটেড অ্যাকশন অ্যাডভেঞ্চার ফিল্ম। ডিজনি স্টুডিওর ৬১তম এনিমেটেড ফিল্ম। ‘উইনি দ্য পু’ (২০১১), ‘বিগ হিরো সিক্স’ (২০১৪), ‘মোয়ানা’ (২০১৬, সহ-পরিচালনা) এবং ‘রেয়া অ্যান্ড দ্য লাস্ট ড্রাগন’ (২০২১) হল পরিচালিত ফিল্ম।


এক অদ্ভুত দেশের অদ্ভুত শহর অ্যাভালোনিয়া। ক্লেডস পরিবার তিন প্রজন্ম ধরে কিংবদন্তীর মত অভিযাত্রী। কোন সমস্যা হলেই তাদের ডাক পড়ে। তাদের সহযোগী হিসেবে আছে একটি অ্যামিবার মত পিণ্ড, তিন পেয়ে একটি কুকুর আর একদল বিচিত্র ও দুর্র্ধষ প্রাণীর দল। বর্তমানে পরিবারের প্রধান সার্চার ক্লেডস (ভয়েস : জেক জিলেনহাল) সে একজন খামারি। সেই প্যান্ডো নামে এক গাছ আবিষ্কার করেছে। অদ্ভুত এই গাছটি বিভিন্নভাবে প্রযুক্তিকে আরও শক্তিশালী ও দক্ষ করে তোলে। অনেক আগে সে প্যান্ডো আবিষ্কার করে। এর মধ্যে এর শক্তি অনেকটাই কমে গেছে। এই শক্তি পুনরুদ্ধার করার জন্য আবার এক অভিযানে বেরোতে হবে তাকে। সার্চারের পরিবারে তার স্ত্রী মেরিডিয়ান (ভয়েস গ্যাব্রিয়েল ইউনিয়ন) এবং ছেলে ইথান (জাবুকি ইয়াং-হোয়াইট) সবসময়ই তার পাশে থাকে এবারও তাই। অভিযানে বেরিয়ে ছে তারা বিশ্বের ভারসাম্য রক্ষার জন্য, তাদের অ্যাভালোনিয়া থেকে আরও অদ্ভুত এক দেশে তারা হাজির হয়।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন