রোববার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ১৭ জিলক্বদ ১৪৪৫ হিজরী

বিনোদন প্রতিদিন

ডিরেক্টর গিল্ডের নির্বাচন: ভোট চাইতে একে অপরকে দোষারোপ

বিনোদন ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৫ মার্চ, ২০২৩, ১০:৩৬ এএম

টিভি মিডিয়ার পরিচালকদের সব থেকে বড় সংগঠন ‍‍`ডিরেক্টর গিল্ড‍‍`। এই সংগঠনের নির্বাচন হবে আগামী ১০ মার্চ (শুক্রবার)। এর আগে ৮ মার্চ এজিএম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। নির্বাচন নিয়ে ইতিমধ্যে শিল্পকলাসহ মগবাজার মুক্তিযোদ্ধার সামনে জটলাও দেখা গেছে পরিচালকদের। জোট বেঁধেছে দুই দল। জানা গেছে, সেখানে অনেককে পক্ষ-বিপক্ষের আধিপত্য চোখে পড়েছে। শুধু তাই নয় এবারের নির্বাচন কেন্দ্র করে একে অপরকে দোষারোপ করেও ভোট চাইতে দেখা যাচ্ছে।

এর আগে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে চাউর হয় মেয়াদ শেষ হলেও একটি নির্দিষ্ট সময় পর ডিরেক্টরস গিল্ডের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আগের নির্বাচনে তেমনটাই দেখা গেছে। কিন্তু এবার সেটা না করে তড়িঘড়ি করেই নির্বাচন হচ্ছে। ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বার্ষিক সাধারণ সভায় আলোচনার মুখ্য বিষয় হয়ে ওঠে নির্বাচন। সেখানে সংগঠনের কর্মকান্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলেন একাধিক নির্মাতা। কেউ কেউ বলেন, গত দুই বছর বর্তমান কমিটি কোনো কাজ করেনি। যে কারণে দায়িত্ব হস্তান্তর করছেন নির্বাচিতরা। তবে বিষয়টি মানতে নারাজ কমিটির নেতারা। তাদের বক্তব্য, করোনার মধ্যে কাজ শুরু করতেই বিলম্ব হয়ে পড়ে।

তবে নির্বাচন নিয়ে তর্ক-বিতর্ক, আলোচনা-সমালোচনা, মান-অভিমান নতুন কোনো বিষয় নয়। স্বাভাবিক কারণে তাদের নির্বাচন ঘিরে বিতর্ক, সমালোচনা যেন একটু বেশিই! এসব কারণে নির্বাচন থেকে সরে গেছেন অনেকেই। অভিযোগ উঠেছে- সংগঠনটির নির্বাচন যেভাবে হয়, এভাবে ভালো কোনো সংগঠক নির্বাচন করতে চান না। এ কারণেই এবারের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা থাকলেও শিহাব শাহীন, সকাল আহমেদ, ইমরাউল রাফাত, হৃদি হক, মাবরুর রশিদ বান্নাহ, পিকলু চৌধুরী, তুহিন হোসেন, ইমেল হক, ফেরারি অমিত, নিয়াজ চন্দ্রদ্বীপ, গোলাম মুক্তাদিরসহ অনেকেই শেষ মুহূর্তে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন।

নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো একাধিক পরিচালকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নির্বাচন নিয়ে আশার জায়গাটা আর নেই। তাদের কথা হলো, মান-অভিমান ও স্বার্থের দ্বন্দ্বকে কেউ কেউ সামনে আনছেন- যা শিল্পীদের এই নির্বাচনে কাম্য নয়। পরিচালক তুহিন হোসেন বলেন, ‘যারা সংগঠনে কাজ করতে চান, তারাই এবার নির্বাচন থেকে দূরে। এটা প্রমাণ করে, নির্বাচন থেকে তরুণদের আস্থা উঠে যাচ্ছে। সংগঠনের অনেকেই চাচ্ছিলেন, গাজী রাকায়েত ভাই, মাসুদ হাসান, অনিমেষ আইচদের মতো সাংগঠনিক ব্যক্তিদের নির্বাচনে নিয়ে আসতে। কিন্তু সুস্থ পরিবেশ আর মানসম্মানের ভয়ে যোগ্য অনেকেই সংগঠন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। সাংগঠনিক মানুষরা না থাকায় দিন দিন সংগঠনটি ভেঙে পড়ছে।’

এদিকে অনেক পরিচালক সরে দাঁড়ালেও নির্বাচন জমজমাট হবে বলে আশা করছেন এসএ হক অলিক। তিনি বলেন, ‘বিগত দিনে যারা সংগঠনকে অনেক দূর পর্যন্ত এগিয়ে নিয়েছেন, গোছানোর চেষ্টা করেছেন, নানাভাবে ভূমিকা রেখেছেন- তাদের দরকার ছিল। আবার নতুনরা আগামী দিনের কাণ্ডারি। নতুন-পুরনো মিলেই আমরা সংগঠনের জন্য কাজ করে যাব। আমরা আশা করছি, মান-অভিমান ভুলে সবাইকে নিয়ে নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক করতে সবাই মিলে সংগঠনটিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।’

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন