ঢাকা, সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৮ আশ্বিন ১৪২৬, ২৩ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

এই সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ হবে আত্মহত্যার সামিল -গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

| প্রকাশের সময় : ৩ জুলাই, ২০১৭, ১২:০০ এএম


সরকার আদম আলী, নরসিংদী থেকে : বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মরহুম মিয়া মোহাম্মদ সেলিমের শোক ও দোয়া মাহফিলের জন্য ১৩ হাজার টাকার বিনিময়ে জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তন বিএনপিকে বরাদ্ধ দিয়েও পুনরায় তা বাতিল করে দেয়া হয়েছে।
গতকাল রোববার বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠান শুরুর পূর্ব মূহুর্তে জেলা কালচারাল অফিসার সাহেলা বেগম এই কান্ডটি ঘটিয়েছেন। তিনি মিলনায়তনে গিয়ে হল বরাদ্দ বাতিলের কথা জানিয়ে মিলনায়তনে তালা লাগিয়ে চলে যান। পরে বিএনপি সেখান থেকে ব্যর্থ হয়ে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে চিনিশপুরে জেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে। সেখানে  
প্রধান অতিথির বক্তৃতা কালে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য  গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, এটাই আওয়ামীলীগের চরিত্র। তারা কখন কী ঘটাবে তা বলা মুশকিল। সরকারের এহেন স্বেচ্ছাচারী কার্যকলাপই প্রমাণ করে এই সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। দেশে নির্বাচনের কোন পরিবেশ নেই। শেখ হাসিনার অধীনে কোন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা হবে আত্মহত্যার সামিল। শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী রেখে ,তাঁর সংসদ বহাল রেখে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে বিএনপি বিজয়ী হলেও হাসিনা বিএনপিকে সরকার গঠন করতে দিবে না। এই সরকার একটি জনবিচ্ছিন্ন সরকার। বিগত নির্বাচনে দুই মাস পূর্বেই নির্বাচনের নামে প্রহসন করে ক্ষমতা দখল করে রেখেছে। আবারও সেই পুরোনো উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য নতুন করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত একটি প্রহসনের নির্বাচনের পাঁয়তারা করছে। আত্মহত্যা করলে কোন লাশের যেমন জানাজা পরানো হয় না,তেমনই এই সরকারের অধীনে নির্বাচন করে পরাজিত হলে জনগণও বিএনপির জানাজা পড়বে না। তিনি বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেই বিএনপিকে আগামী নির্বাচনে যেতে হবে। আর এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলন জোরদার করতে হবে। যে কোন পরিস্থিতিতে আন্দোলনের মাঠ থেকে পিছু হটা যাবে না। শোক সভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব  করেন জেলা বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন, বিএনপির মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক লে.কর্ণেল(অব:)জয়নূল আবেদীন,বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সম্পাদক এডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন মাস্টার, সাবেক এমপি লাকী আহমেদ, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মনজুর এলাহী ,এড. আব্দুল বাছেদ ভূঞা, আকবর হোসেন, হারুন-অর-রশীদ প্রমুখ।
খায়রুল কবীর খোকন জানান, কালচারাল অফিসার সাহেলা বেগম হল বরাদ্দ বাতিলের পর তিনি নরসিংদী জেলা প্রশাসক ড. সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাসের সাথে যোগাযোগ করেন। জেলা প্রশাসক তাকে জানান যে, মন্ত্রণালয় থেকে হল বরাদ্দ বাতিলের জন্য সাহেলা বেগমকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যার ফলে তিনি হল বরাদ্দ বাতিল করতে বাধ্য হয়েছেন বলে সাহেলা বেগম তাকে জানিয়েছেন।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (1)
Nur- Muhammad ৩ জুলাই, ২০১৭, ৪:১৭ পিএম says : 0
আন্দোলন করতে পারবেন না, নির্বাচনে ও যাবেন না, তা হলে কি করবেন গয়েশ্বর বাবু। তা হলে বসে বসে নাম জপ করুন।
Total Reply(0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন