ঢাকা, রোববার, ২০ অক্টোবর ২০১৯, ০৪ কার্তিক ১৪২৬, ২০ সফর ১৪৪১ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

রাঘব-বোয়াল ও দুর্নীতির রথী মহারথীদের সুতোর টানে অভিযান বন্ধ -রিজভী

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ২:৫৪ পিএম

রাঘব বোয়াল ও দুর্নীতির রথি মহারথীদের সুতোর টানে ক্যাসিনো-জুয়া বিরোধী অভিযান এগুতে পারছে না বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, রাতের ভোটে ক্ষমতা দখলকারী অবৈধ সরকার জনগণের মধ্যে ইলিউশন তৈরি করার জন্য গত ১৮ সেপ্টেম্বর কথিত ক্যাসিনো, জুয়া এবং মাদক বিরোধী শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছিল। তারপর ৬-৭ জনকে ধরার পর থলের বিড়াল বেরিয়ে আসার কারনে সেই লোক দেখানো অভিযান স্থানু হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ-যুবলীগের মাঝারী নেতাদের ঘরে ঘরে অবৈধ টাকার সিন্দুক। ভল্ট, টাকশাল, কাড়িকাড়ি টাকা, সোনা-দানার খনি আবিস্কার হওয়ার পর বড় নেতারা ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছেন। চারদিক থেকে যখন রাঘব বোয়ালদের বিরুদ্ধে অভিযানের দাবী জোরালো হচ্ছে তখনই থামিয়ে দেয়া হয়েছে অভিযান। রিজভী বলেন, সরকার যদি মনে করে, দুর্নীতির জন্য অন্যদল থেকে আওয়ামী লিগে যাওয়া লোকজন দায়ী তাহলে সরকারের উচিত এক সপ্তাহের মধ্যে সেসব দুর্নীতিবাজদেরকে তাদের দল থেকে জরুরি ভিত্তিতে খুঁজে বের করা। সত্যি সত্যি দুর্নীতিবাজ ধরতে চাইলে, চুনোপুটি নয়, দুর্নীতির সম্রাটদের ধরুন, তাদের রক্ষক রাজা-রানী বাদশাহদের ধরুন।

রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, সরকারের নেতারা বলছেন, সুশাসনের আমেজ দিতেই নাকি ক্যাসিনো বিরোধী অভিযান। হাস্যকর এই চমক আর আমেজ চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলো চুনোপুটিদের অফিস বাড়িতে সিন্দুকে শত শত কোটি টাকার স্টক। সহজেই অনুধাবন করা যাচ্ছে-রাঘব বোয়ালদের কাছে রয়েছে রাষ্ট্রের লুট হওয়া লক্ষ কোটি টাকা। গতকাল খুলনায় ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি বলেছেন, ‘বর্তমান সরকারের আমলে গত ১০ বছরে দেশের ৯ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, সরকার দেশকে হরিলুটের স্বর্গরাজ্য বানিয়েছে। টেলিভিশনের খবরে বলা হচ্ছে ক্যাসিনোর চেয়েও বড় দুর্নীতি হয় পরিবহন সেক্টরে-কেবল রাজধানীতেই প্রতিদিন ১০/১২ কোটি টাকার চাঁদা ওঠে। অথচ সংশ্লিষ্ট ক্ষমতাসীন নেতা ধরাছোঁয়ার বাইরে। তাই দুর্নীতি, মাদক, জুয়া ও কালোটাকার মালিকদের বিরুদ্ধে কম্বিং অপারেশন চালাতে চাইলে বিনাভোটের অবৈধ দুর্নীতিবাজ সরকার যদি মাথার ওপর বসে থাকে তাহলে সেটি জনগণের কাছে নাটক ছাড়া অন্যকিছু মনে হবে না।
আওয়ামী লীগ নিজেদের রাজনৈতিক চরিত্র হারিয়ে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে মন্তব্য করে বিএনপির এই নেতা বলেন, তাদেরকে এখন নানারকম মিথ্যাচার এবং ছলচাতুরির আশ্রয় নিতে হচ্ছে। অভিযানের নামে কয়েকটা চুনোপুটি ধরার পর জনগণের সামনে দুর্নীতিবাজ সরকারের আসল চেহারা উম্মোচিত হয়ে পড়ায় নিশিরাতের সরকারের মন্ত্রীরা এখন স্বাভাবিক বোধবুদ্ধি হারিয়ে ফেলেছেন। তবে দুর্নীতি বিরোধী কথিত অভিযানে সরকারের দুর্নীতি আর অনাচারের নগ্ন চেহারাই উম্মোচিত হয়নি, এই সরকার নিজেদের দলীয় স্বার্থে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে 'কতটা অথর্ব অপদার্থ প্রতিষ্ঠানে' পরিণত করেছে তারও নির্ভেজাল প্রমান মিলেছে। দেশের প্রতিটি মানুষ বিশ্বাস করে ক্যাসিনো কেলেঙ্কারির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কোনো কিছুই আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর অজানা ছিল না। কিন্তু আইন শৃঙ্খলা বাহিনী নিজেদেরকে সরকারের দলীয় বাহিনী হিসেবে পরিণত করায় এতদিন তারা কাসানোতে অভিযান চালাতে সাহস করেনি।

রিজভী বলেন, দেশের প্রতিটি সচেতন নাগরিক মাত্রই বিশ্বাস করেন, রাষ্ট্র ও সমাজে দুর্নীতি অনাচার অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা পুলিশের স্বাভাবিক এবং কাজের অংশ। এর জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের অপেক্ষা করতে হয়না। দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের অপেক্ষা করা মানে প্রধানমন্ত্রীকেও দুর্নীতির অংশীদার বানিয়ে ফেলা। প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি ছাড়া যদি দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়া যায় তাহলে তো বলতেই হবে, গত এক যুগ প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিয়েছেন, লালন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার অনুমতি দেননি বলে এই সুযোগে বাংলাদেশ থেকে ৬ লাখ কোটি টাকার বেশি পাচার হয়ে গেছে, দেশের ব্যাংকগুলো খালি হয়েছে আর বেড়েছে সুইস ব্যাংকে শাসকগোষ্ঠীর জমা রাখা টাকার পরিমান। ঋণখেলাপির পরিমান বেড়ে এখন ১ লাখ ১০ হাজার ৮৭৪ কোটি টাকা। অথচ রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী, বেসিক ব্যাংকসহ ১১ টি ব্যাঙ্ক এখন মূলধন সংকটে। এখনো উম্মোচিত হলোনা ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ ব্যাংকার রিজার্ভ ফান্ডের ৮১০ কোটি টাকা লোপাটের রহস্য। যে কোনো কারণেই হোক, কথিত দুর্নীতি বিরোধী অভিযানে নেমে আওয়ামী লীগ এখন একদিকে শেখ হাসিনাকে অপরদিকে তার পিতা মরহুম শেখ মুজিবকে কৃতিত্ব দিতে গিয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলেছে।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, এই দুর্নীতি বিরোধী অভিযানের আসল উদ্দেশ্য নিয়ে যখন জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে, তখন জনগণের দৃষ্টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে এটাকে নিয়ে অহেতুক রাজনৈতিক বিতর্ক উস্কে দেয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে আওয়ামী লীগের নেতা-মন্ত্রীরা। আওয়ামী লীগের দাবি, শেখ মুজিবুর রহমান দেশে মদ জুয়া নিষিদ্ধ করেছেন। আর জিয়াউর রহমান দেশে মদ জুয়া আইনসিদ্ধ করেছেন। এটি আওয়ামী মার্কা কথা, আর আওয়ামী মার্কা মানেই নির্ভেজাল মিথ্যা কথা। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ক্যাসিনো সংক্রান্ত কোনো আইন নেই। তবে জুয়া সংক্রান্ত যে আইনটি বাংলাদেশে অনুসরণ করা হয় সেটি হলো, 'প্রকাশ্য জুয়া আইন ১৮৬৭'। সেই আইনটিই ৭২-৭৫ সালেও বলবৎ ছিল। শেখ মুজিবুর রহমান যদি দেশে মদ জুয়া নিষিদ্ধ করেন আর জিয়াউর রহমান যদি এটি চালু করেন তবে বিধিবদ্ধ সেই আইনগুলো কোথায়? বরং প্রকৃত সত্য হলো শেখ মুজিবুর রহমান দেশে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করে দিয়েছিলেন আর জিয়াউর রহমান আওয়ামী লীগের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন।
আওয়ামী লীগের মুখে উন্নয়ন আর বুকে দুর্নীতি মন্তব্য করে ছাত্রদলের সাবেক এই সভাপতি বলেন, উন্নয়নের নামে দুর্নীতি এখন আওয়ামী লীগকে জনমনে ঘৃণার পাত্রে পরিণত করেছে। তাই, কথিত দুর্নীতি বিরোধী অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে এখন যখন জনগণের সামনে আওয়ামী লীগের দুর্নীতির কালিমায় লিপ্ত চেহারা প্রকাশ হয়ে পড়েছে, এখন সেই চেহারা আড়াল করার জন্য তারা নানারকম কুতর্কের জন্ম দিচ্ছে। নিশিরাতের সরকারের কাছে জনগণ কুতর্ক শুনতে চায়না, দুর্নীতিবাজরা কে কোন দলের সেটি শুনতে চায়না, জনগণ চায়, বিএনপিও চায়, দুর্নীতিবাজ সে যেই হোক তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হোক। কিন্তু দেখা গেছে, রূপপুরের দুর্নীতি কিংবা ক্যাসিনো কেলেঙ্কারি যেখানেই দু'একটা চুনোপুটি ধরা হচ্ছে, সেখানে দুর্নীতির বিচারের পরিবর্তে এটিকে রাজনৈতিক রং দিয়ে আওয়ামী লীগ একটা বিকৃত আনন্দ লাভ করে। কারণ প্রধানমন্ত্রী কুর্শি থেকে নেমে মাটিতে পড়ার ভয়ে নিজ দলের খাদকদেরকে বাঁচাতে গণমাধ্যমের ওপর একচেটিয়া খবরদারী করে বিএনপি’র বিরুদ্ধে একতরফা অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে জনগণের সামনে ভেঙ্গে পড়েছে আওয়ামী লীগের মিথ্যার মিথ।
দেশপ্রেমিক আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে রিজভী বলেন, আপনাদের গায়ের পোশাকটি দলীয় পোশাক নয়। এটার সম্মান রক্ষা করুন। আওয়ামী লীগের কাছে বিশ্বস্ত হওয়ার দরকার নেই। রাষ্ট্র ও সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধ থাকুন। জনগণের ভালোবাসা অর্জন করুন। এক পুলিশ পরিদর্শক সাইফুল আমিন যেভাবে পোশাকের মর্যাদা রক্ষা করেছেন তার কাছ থেকেও আপনাদের অনেক কিছু শেখার আছে।
অভিযান শুরুর পর থেকে ক্ষমতাসীনদের থলের বিড়াল বেরিয়ে পড়ার কারনে গলাবাজি শুরু করেছে অভিযোগ করে বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, তাদের নিজস্ব কিছু ভূঁইফোড় অনলাইন মিডিয়া ব্যবহার করে বিএনপির নামে, দেশনায়ক তারেক রহমানসহ নেতৃবৃন্দের নামে আজগুবে আষাঢ়ে গল্প প্রচার করছে। এটা সর্বজন বিদিত যে, মাত্র ৭/৮ বছর আগে এই ক্যাসিনো কালচার আওয়ামী লীগ-যুবলীগ নেতারা বাংলাদেশে আমদানী করেছে। একটি টেলিভিশন চ্যানেলের খবরে বলা হয়েছে, গত ৯ বছর ধরে খেলনার আড়ালে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি হয়েছে জুয়া ও ক্যাসিনোর পণ্য। এ কাজে জড়িত ৬টি প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর। শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের তথ্যমতে, সরঞ্জামের বেশিরভাগই এসেছে বিদেশ থেকে। চট্টগ্রাম বন্দর, বেনাপোল স্থলবন্দর ও রাজধানীর কমলাপুর আইসিডি দিয়ে। এতে ছয়টি প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা পেয়েছে সংস্থাটি। সেগুলো হলো-সিক্স সি করপোরেশন, নিনাদ ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, বেস্ট টাইকুন এন্টারপ্রাইজ, নিউ হোপ এগ্রোটেক লিমিটেড, পুষ্পিতা এন্টারপ্রাইজ ও এবি ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল। বেশিরভাগ পণ্যই এসেছে মিথ্যা ঘোষণায়।

আমদানীকারক আর এই সম্পৃক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোও ক্ষমতাসীনদের। বিএনপি তো ১২ বছর ক্ষমতায় নেই। তাহলে কিভাবে ক্যাসিনো চালু করলো বিএনপি ? তারপরও সব দোষ হাওয়া ভবন, বিএনপি আর জনগনের প্রানপ্রিয় নেতা তারেক রহমানের ওপর চাপাচ্ছেন তারা। চাঁদা পেলে অথবা ভাগ বাটোয়ারার টাকা পেলে পাবেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বা তাদের সর্বোচ্চ প্রভাবশালী ক্ষমতাধর কেউ। এই বাস্তব কথাতো পাগলেও বোঝে। ওবায়দুল কাদের, হাছান মাহমুদ সাহেবদের ঘুম হারাম হয়ে গেছে প্রলাপ বকতে বকতে। তারা বাঁশ তলায় দাদীর কবর রেখে কেঁদে বেড়াচ্ছেন বটতলায় গিয়ে।
আইনমন্ত্রীর সমালোচনা করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক সাহেব বলেছেন, ’বিএনপির শীর্ষ নেতা থেকে শুরু করে প্রত্যেকেই পা থেকে মাথা পর্যন্ত দুর্নীতিতে ডুবে আছেন।’ আমি আইন মন্ত্রীকে বলবো-ক্ষমতায় আছেন আপনারা আর দুর্নীতি করছে বিএনপি? আইনের মন্ত্রী হয়ে একেমন বেআইনী কথা বললেন? বিচারমন্ত্রীর এ কেমন বিচার ? তার মানে এখনো কি দেশ চালাচ্ছে বিএনপি? তাহলে আপনারা সাহস করে পদত্যাগ করুন। দেখবেন দূর্নীতি কারা করছে তা জনগনই বের করে দেখাবে। দুর্নীতি, লুটপাট আর কমিশনের মাধ্যমে ব্যাংকগুলো কি বিএনপি দেউলিয়া করেছে? দেশের অর্থনীতি ভেঙে দিয়েছে কি বিএনপি? হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার এবং বিদেশে সেকেন্ড হোম-বেগম পল্লী গড়ছে কি বিএনপি? মামলা হামলা হুলিয়া গ্রেফতার গুম খুন করে বিএনপিকে তো ঘরে বাইরে নির্যাতনের ধারা চালিয়ে যাচ্ছে। আমাদের নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে এক লাখ মামলায় ২৬ লাখ আসামী করেছেন করেছেন। দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ৫৯৯ দিন হলো মিথ্যা মামলায় কারারুদ্ধ করে রেখেছেন যতক্ষণ পর্যন্ত তাঁর প্রাণবায়ু বের না হয়। জামিন বাধা দিচ্ছেন। বিএনপির নেতা কর্মীরা আসামী হয়ে জমি জমা বসত ভিটা বিক্রি করে থানা পুলিশ সামলাচ্ছেন, জামিন নিচ্ছেন। অনেকে কপর্দকশূন্য হয়ে রিক্সা চালাতে বাধ্য হচ্ছেন। আর আপনি বলছেন প্রত্যেকেই দুর্নীতি করছেন। এ যেন ‘যা কিছু হারায় গিন্নি বলেন, কেষ্ট বেটায় চোর’। প্রোপাগান্ডা করে, ভয় দেখিয়ে পার পাবেন না। আপনাদের ওপর মানুষ কতোটা ক্ষুদ্ধ পরিচয় গোপন করে তাদের সাথে কথা বলে দেখুন। মানুষ ঔদ্ধত্য পছন্দ করেনা। অবৈধ ক্ষমতা আছে, চোখে রঙ্গিন চশমা আছে বলে দেখতে পারছেন না। গলা নামিয়ে কথা বলুন। বিনয়ী হন, মানুষের কাছে ক্ষমা চান। পদত্যাগ করে জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিন। অন্যথায় দিন ঘনিয়ে আসছে যখন আর পার পাবেন না।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (1)
ইমরান আহমেদ ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৩:০৯ পিএম says : 0
প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হইয়া যারা মাস্তানি দেখাইছে তাদেরকে প্রজাদের কাতারে পাঠান, তারপর তারা যত খুশি মাস্তানি করুক.
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন