ঢাকা, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২০, ২৪ আষাঢ় ১৪২৭, ১৬ যিলক্বদ ১৪৪১ হিজরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

লিবিয়ায় সংঘাত এড়াতে রাশিয়া-তুরস্ক সমঝোতা

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৩০ মে, ২০২০, ১২:০২ এএম

রাশিয়া এবং তুরস্ক সরাসরি সংঘাত এড়াতে এবং তার পরিবর্তে লিবিয়াতে যার যার ‘প্রভাবের ক্ষেত্র’ রক্ষা করতে সম্মত হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। লিবিয়ার দীর্ঘকাল ধরে চলমান সংঘাতে জাতিসংঘ সমর্থিত ত্রিপোলির জোট সরকারকে সমর্থন ও সহায়তা দিচ্ছে তুরস্ক। অন্যদিকে, বিদ্রোহী খলিফা হাফতারকে সমর্থন দিচ্ছে রাশিয়া। বেশ কয়েকটি পশ্চিমা শক্তির সমর্থনে ২০১১ সালের অভ্যুত্থানে দীর্ঘকালীন স্বৈরশাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফী নিহত হওয়ার পর থেকে তেল সমৃদ্ধ উত্তর আফ্রিকান এই দেশটি গত প্রায় এক দশক ধরে সহিংসতার শিকার হয়েছে। গত বছরের এপ্রিল থেকে, পূর্ব লিবিয়া ভিত্তিক শক্তিশালী খলিফা হাফতার জাতিসংঘ-অনুমোদিত স্বীকৃত জাতীয় সরকার (জিএনএ) এর কাছ থেকে রাজধানী ত্রিপোলির দখল নিতে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। রাশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও অন্যান্য কিছু দেশের সমর্থন থাকায় তিনি রাজধানীর প্রান্তে চলে এসেছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলিতে জিএনএ সরকারের সেনাবাহিনী তুরস্কের ড্রোন এবং বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সাহায্য পাওয়ায় যুদ্ধক্ষেত্রে হাফতারের জন্য বিপর্যয়কর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এপ্রিল মাসে তারা হাফতারের কাছ থেকে পশ্চিমাঞ্চলীয় উপক‚লীয় গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলো ও ত্রিপোলির দক্ষিণ-পশ্চিমে কৌশলগত আল-ওয়াটিয়া বিমানবন্দর উদ্ধার করে। সাম্প্রতিক দিনগুলিতে, ছায়া আধাসামরিক সংস্থা ওয়াগনার গ্রুপের কয়েকশো রাশিয়ান ভাড়াটে সৈন্যকে রাজধানীর দক্ষিণের যুদ্ধ অঞ্চল থেকে সরে যেতে দেখা যায়। সংগঠনটি রাশিযার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ হিসাবে মনে করা হয়। মঙ্গলবার মার্কিন আফ্রিকা কমান্ড রাশিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ আসে যে, তারা ‘লিবিয়ার ভারসাম্য নষ্ট করার চেষ্টা করছে’ এবং ভাড়াটেদের সহায়তার জন্য যুদ্ধবিমান প্রেরণ করছে। বুধবার ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যান-ইয়ভেস লে ড্রিয়ান ‘লিবিয়ার সিরিয়ানাইজেশন’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এএফপি।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন