ঢাকা সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৩ আশ্বিন ১৪২৭, ১০ সফর ১৪৪২ হিজরী

বিনোদন প্রতিদিন

যেসব গানের জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন আলাউদ্দিন আলী

বিনোদন ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৯ আগস্ট, ২০২০, ৭:৫৪ পিএম

মারা গেছেন কিংবদন্তী সংগীতজ্ঞ আলাউদ্দিন আলী। রোববার (৯ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৬৭ বছর।

আলাউদ্দিন আলী ১৯৭৫ সালে সঙ্গীত পরিচালনা করে বেশ প্রশংসিত হন। তিনি 'গোলাপী এখন ট্রেনে' (১৯৭৯), 'সুন্দরী' (১৯৮০), 'কসাই' এবং 'যোগাযোগ' চলচ্চিত্রের জন্য ১৯৮৮ সালে শ্রেষ্ঠ সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। পাশাপাশি ১৯৮৫ সালে তিনি শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়াও তিনি খ্যাতিমান পরিচালক গৌতম ঘোষ পরিচালিত 'পদ্মা নদীর মাঝি' চলচ্চিত্রে সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন। সব মিলিয়ে আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জেতেন অসামান্য এই মানুষটি।

তাঁর উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে, 'একবার যদি কেউ ভালোবাসতো', 'যে ছিল দৃষ্টির সীমানায়', 'প্রথম বাংলাদেশ, আমার শেষ বাংলাদেশ', 'ভালোবাসা যতো বড়ো জীবন তত বড় নয়', 'দুঃখ ভালোবেসে প্রেমের খেলা খেলতে হয়', 'হয় যদি বদনাম হোক আরো', 'আছেন আমার মোক্তার আছেন আমার ব্যারিস্টার', 'সূর্যোদয়ে তুমি, সূর্যাস্তেও তুমি', 'বন্ধু তিন দিন তোর বাড়ি গেলাম দেখা পাইলাম না', 'যেটুকু সময় তুমি থাকো কাছে, মনে হয় এ দেহে প্রাণ আছে', 'সবাই বলে বয়স বাড়ে, আমি বলি কমে রে', 'আমায় গেঁথে দাওনা মাগো, একটা পলাশ ফুলের মালা', 'শত জনমের স্বপ্ন তুমি আমার জীবনে এলে', 'পারি না ভুলে যেতে, স্মৃতিরা মালা গেঁথে', 'জন্ম থেকে জ্বলছি মাগো', 'হায়রে কপাল মন্দ চোখ থাকিতে অন্ধ' গানগুলো অন্যতম।

আলাউদ্দিন আলী একই সঙ্গে সুরকার, বেহালাবাদক, সঙ্গীতজ্ঞ, গীতিকার এবং সঙ্গীত পরিচালক। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে প্রায় ৩০০টি চলচ্চিত্রে সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন তিনি। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত ও পাকিস্তানের অসংখ্য শিল্পীরা তাঁর সুর করা গানে কন্ঠ দিয়েছেন।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন