ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০, ৭ কার্তিক ১৪২৭, ০৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী

সারা বাংলার খবর

কুড়িগ্রামে বন্যায় ৪ হাজার হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত ভাঙনে বিপন্ন জনপদ

কুড়িগ্রাম জেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১০:৩০ এএম

কুড়িগ্রামের সব কটি নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। ধরলা নদীর পানি কমে বিপদসীমার ১৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমার ও তিস্তার পানি বিপদসীমার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। প্রায় ৪ হাজার হেক্টর আমন ক্ষেত পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে গ্রামীণ সড়ক।
এদিকে নদ-নদীর ভাঙনে সদর উপজেলার সারডোব, মোঘলবাসা, পাঁচগাছি, যাত্রাপুর-উলিপুরের থেতরাই, গুণাইগাছসহ বিভিন্ন এলাকায় বিলীন হচ্ছে বাড়িঘর ও আবাদী জমি। কয়েকটি এলাকায় ঝুঁকিতে পড়েছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও বাজার। মঙ্গলবার মধ্যরাতে সারডোব বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ৫০ মিটার অংশ ভেঙে এখনো পানি ঢুকছে ১০টি গ্রামে। অন্যদিকে তীব্র ¯্রােতের কারনে জেলার ধরলা, তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদের ২০টি পয়েন্টে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো: সাইদুর রহমান জানান, গত দুইদিনে ধরলার ভাঙ্গনে ইউনিয়নের জগমনের চর এলাকার ৫৪টি বাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। এসব পরিবার খোলা আকাশের নীচে আশ্রয় নিয়েছে। এছাড়াও ১৩শ ৫০টি পরিবার পানিবন্দি জীবন-যাপন করছে।এছাড়াও ধরলার ভাঙনে সদর উপজেলার নন্দদুলালের ভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি বিলীন হওয়ায় টিনশেড স্কুলঘরটি সরিয়ে নেয়া শুরু করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: আরিফুল ইসলাম জানান, বন্যা পরিস্থিতির ধীরে ধীরৈ উন্নতি হচ্ছে। তবে পানি কমার কারণে ভাঙন বেড়েছে। এসব এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে এবং অনেক এলাকায় ভাঙন ঠেকানো সম্ভব হয়েছে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন