ঢাকা শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৯ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী

সারা বাংলার খবর

ইউজিসির প্রতিবেদন পক্ষপাতমূলক

রাবি সংবাদদাতা : | প্রকাশের সময় : ২৬ অক্টোবর, ২০২০, ১২:০০ এএম

রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের ভিসি ও প্রশাসনের দুর্নীতি, অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা নিয়ে ইউজিসির দেয়া তদন্ত প্রতিবেদনকে একপাক্ষিক ও পক্ষপাতমূলক বলে মন্তব্য করেছেন রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান। সেই সাথে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে তার বিরুদ্ধে অভিযোগসমূহের বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি করেন তিনি।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন সম্পর্কে নিজের অবস্থান জানাতে গতকাল রোববার সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন ভিসি। সংবাদ সম্মেলনটি বেলা এগারটায় বিশ^বিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে ভিসি বলেন, যে কোনো আমলযোগ্য অভিযোগের তদন্ত বাঞ্চনীয়। আমি তদন্তের বিপক্ষে নই। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগসমূহ যথাযথ হলে তা তদন্তে একশভাগ সম্মত আছে। তবে সেই তদন্ত হতে হবে যথাযথ প্রক্রিয়ায়/আইনসিদ্ধভাবে গঠিত পক্ষপাতহীন তদন্ত কমিটির মাধ্যমে। এ বিষয়ে আমি স্পষ্টভাবে গত ০৯ সেপ্টেম্বর ইউজিসি’র চেয়ারম্যানকে পত্র দিয়েছিলেন বলে জানান তিনি।
ভিসি এ সময় বলেন, আমি আশা করেছিলাম সেই পত্র বিবেচনায় নিয়ে তিনি পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন কিন্তু বাস্তবে তা ঘটেনি। বরং আমি মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পেরেছি ইতোমধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। বলাবাহুল্য প্রতিবেদনটি তাই একপেশে এবং পক্ষপাতমূলক। প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে ভিসি এসব অভিযোগসমূহের বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি করেন।
এছাড়া ইউজিসির তদন্ত প্রতিবেদনে মেয়ে জামাইকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা পরিবর্তন করার বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, সিন্ডিকেট সভার ৪৩ নম্বর সিদ্ধান্তে প্রো-ভিসি অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহার নেতৃত্বে সিন্ডিকেট সদস্য, ডীন ও শিক্ষক সমিতির সভাপতিরসহ ৭ জনকে নিয়ে সহকারী অধ্যাপক ও প্রভাষক নিয়োগ নীতিমালা পুন:প্রণয়নকল্পে একটি কমিটি গঠন করা হয়। চার মাস পর কমিটির সুপারিশে শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা পুন:প্রণয়ন করা হয়। এই নীতিমালায় অনেক বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে। তবে মেয়ে জামাই ও আত্মীয়কে নিয়োগের বিষয়ে বলেন, এগুলো নিয়োগ পাওয়ার পরই অভিযোগ তোলা হয়েছে।
ভিসি বলেন, অশুভ রাজনীতিতে জড়িয়ে গেছে এমন একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো এনেছে। সংবাদপত্রের প্রকাশিত বিভিন্ন তথ্যে জানতে পেরেছি আমার অর্থের অনুসন্ধান করা হবে। বাংলাদেশের যেকোনো সংস্থা আমার অর্থের অনুসন্ধান করতে পারে। সেই সৎ সাহস আমার আছে।
এদিকে নিজে থেকেই পদত্যাগ করবেন কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে সরে যাওয়াটা অপ্রাসঙ্গিক বলে উত্তর করেন ভিসি। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নির্দেশনা আসলে তিনি তো আর ভিসি পদে থাকতে পারবেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

 

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন