ঢাকা, শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ২৪ বৈশাখ ১৪২৮, ২৪ রমজান ১৪৪২ হিজরী

সারা বাংলার খবর

রক্তাক্ত বসুরহাট, যুবলীগ কর্মী নিহত : মির্জা কাদের অক্ষত

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১০ মার্চ, ২০২১, ৮:৩২ এএম | আপডেট : ১০:২৮ এএম, ১০ মার্চ, ২০২১

রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে নিয়মিত। এর আগে দুই গ্রুপের সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন একজন সাংবাদিক। এবার নিহত হয়েছে যুবলীগের এক কর্মী।

জানা যায়, নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভা চত্বরে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের গোলাগুলিতে একজন নিহত হয়েছেন। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন আরও ১৩ জন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে বসুরহাটের নবনির্বাচিত পৌরমেয়র কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মির্জা কাদের ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদলের সমর্থকদের মধ্যে গোলাগুলির এ ঘটনা ঘটে। এ সময় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত হয়েছেন আরও ৩০ জন।

নিহত মো. আলাউদ্দিন যুবলীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন। মিজানুর রহমান বাদল তাকে নিজের কর্মী দাবি করলেও অতীতে তাকে কাদের মির্জার সঙ্গেই দেখা গেছে।

এমন পরিস্থিতিতে বসুরহাট পৌর এলাকায় বুধবার সকাল ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করেছেন কোম্পানীগঞ্জের ইউএনও জিয়াউল হক মীর।

গোলাগুলির সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ভাই মেয়র মির্জা কাদের পৌরসভা কার্যালয়েই অবস্থান করছিলেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মির্জা কাদের ও মিজানুর রহমান বাদলের সমর্থকদের মধ্যে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দফায় দফায় সংঘর্ষের পর পৌর চত্বরে এ ঘটনা ঘটল।

এই দুই পক্ষের সংঘর্ষেই গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন মুজ্জাকির। সে ঘটনার তিন সপ্তাহ পার না হতেই রক্তাক্ত হলো বসুরহাট।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (6)
Harun Rashid ১০ মার্চ, ২০২১, ১২:৪৫ পিএম says : 0
সবসময় কর্মী মরে, নেতা মরতে দেখলাম না।
Total Reply(0)
Arif Khan Emon ১০ মার্চ, ২০২১, ১২:৪৬ পিএম says : 0
যখন থেকে কাদের মির্জা সত্য কথা বলা শুরু করলেন তখন থেকেই পশুরামের গুন্ডারা পশুর মতো আচরণ শুরু করলেন।।
Total Reply(0)
Abdus Sabur ১০ মার্চ, ২০২১, ১২:৪৭ পিএম says : 0
বাংলাদেশের নেতাদের অলৌকিক একটা ক্ষমতা আছে। সেটা কি জানেন? সেটা হল দেশে যত বড় হবে শৃঙ্খলা হোক না কেন যত কর্মী মারা যাক না কেন নেতা একেবারেই অক্ষত নেতার শরীরে একটা ফুলের টোকাও লাগেনা। এটা কি অলৌকিক ক্ষমতা ছাড়া সম্ভব?
Total Reply(0)
Akram Haque ১০ মার্চ, ২০২১, ১২:৪৭ পিএম says : 0
দরকার হলে মানুষের কামলা খেটে খাও তাও ঐ দল করে বউ বাচ্চা বাবা মা কস্ট দিও না
Total Reply(0)
Arman Khan ১০ মার্চ, ২০২১, ১২:৪৭ পিএম says : 0
যদি মরা লাগে তাহলে বাবা, মা, বউ, বাচ্চাদের জন্য দিনমজুরি কর্ম করে মরো, প্রত্যাক নেতা-ক্ষেতারা শুধু তাদের সার্থের জন্য তোমাদের ব্যাবহার করে, আর এতিম হয় তোমাদের বাচ্চারা।
Total Reply(0)
MD Raju Ahmed ১০ মার্চ, ২০২১, ১২:৪৭ পিএম says : 0
নোয়াখালীতে হচ্ছে টা কি??
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন