শুক্রবার, ১৯ আগস্ট ২০২২, ০৪ ভাদ্র ১৪২৯, ২০ মুহাররম ১৪৪৪

জাতীয় সংবাদ

মহাসড়কে নতুন প্রযুক্তি

ভেহিকেল ডিটেক্টিভ সিস্টেম সড়ক দুর্ঘটনা কমাবে : সওজ জয়দেবপুর-রংপুর ২৬০ কিমিতে বসছে ইনটেলিজেন্ট ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম

কামাল আতাতুর্ক মিসেল | প্রকাশের সময় : ১২ জুন, ২০২২, ১২:০০ এএম

সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে এই প্রথম মহাসড়ক বসছে ইনটেলিজেন্ট ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম (আইটিএস)। নতুন এই প্রযুক্তির মাধ্যমে মহাসড়কে গতি এবং ওজন সীমা অতিক্রমকারী যানবাহন শনাক্ত করতে পারবে। নতুন প্রযুক্তিটি জয়দেবপুর থেকে রংপুর পর্যন্ত ২৬০ কিলোমিটারে মহাসড়কে স্থাপন করা হচ্ছে।
সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন প্রযুক্তি মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনা কমিয়ে আনবে বলে তারা আশা করছেন। সড়ক ও জনপথ (সওজ) সূত্র জানায়, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে চলমান সাসেক সড়ক সংযোগ প্রকল্প এলেঙ্গা-হাটিকুমরুল-রংপুর মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের আওতায় এই আইটিএস পদ্ধতি চালু করা হচ্ছে।

ভেহিকেল ডিটেক্টিভ সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো যানবাহন নির্ধারিত গতি অতিক্রম করলে সেটিকে চিহ্নিত করা যাবে। এতে দুর্ঘটনা কমবে। এজন্য মহাসড়কের ২৫টি জায়গায় বিশেষ টাওয়ারে আইটিএস স্থাপন করে পুরো সড়কটি মনিটরিংয়ের আওতায় আনা হবে। এর মাধ্যমে ওই মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহনগুলোকে যে কোনো বিপদে আগাম সতর্কবার্তা দেওয়া হবে। যেমন সামনে যদি বড় দুর্ঘটনা ঘটে তা সঙ্গে সঙ্গে অন্য সব গাড়িকে জানিয়ে দেওয়া হবে।

ইতোমধ্যে ন্যাশনাল ডেভলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড (এনডিই) ও চীনা কোম্পানি ফাইবারহোম টেলিকমিউনিকেশন টেকনোলজিস কোম্পানি লিমিটেড এ প্রকল্পের জন্য যৌথভাবে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের সঙ্গে এক লাখ ৭১ হাজার কোটি টাকার (১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এনডিই সলিউশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিয়াদ হোসেন বলেন, এই প্রকল্পটি দেশের জন্য উল্লেখযোগ্যভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই প্রকল্পই ভবিষ্যতে এরকম অনেক প্রকল্পের পথ খুলে দেবে।

প্রকল্প পরিচালক ড. মো. ওয়ালিউর রহমান ইনকিলাবকে বলেন, পুরো মহাসড়কটিকে মনিটরিং করতে টাঙ্গাইলের পাকুল্লা, বগুড়ার মহাস্থানগড় এবং রংপুরের ইসলামপুর-এই তিন স্থানে মনিটরিং ভবন নির্মাণ করা হবে। সেখান থেকে আইটিএসের মাধ্যমে পুরো মহাসড়কটিকে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। রাজধানীর মিরপুরে হবে কেন্দ্রীয় মনিটরিং ভবন।

তিনি আরও বলনে, মহাসড়কে কোনো দুর্ঘটনা হলে সঙ্গে সঙ্গে মনিটরিং ভবন থেকে তা তদারকি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সড়কের ওজন নিয়ন্ত্রণে পাকুল্লা, মহাস্থানগড় এবং ইসলামপুরে তিন স্টেশনও স্থাপন করা হবে। কোনো ট্রাক নির্ধারিত ওজনের চেয়ে বেশি পণ্য পরিবহন করলে সে ট্রাকের চালককে জরিমানা করা হবে।
পাকুল্লা, মহাস্থানগড় এবং ইসলামপুর-তিনটি স্টেশনে একটিওয়েই ইন মোশন (ডব্লিউআইএম) সিস্টেম বসানো হবে। এর মাধ্যমে কোনো ট্রাক অনুমোদিত সীমার চেয়ে বেশি পণ্য বহন করলে তা জানা যাবে। কোনো ট্রাক নির্ধারিত ওজনের বেশি মালামাল বহন করলে জরিমানা করা হবে। প্রকল্প পরিচালক জানান, আগামী দুই বছরে এলেঙ্গা-হাটিকুমরুল-রংপুর মহাসড়ককে চার লেনে উন্নয়ন কাজ শেষ হওয়ার পাশাপাশি আইটিএস পদ্ধতি স্থাপনের কাজও শেষ হবে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (8)
Masum Akter ১২ জুন, ২০২২, ৬:৪৮ এএম says : 0
এ আরেক টাকা নষ্টের প্রজেক্ট, কোন এক উর্বর মস্তিষ্কের প্রডাকশন। লাগাবে, লাগানোর কয়েক দিন পর ওটা আর কাজ করবে না
Total Reply(0)
Hasan Ali ১২ জুন, ২০২২, ৬:৪৯ এএম says : 0
রাস্তায় যারা পথচারী তাদেরকে কোন ধরনের ডিভাইস দেন যেটা দিয়ে তারা বুঝতে পারে তাদের দিকে গাড়ী ধেয়ে আসছে গাড়ী তাদের উপর দিয়ে চলে যাবে তাহলে তারা রাস্তা থেকে সরে তাড়াবে।
Total Reply(0)
Ahmed Syed J ১২ জুন, ২০২২, ৬:৪৯ এএম says : 0
ড্রাইভার কে সচেতন হতে হবে যেন পর্যাপ্ত ঘুমের পর গাড়ীতে উঠেন । পুলিশ কে আ্যলকোহল পরীক্ষায় বিদেশী পদ্ধতি প্রয়োগ করলেই হবে ।
Total Reply(0)
MD Emrul Kaies ১২ জুন, ২০২২, ৬:৪৯ এএম says : 0
এটা অতি তারাতাড়ি চালু হোক দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন তাজা তাজা প্রান হারিয়ে যায়,,,, তাই আশা করি সমাধান হবে
Total Reply(0)
মো কামরুল ইসলাম ১২ জুন, ২০২২, ২:০৯ পিএম says : 0
গাড়ি আমদানি করার পুর্বে গাড়ি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানএর সাথে চুক্তি করে আমদের দেশের উপযোগী গাড়ির সর্বোচ্চ গতি ৬০ কিলোমিটার ফিক্সড করে আমদানী করতে হবে।১০০% গ্যারান্টি সড়ক দুর্ঘটনা ৯০% কমে যাবে এটা দীর্ঘদিনের বহু ঘটনা দুর্ঘটনা Analysis করে বের করা।সরকার যদি এটা করে তাহলে যুগান্তকারী ফল আসবে।গতি কমল কিন্ত বহু মুল্যবান জীবন রক্ষা পাবে ইনশাআল্লাহ।
Total Reply(0)
Md awal sarkhar ১২ জুন, ২০২২, ১:৩৩ পিএম says : 0
আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি, এই কথাটা আমরা সবাই মুখে বলি,আসলে বাস্তবতা ঘটে তার উল্টো এই ভালবাসার নামে,আমার সোনার বাংলায় উন্নয়নের নামে যে সব প্রকল্প করা হচ্ছে সবই সান্ত্বনা মুলক কাজ। তবে উন্নয়নের ধারা বাহিকতায় দেশে দ্বুরনিতির উন্নয়নের একটু বেশি উন্নয়ন হয়েছে।
Total Reply(0)
Md awal sarkhar ১২ জুন, ২০২২, ১:৩৪ পিএম says : 0
আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি, এই কথাটা আমরা সবাই মুখে বলি,আসলে বাস্তবতা ঘটে তার উল্টো এই ভালবাসার নামে,আমার সোনার বাংলায় উন্নয়নের নামে যে সব প্রকল্প করা হচ্ছে সবই সান্ত্বনা মুলক কাজ। তবে উন্নয়নের ধারা বাহিকতায় দেশে দ্বুরনিতির উন্নয়নের একটু বেশি উন্নয়ন হয়েছে।
Total Reply(0)
Kazi ১৩ জুন, ২০২২, ১২:৩৩ পিএম says : 0
অতিরিক্ত প্রযুক্তি মানেই অতিরিক্ত প্রকল্প ব্যয় । কিন্তু এসব প্রযুক্তি কতদিন সুষ্ঠু ভাবে ঠিক মত চলবে ?
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন