ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ০২ কার্তিক ১৪২৬, ১৭ সফর ১৪৪১ হিজরী

অভ্যন্তরীণ

দৌলতদিয়া-খুলনা রেলসড়কের রাজবাড়ী বার পয়েন্টে নেই রেলক্রসিং প্রতিনিয়ত ঝরছে প্রাণ

১৪ মাসে ১৭ জনের মৃত্যু

প্রকাশের সময় : ২৫ মার্চ, ২০১৬, ১২:০০ এএম



গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) উপজেলা সংবাদদাতা : দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ দৌলতদিয়া-খুলনা রেলসড়কের রাজবাড়ীতে গত ২০১৫ সালে রেলে কাটা পড়ে মারা গেছে ১৩ জন পথচারী, আর চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে মারা গেছে ৪ জন। রাজবাড়ী দৌলদিয়া থেকে পাংশা পর্যন্ত ১২টি পয়েন্টে নেই রেলক্রসিং, আর রেল কর্তৃপক্ষ বলছে, অসাবধানতার কারণে ঘটছে দুর্ঘটনা। এ এলাকায় প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনা ঘটেই চলেছে।  রেললাইনের উপর দিয়ে জনসাধারণের চলাচলের উপর নিশেধাজ্ঞা রয়েছে সরকারিভাবে। দৌলতদিয়া-খুলনা রেলসড়কের রাজবাড়ীতে অবাধে রেল সড়কের উপর দিয়ে চলাচল করে পথচারী। এ ছাড়া রাজবাড়ী ১ নং রেলগেট এলাকায় প্রতিনিয়ত বসছে ফল বাজার রেল কর্তৃপক্ষ যেন দেখেও দেখে না কিছুই। ভুক্তভোগী ও নিহতের পরিবারের সদস্যদের দাবি রাজবাড়ী জেলার গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি পয়েন্টে নেই রেলক্রসিং আর চালকরা চান না ট্রেনের গতি থামাতে তাই হরহামেশাই ঘটছে এমন প্রানহানির মতো ঘটনা। এ প্রসঙ্গে আন্তঃ নগর ট্রেনের চালকরা দাবি করেন পথচারীদের অসাবধানতার কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে এমন দুর্ঘটনা। তারা আরো জানান সামনে যদি ১৪৪ গজের মধ্যে কোন পথচারী এসে পরে তবে ট্রেন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় আর যদি ১০/১২ গজের মধ্যে এসে পড়ে তবে তা আর নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না সেক্ষেত্রে সে কাটা পরে যায়। রাজবাড়ী রেলওয়ে থানা (জিআরপি) ওসি বলেন, গত বছরে রাজবাড়ীতে মারা গেছে ১৩ জন আর চলতি বছরের ২ মাসে ৪ জন। এরা কেউ ফোনে কথা বলতে বলতে পার হচ্ছিল নতুবা দৌড় দিয়ে পার হতে গিয়েছিল। এ ব্যাপারে প্রত্যেকটির থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। এর মধ্যে ২০১৫ ইং সালের জানুয়ারি মাসে-১ জন, ফেব্রুয়ারি মাসে-৩ জন, মে মাসে-২ জন, জুন মাসে-১ জন, আগস্ট মাসে-১ জন, সেপ্টেম্বর মাসে-১ অক্টোবর মাসে-২ জন, নভেম্বর মাসে-২ জন, মোট ১৩ জন মারা যায়, ২০১৬ ইং সালের জানুয়ারি মাসে-১ জন, ফেব্রুয়ারি মাসে-৩ জন, মোট ৪ জন মারা যায়। রাজবাড়ীর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার জানান, রাজবাড়ী শহরের ২ নং রেলগেট ও ৩ নং রেল গেট এলাকা মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে তাছাড়া জেলার বেশ কয়েকটি স্থানে রেল ক্রসিং না থাকায় ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। অচিরেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনার কথাও বলেন তিনি। আর এলাকাবাসী জানান রেলে কাটা পড়ে মৃত্যু কমানোর জন্য রেলক্রসিং ও সচেতসতার বিকল্প কিছুই নেই। চালকদের এ ব্যাপারে আন্তরিক হওয়ার অনুরোধ জানান তারা।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন