ঢাকা, বুধবার ১৭ জুলাই ২০১৯, ০২ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৩ যিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী।

স্বাস্থ্য

রোজা ভাঙ্গার প্রক্রিয়া ও খেজুরের গুণ

ডাঃ নাসির উদ্দিন মাহমুদ | প্রকাশের সময় : ২৪ মে, ২০১৯, ১২:০৬ এএম

রমযানে ইফতার শুরুর প্রক্রিয়া হওয়া উচিত সংযমের সাথে , স্বাস্থ্যসম্মতভাবে ও একটু রয়ে সয়ে । আজানের সাথে সাথে রোযাভেঙ্গে , তাড়াহুড়ো করে পেট ভর্তি ইফতার খেয়ে নিলে নামায পড়াটা যেমন কষ্টদায়ক ও অস্বস্থ্কির, পাশাপাশি বদহজম , পেট ফাঁপানো ও ঘন ঘন ঢেঁকুর ওঠা সহ বিভিন্নরকম সমস্যা হতে পারে । এসকল অসুবিধাগুলো আরেকটু বেড়ে যায় , যদি ইফতারের উপকরণগুলো - তেলে ভাজা বুট, বড়া, বেগুনী ও আলুর চপসহ নানা অস্বাস্থ্যকর খাবারে ঠাসা থাকে । এমতাবস্থায়, খাদ্য হজমে অসুবিধা হয় , শরীর ঠিকমত শক্তির যোগান পেতে পারে না ও যাবতীয় চলাফেরাসহ ইবাদত পালনে অসুবিধা হয় । 

এই গরমের দিনে, ঘামঝরানো দীর্ঘ সময়ের উপবাসের পর, শরীরের অবস্থা বুঝে – অল্প দিয়ে শুরু করে আস্তে আস্তে ভারি খাবারের দিকে যাওয়া উচিত । শুরুতে পুষ্টিকর হাল্কা খাবার পানিসহ একটু সময় নিয়ে খাওয়া দরকার । সারা দিনের উপবাসের পর পুষ্টিগুণ সম্পন্ন খাবার পেটে গেলে , শরীর তার প্রায় পুরোটাই শুষে নিতে চায় ও অধিকতর ভারি খাবার হজমের জন্য পরিপাকতন্ত্রে শক্তি সঞ্চয় করে ।
ঐতিহ্যগতভাবে মুসলমানরা খেজুর ও পানি খেয়ে রোযা ভেঙে আসছে । খেজুর রোযা ভাঙার জন্য একটি আদর্শ ফল । এটি বিভিন্ন ভিটামিন, খনিজ পদার্থ, উঁচু মাত্রার প্রাকৃতিক চিনিযুক্ত ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদানে ভরপুর একটি পুষ্টিকর ও সুস্বাদু আঁশযুক্ত ফল । খেজুর সহজপাচ্য , খাদ্য হজমে সহায়তা করে ও কোষ্ঠকাঠিন্য কমায় । খেজুর খেয়ে রোযা ভাঙার অল্প সময়ের মধ্যে এটা বিভিন্ন উপাদানের ঘাটতি অনেকটা পূরন করে ক্লান্ত শরীরে প্রচুর শক্তি যোগায়। পবিত্র কুরআনশরীফ ও হাদিসের বিভিন্ন জায়গায় খেজুরের উপকারিতার কথা বলা আছে । রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন , “রোযাদারদের খেজুর দিয়ে রোযা ভাঙ্গা উচিত ।”

লালমাটিয়া , ঢাকা
গড়ন: ০১৯৩৭৪০৪৫৫৮

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন