ঢাকা, রোববার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৭ আশ্বিন ১৪২৬, ২২ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী

সারা বাংলার খবর

ওসমানীনগরে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অশ্লীল পোস্ট

তরুণীর আদালতে স্বীকারোক্তি, চেয়ারম্যান মানিকের সংবাদ সম্মেলন

বালাগঞ্জ (সিলেট) সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ২৪ আগস্ট, ২০১৯, ৭:০৫ পিএম

সিলেটের ওসমানীনগরের গোয়ালাবাজার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মানিকের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অশ্লীল স্ট্যাটাস দেয়ার কারণে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়েরকৃত মামলায় গ্রেফতারকৃত তরুণীর মধ্যে তামান্না বেগম ফৌজদারি আইনের দণ্ডবিধি ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে। গতকাল বিকেল ৫টায় সিলেটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম বিচারক কাকন দে’র আদালতের স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি প্রদান করে। আদালতের বরাত দিয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসমানীনগর থানার ওসি(তদন্ত) এসএম মাইন উদ্দিন জানান, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অশ্লীল স্ট্যাটাস দেয়া ও সেই স্ট্যাটাস গুলো নাইমা বেগম ও অন্য আরেকটি ফেসবুক আইডি থেকে শেয়ারের মাধ্যমে স্ট্যাটাসটি ছড়িয়ে দেয়ার হয়। জবানবন্দি রেকর্ড শেষে বিচারক তামান্নাকে(১৮) জেল হাজতে ও নাইমার বয়স ১৭ বছর ৮ মাস হওয়ায় তাকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের সুধানাগারে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।

এদিকে কুৎসা রটনাকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন চেয়ারম্যান মানিক। গতকাল শনিবার বিকেলে তার ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তিনি। চেয়ারম্যান মানিকের অভিযোগ, তিনি পরপর দু’বারর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় অজ্ঞাত অপপ্রচারকারীরা তার বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত কুৎসা রটনা করে আসছে। অপপ্রচারের অংশ হিসেবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে তাকে জড়িয়ে কুৎসা রটনা করা হয়। বিষয়টি নজরে আসার পর ওসমানীনগর থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। থানা পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে স্থানীয় ২ তরুণীর সম্পৃক্তা পাওয়ায় তাদের গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে। তবে কে বা কারা ঘটনার মূলহোতা এখনো চিহ্নিত করা যায়নি। এর আগেও তাকে মান সম্মানহানীকর এমন অবস্থার মুখোমুখি হতে হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত ১৪ আগস্ট নাইমা বেগম নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে চেয়ারম্যান মানিককে জড়িয়ে আপত্তিকর লেখা পোস্ট করা হয়। এই পোস্টটি আরো একটি আইডি থেকে প্রথমে শেয়ার এবং পরে এটি গুজব উল্লেখ করে ব্যাপক প্রচার করা হয়। পুলিশ তদন্ত করতে গিয়ে এই পোস্টের ব্যাপারে স্থানীয় নাইমা বেগম এবং তামান্না বেগম নামের দুই তরুণী সম্পৃক্তা পেয়ে তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। গতকাল শনিবার তাদের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন