ঢাকা, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯, ২৯ আশ্বিন ১৪২৬, ১৪ সফর ১৪৪১ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

ছাত্রলীগের পর যুবলীগকে ধরেছি, একে একে সব ধরব : প্রধানমন্ত্রী

মিয়ানমারকে রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে হবে

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:০২ এএম

ছাত্রলীগের ইমেজ (ভাবমর্যাদা) বাড়তে সৎভাবে কাজ করতে ছাত্রলীগের নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের নির্দেশ দিয়েছেন সংগঠনটির সাংগঠনিক অভিভাবক আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, কারো কোনো নালিশ শুনতে চাই না। ছাত্রলীগকে ধরেছি। ছাত্রলীগের পর যুবলীগকে ধরেছি। একে একে সব ধরব। নিজেদের ইমেজ বাড়াতে হবে। নীতি আদর্শ নিয়ে চলতে হবে। গতকাল সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যসহ ২৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল দেখা করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, সমাজের অসঙ্গতি এখন দূর করব। একে একে এসব ধরতে হবে। আমি করব। জানি এগুলো কঠিন কাজ। কিন্তু করব। এই কাজ করতে গিয়ে অনেক বাধা আসবে। তারপরও আমি করবই।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, উপ-দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়–য়া প্রমুখ।
গণভবনে আওয়ামী লীগ সভাপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে বিভিন্ন সাংগঠনিক নির্দেশনা নেন ছাত্রলীগ নেতারা। সৌজন্য সাক্ষাতে ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয়, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি তানজিল ভূঁইয়া তানভীর, রেজাউল করিম সুমন, সোহান খান, আরিফিন সিদ্দিক সুজন, আতিকুর রহমান খান, কাসফিয়া ইরা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ চৌধুরী, আরিফুজ্জামান আল ইমরান, শামস-ই-নোমান, মো. শাকিল ভূইয়া, মহিউদ্দিন আহম্মেদ ও বেনজীর হোসেন নিশি, সাংগঠনিক সম্পাদক সাবরিনা ইতি, মামুন বিন সাত্তার ও সাজ্জাদ হোসেন। এছাড়া ছাত্রলীগ ঢাবি শাখার সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইব্রাহিম হোসেন ও মো. সাইদুর রহমান হৃদয় এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি মো. মেহেদী হাসান ও সাধারণ সম্পাদক মো. জুবায়ের আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
মিয়ানমারকে রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে হবে
এর আগে সকালে গণভবনে ইউকে অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রæপ (এপিপিজি)’র দু’টি পৃথক প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদেরকে বাংলাদেশের জন্য একটি বড় ধরনের বোঝা। এখন মিয়ানমারকে তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নেয়া উচিৎ। তিনি আরো বলেন, আমরা মানবিক দিক বিবেচনা করে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছি। কারণ বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরাও একই অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছিলাম। সে সময়ে ১ কোটি বাংলাদেশি ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল।
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন। প্রধানমন্ত্রীর উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এখন রোহিঙ্গারা আমাদের জন্য একটি বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং এদের কারণে স্থানীয় মানুষকে ব্যাপক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। মানবিক কারণে ভোগান্তি মেনে নেয়ায় প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। সফররত ইউকে কনজারভেটিভ ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ (সিএফওবি) ও ইউকে এপিপিজি অন পপুলেশন, ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রিপ্রোডাক্টিভ হেল্থ এর প্রতিনিধি দলের সদস্যরা ও প্রধানমন্ত্রীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
ইউকে অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রæপ (এপিপিজি)’র সভাপতি অ্যানী মেইন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। ইউকে এপিপিজি প্রতিনিধি দলের সদস্যরা কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তাদের সফরের উপর লেখা একটি প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন। জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেয়ায় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রতি তাদের সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলে আবারো প্রতিশ্রæতি দেন।
দুই বছর আগে বাংলাদেশে তাদের সফরের বিষয়টি উল্লেখ করে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বলেন, সেই সময়ের তুলনায় এখন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পরিবেশ অনেক ভাল হয়েছে। বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্কের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ব্রিটেন বাংলাদেশের উন্নয়নে অব্যাহতভাবে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্ক আরো গভীর থেকে গভীরতর হবে। ১৭ সেপ্টেম্বর হতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৪তম অধিবেশন নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে শুরু হয়েছে। ২৪ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর এই অধিবেশনের উচ্চ পর্যায়ের বিতর্ক পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী ২২ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে পৌঁছবেন। এই অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মণি, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো,. শাহাব উদ্দিন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, পরিবেশ, জাতীয় সংসদের বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী প্রমুখ।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (24)
Suly Mandal ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:৫৫ এএম says : 0
ধন্যবাদ আমমাজান
Total Reply(0)
Mostafa Emran ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:৫৫ এএম says : 0
সবার আগে ডাক্তার ও মেডিক্যাল গুলো দেখুন অসহায় মানুষের জীবন টা বাচান
Total Reply(0)
Mafijul Islam ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:৫৫ এএম says : 0
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
Total Reply(0)
সিরাজ.রহমান সজিব ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:৫৬ এএম says : 0
ধরলে কি হবে এক দরজা দিয়ে ঢুকবে অন্য দরজা দিয়ে বেরিয়ে আসবে এরকম কত নাটক জাতি দেখলো তার কোন হিসেব নেই
Total Reply(0)
Jashim Uddin ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:৫৬ এএম says : 0
ধন্যবাদ আপনাকে
Total Reply(0)
Sohel Sami ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:৫৭ এএম says : 0
শুভ কামনা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অাপনার জন্য
Total Reply(0)
Mdosman Goni ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:৫৭ এএম says : 0
দু এক জন দরে লাভ হইবেনা ভালো করে ছাটাই করতে হইবে
Total Reply(0)
Wilfred Quiah ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:৫৭ এএম says : 0
We have tremendous trust on you. We know you will fix it once and for all.
Total Reply(0)
HM Ahad ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:৫৭ এএম says : 0
Good job
Total Reply(0)
রঙ্গমঞ্চ রঙ্গমঞ্চ ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:৫৮ এএম says : 0
একে একে যদি এভাবে সবকটাকে ধরেন,তাতে আপনার ই উপকার। সব আগাছা গুলো ঝরে পড়বে গুটিকয়েক ভালো মানুষ দিয়ে রাষ্ট্র খুব ভালো ভাবে চলবে।
Total Reply(0)
Mohamad Rafiqul Islam ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:৫৮ এএম says : 0
Thank you Prime Minister, go ahead, no one can stop you.
Total Reply(0)
Majumder Nazrul ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:৫৮ এএম says : 0
ইয়াবা ব্যবসায়ী ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে ঝটিকা অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু মানুষকে ক্রস ফায়ারে বিনাবিচারে হত্যা করে যেমন ইয়াবা ব্যবসা রোধ করা গেল না তেমনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে কিছু র‍্যান্ডম শুদ্ধি অভিযান পরিচালনায় স্থায়ী কোন সুফল আসবে বলে মনে করার কারন আছে কি?
Total Reply(0)
Kawsar Ahmed Kawsar ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:৫৯ এএম says : 0
লক্ষ লক্ষ রাজনীতিবিদদের মধ্যে মাত্র ৩ জনকে বহিস্কার করলেই শুদ্ধি অভিজান হয়ে যায় না !! কমপক্ষে ২ লাখ রাজীনিতিবিদ কে দল থেকে বহিস্কার করলে রাজনীতি তে শুদ্ধি অভিজান চলছে বলা যেতে পারে ।
Total Reply(0)
Imam Uddin Miyaji - ইমাম উদ্দিন মিয়াজি ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:৫৯ এএম says : 0
ধন্যবাদ! তবে যখন সমাজে এরা তৈরী হয় তখন তাদের নাধরে বরং বিভিন্ন পদ পদবি দিয়ে অবিরাম অন্যায় কাজে তাদের আরো উৎসাহ দেয়া হয় কেন? জবাব চাই..?
Total Reply(0)
Shamsul Hoque ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:৫৯ এএম says : 0
ধরার শেষ হবেনা আরো আছে বা জেগে উঠবে।শক্ত হাতে ধরা দরকার নইলে সর্বনাশ হবে।
Total Reply(0)
Miah Muhammad Adel ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৫:১০ এএম says : 0
এই কাজটা আগে শুরু করলে জনগণ স্বস্তি পেতেন, এত দুর্ভোগ পোহাতে হতো না। আঃ লীগের নাম ভাঙ্গিয়ে অনেক অন্যায় করা হয়েছে। আঃ লীগের পতাকা আশ্রয় দিয়েছে তাদেরকে।
Total Reply(0)
Miah Muhammad Adel ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৫:১০ এএম says : 0
এই কাজটা আগে শুরু করলে জনগণ স্বস্তি পেতেন, এত দুর্ভোগ পোহাতে হতো না। আঃ লীগের নাম ভাঙ্গিয়ে অনেক অন্যায় করা হয়েছে। আঃ লীগের পতাকা আশ্রয় দিয়েছে তাদেরকে।
Total Reply(0)
Miah Muhammad Adel ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৫:১১ এএম says : 0
এই কাজটা আগে শুরু করলে জনগণ স্বস্তি পেতেন, এত দুর্ভোগ পোহাতে হতো না। আঃ লীগের নাম ভাঙ্গিয়ে অনেক অন্যায় করা হয়েছে। আঃ লীগের পতাকা আশ্রয় দিয়েছে তাদেরকে।
Total Reply(0)
Wasim ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৭:৩৯ এএম says : 0
Thank you primenistar
Total Reply(0)
Miah Muhammad Adel ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৭:৪২ এএম says : 0
Abdullah ibn Umar reported: The Messenger of Allah, peace and blessings be upon him, said, “Every one of you is a shepherd and is responsible for his flock. The leader of people is a guardian and is responsible for his subjects. A man is the guardian of his family and he is responsible for them. A woman is the guardian of her husband’s home and his children and she is responsible for them. The servant of a man is a guardian of the property of his master and he is responsible for it. No doubt, every one of you is a shepherd and is responsible for his flock.” Source: Ṣaḥīḥ al-Bukhārī 6719, Ṣaḥīḥ Muslim 1829 Grade: Muttafaqun Alayhi (authenticity agreed upon) according to Al-Bukhari and Muslim
Total Reply(0)
Mohammed Shah Alam Khan ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৯:৪৪ এএম says : 0
আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘কারো কোনো নালিশ শুনতে চাই না। ছাত্রলীগকে ধরেছি। ছাত্রলীগের পর যুবলীগকে ধরেছি। একে একে সব ধরব।’ অত্যান্ত সত্য কথা প্রধানমন্ত্রী চাইলে সবই করা সম্ভব এটাই সত্য। কিন্তু আমরা সোনার ছেলে ছাত্র লীগ ও যুব লীগের সদস্যদের প্রকাশ্যে সন্ত্রাস ও দুর্নীতি করতে দেখেছি তাঁরপরও পুলিশ তাদের কর্মকাণ্ডকে নজর আন্দাজ করে আসছিল এটাও দেখে আসছি। এধরনের সন্ত্রাসী করে চাঁদা চাইবার ঘটনা রমনা থানার পশ্চিম মালিবাগে ঘটেছিল সেখানে রমনা থানাও ছাত্র লীগের অন্যায় আবদার মানার জন্যে বাড়ির মালিকে চাপ দিচ্ছিলেন ঠিক তখন বিদেশী মিশন থেকে ফোন গেলে থানা ঐ লোকের কাছ থেকে সালামি নিয়ে ছাত্র লীগকে দমন করেছিল এর প্রমাণ আমার কাছে আছে। এরকম ভাবেই সারা দেশে ছাত্র লীগ যুব লীগ তাদের চাঁদা বাজি করে যাচ্ছে আর পুলিশ তাদেরকে সহায়তা করছে এটা এখন সবার কাছে স্বাভাবিক হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিছুদিন আগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফারজানা ইসলামের নালিশের পর ছাত্র লীগের দুই মাথাকে বাদ দেয়া হয়েছে। নিন্দুকদের প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রী কি উপাচার্য যেভাবে নালিশ করেছেন তেমন ভাবে আর কাওরো নালিশ শুনতে চান না?? নিন্দুকেরা আরো প্রশ্ন করেছে, নেত্রী উপাচার্যের নালিশের উপর ভিত্তি করে ছাত্র লীগের দুইটি মাথাকে অপসরণ করেছেন সেইভাবে যুব লীগের মাথাকে সরাবার সাহস রাখেন কিনা?? নিন্দুকেরা জানতে চায়, এখন কি প্রধানমন্ত্রী একই কায়দায় যুব লীগের মাথা ওমর ফারুক চৌধুরীর মিরপুরের দারুসসালাম এলাকায় গোলারটেক মাঠে পুলিশকে অন্যায় ভাবে শাসিয়ে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করেছেন সেজন্য ফারুক সাহেবকে সাজা হিসাবে অব্যহতি দিতে পারবেন কি?? নিন্দুকদের প্রশ্ন যুব লীগের প্রধানের বিচার প্রধানমন্ত্রী করতে পারবেন কি? প্রধানমন্ত্রী এই সংবাদে যে উক্তি করেছেন সেটাকি তিনি আদৌ বাস্তবায়িত করতে পারবেন সেটাই এখন প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা আশাবাদী নেত্রী হাসিনা তাঁর কথা রাখবেন, তিনি বলেছেন ‘ছাত্র লীগের পর যুব লীগ ধরেছি’ তবে যুব লীগ প্রধানের উদ্যত্য পূর্ন বক্তব্যের প্রতিকার প্রধানমন্ত্রী নিবেন এটাও আমাদের আশা। তবে নিন্দুকেরা বলছে, প্রধানমন্ত্রী জনগনকে ‘আই ওয়াশ’ করার জন্যেই ছাত্র লীগের দুজনকে অব্যহতি দিয়েছেন। নিন্দুকেরা আরো বলছে, অবস্থা স্বাভাবিক হলেই অব্যহতি দেয়া দুই নেতাকে সুনিপুন ভাবেই আবার যায়গা মত বসিয়ে দিবেন। একইভাবে যুব লীগের একজনকে হাঁতে নাতে ধরে বাকীদের কোন কিছুই করবেন না এখানেই যুব লীগের বিষয় চাপ পরে যাবে এটাও নিন্দুকদের মন্তব্য।
Total Reply(0)
ash ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:৪৭ পিএম says : 0
SATRO RAJNITI BONDHO KORA HOKKKKKK ! JE VABE DESHE SATRO RAJNITI CHOLCHE DESHER MARUDONDO VEGGE JABE ! WORLDER ONNO KONO DESH E KI BANGLADESH ER MOTO SATRO LIG, SATRO DOL, SHATROSHIBIR ASE?? HA TOBE RAJNITIR SUPPORT TO THAKTEI PARE, SHETA SHOB DESH E ASE TOBE MAIN DOLER SHATHE NOT SATRO LIG, SATRO DOL, SATROSHIBIR ! PLS STOP IT OR OUR LITTLE COUNTRY WILL BE DESTROY
Total Reply(0)
Nadim ahmed ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:০৫ পিএম says : 0
Police & RAB regularly get a particular amount of money plus a specific % of profit share from all the illigal activities run in all over the country. So dear PM, please catch Police & RAB, everything will be solved. Chatro League - Juno League are 100% corrupted. These 2 Leagues made life difficult for 17 crore Bangladeshis. For God's sake, ban then instead of just showing fake action.
Total Reply(0)
abdul mozid ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১০:৩৭ পিএম says : 0
ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।আগামী 5 বছরের মধ্যে আমরা মালয়েশিয়ার সমান হবে।তবে আপনার কিছু শরিকদল এবঙ প্রতিবেশিদেশ থেকে সতর্ক থাকবেন।
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন