ঢাকা, বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯, ০১ কার্তিক ১৪২৬, ১৬ সফর ১৪৪১ হিজরী

অভ্যন্তরীণ

কমলনগরে ১৪ জেলের বিনাশ্রম কারাদন্ড

কমলনগর (লক্ষীপুর) উপজেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১১ অক্টোবর, ২০১৯, ১২:০৩ এএম

লক্ষীপুরের কমলনগরে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মেঘনানদীতে মাছ ধরার অপরাধে ১৪ জেলের প্রত্যেকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারান্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইমতিয়াজ হোসেন। গত বুধবার দুপুরে কমলনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিজ কার্যালয়ে এ আদেশ দেন। এরা হলেন আমির হোসেন (৪০), মো. রিপন (৩০), মো. আলাউদ্দিন (২৫), মো. হাসান (২২), মো. আজগর আলী (২০), কলিমউল্যাহ (২৪) মো.ফারুক (৩২) জাহাঙ্গীর হোসেন (৪৭), শাইন আলম (১৭), হেলাল উদ্দিন (৩০), মো. সুজন (২৪) আরিফ হোসেন (২৪) ও আবদুল গণি। এর আগে বুধবার রাতে উপজেলা মেঘননদীর চরফলকন লুধুয়া ঘাট থেকে মাছ ধরার সরঞ্জামসহ তাদের আটক করা হয়।

এদিকে আনোয়ার মাঝির বড়ভাই বেলাল জানান, আনোয়ার মাঝির ইঞ্জিন চালিত নৌকা মেঘনা নদীর মাঝেরচর পৌঁছলে বিকল হয়ে পড়ে। পরে নৌকার মাঝি আনোয়ারসহ সাত যাত্রী মহাবিপদে পড়েন। এরা হলেন, আনোয়ার মাঝি, আমির হোসেন, মো. রিপন, আলাউদ্দিন, মো.হাসান, মো. আজগর আলী, কলিম উল্যাহ ও মো.ফারুক। রাত দেড়টার দিকে নৌকাটি ঘাটে আসলে ঘাটের একশ্রেণির লোকের প্রভাবে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অ.দা.) আবদুল কুদ্দুস তাদেরকে অবৈধ মাছ শিকার করেছে বলে নৌকা জব্দ নিয়ে যায়।

স্থানীয় চরফলকন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হাজী হারুনুর রশিদ জানান, মাছধরার নামে আট জেলেকে আটক করার বিষয়টি গ্রহণযোগ্য নয়, প্রকৃতপক্ষে তাদের নৌকা দিনেই নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ঘাটে আসতে দেরী হয়েছে। মানবিক বিবেচনায় তারা দোষী নহে।
বালিয়াকান্দিতে দুই মণ ইলিশ জব্দ ও বিক্রেতার জরিমানা
বালিয়াকান্দি (রাজবাড়ি) উপজেলা সংবাদদাতা

রাজবাড়ির বালিয়াকান্দি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের বেরুলী বাজারে গত বুধবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে দুই মণ ইলিশ জব্দ এবং বিক্রেতাকে আটরে পর মোবাইল কোটের মাধ্যমে জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহ মো. সজীব ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অ.দা.) মো. রবিউল হক বেরুলী বাজার অভিযান চালিয়ে দুই মণ ইলিশ মাছ জব্দ করে এবং বিক্রেতাকে আটক করে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইশরাত জাহান মোবাইল কোটের মাধ্যমে বিক্রেতাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করাসহ জব্দকৃত ইলিশ মাছ এতিমখানা ও হাফিজিয়া মাদরাসায় বিতরণ করা হয়েছে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন