ঢাকা, শুক্রবার , ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৫ রবিউস সানি ১৪৪১ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

আসামিদের কার কী অপরাধ

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৬ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:০১ এএম


বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ রাব্বি (২২) হত্যাকা-ে ২৫ জনের সম্পৃক্ততা পেয়ে ইতোমধ্যে চার্জাশিট দিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ২৫ আসামির সবাই ছাত্রলীগের নেতাকর্মী। অভিযোগপত্রে সবার দায়ও উল্লেখ করা হয়েছে। এই ২৫ জনের মধ্যে আবরারকে মারধর করেছে ১১ জন। আবার এই ১১ জনের কয়েকজনসহ মোট ১৭ জন হত্যাকা-ের আগে শেরেবাংলা হলের ক্যান্টিন ও গেস্টরুমে পৃথক দুটি মিটিংয়ে অংশ নেয়। গত বুধবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন ডিবির পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ওয়াহিদুজ্জামান। সেই অভিযোগপত্রে আসামিদের কে কি অপরাধ করেছেন সেসব উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযুক্তদের বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেন, এজাহারভুক্ত ১৯ জন এবং এর বাইরে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আরও ৬ জনের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। এজাহারভুক্ত ১৯ জনের মধ্যে ১৬ জন এবং এজাহারবহির্ভূত ৬ জনের মধ্যে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া পলাতক রয়েছে ৪ জন। এর মধ্যে ৩ জন এজাহারভুক্ত ও একজন এজাহারবহির্ভূত। ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে ওই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

২৫ আসামির কার কি অপরাধ
মেহেদী হাসান রাসেল ঃ মেহেদী হাসান রাসেলের বাবার নাম মো. রুহুল আমিন মাতুব্বর ও মা মিসেস ঝর্ণা আমিন। তাদের গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের সালথা উপজেলার রাংঙ্গারদিয়া এলাকায়। বুয়েটের কম্পিউটার সাইন্স (সিই) বিভাগের ১৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী তিনি। বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছেÑ ঘটনার আগে ও পরে পুরো বিষয়টি তিনি জানতেন। এমনকি হত্যাকা-ের পর দ্রুত শেরেবাংলা হল থেকে আবরারের লাশ সরিয়ে ফেলার জন্য শিক্ষক ও চিকিৎসককে তিনি চাপ প্রয়োগ করেছেন। ঘটনার আগে ও পরে হত্যাকারীদের সঙ্গে তার কয়েকবার ফোনে এবং সরাসরি কথা হয়েছে। তিনি ঘটনাস্থলেই ছিলেন। তার বিরুদ্ধে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। আট আসামির স্বীকারোক্তিতে তার নাম এসেছে।

মুহতাসিম ফুয়াদঃ মুহতাসিম ফুয়াদের বাবার নাম আবু তাহের ও মা সালমা ইয়াসমিন। তাদের গ্রামের বাড়ি ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার ঘোপাল ইউনিয়নে। বুয়েটের সিই বিভাগের ১৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী তিনি। বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি ছিলেন।

আবরার হত্যার আগে ও পরে মুহতাসিম ফুয়াদ পুরো ঘটনাটি জানতেন। যারা মারধরে অংশ নিয়েছিলেন, তাদের সঙ্গেও তার যোগাযোগ ছিল। আবরারকে কীভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে, শিবিরের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার না করলে কী করতে হবে, এসব বিষয়ে তিনি নির্দেশনা দেন। হত্যাকারীদের সঙ্গে একাধিকবার তার কথা হয়। বুয়েটের হলে শিবিরের কেউ থাকে কিনা এসব বিষয় তিনি জুনিয়রদের খোঁজ খবর নিতে বলতন। জড়িতদের মারধর করার বিষয় তিনি উৎসাহ দিতেন।

মো. অনিক সরকার ওরফে অপুঃ মো. অনিক সরকার ওরফে অপুর বাবার নাম আনোয়ার হোসেন ও মা মোসাম্মৎ শাহিদা বেগম। রাজশাহীর মোহনপুর জেলার বড়উকুড়ি গ্রামে তাদের বাড়ি। অনিক বুয়েটের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। ক্রিকেটের স্ট্যাম্প দিয়ে আবরারকে মারধর করেন অনিক। কয়েক দফায় সবচেয়ে বেশি মারধর করেন তিনি। আবরার অজ্ঞান হয়ে পড়লে তিনি বলেন- ঢং করতেছে।

মো. মেহেদী হাসান রবিন ওরফে শান্তঃ মো. মেহেদী হাসান রবিন ওরফে শান্তর বাবার নাম মো. মাকসুদ আলী সরদার ওরফে মাকসুদ মাস্টার আর মায়ের নাম মোসাম্মৎ রাশিদা খাতুন। গ্রামের বাড়ি রাজশাহীর কাটাখালী থানার কাপাসিয়া গ্রামে। বুয়েটের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন তিনি। আবরার হত্যার আগে প্রথম যে সভাটি হয়, সেই সভার নেতৃত্ব দেন মেহেদী হাসান রবিন। আবরারকে ২০১১ নম্বর কক্ষে নিয়ে যাওয়ার পর রবিনই তাকে প্রথম থাপ্পড় মারেন এবং শিবিরের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে অভিযোগ করেন। এরপর কয়েক দফায় আবরারকে মারধর করেন রবিন। আবরার হত্যাকা-ের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ঘটনাস্থলে ছিলেন তিনি।

ইফতি মোশাররফ সকালঃ ইফতি মোশাররফ সকালের বাবার নাম ফকির মোশাররফ হোসেন। তার গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ী সদরের লক্ষ্মীকোল এলাকায়। বুয়েটের বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৬তম ব্যাচের এবং বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের উপসমাজসেবা সম্পাদক ছিলেন তিনি। আবরারকে যে ১১জন মারধর করে সকাল তাদের মধ্যে একজন। তিনি আবরারকে ক্রিকেটের স্ট্যাম্প দিয়ে মারধর করেন। অভিযোগপত্রে তাকে ৫ নম্বর আসামি করা হয়েছে।

মো. মনিরুজ্জামান মনিরঃ মো. মনিরুজ্জামান মনিরের বাবার নাম মো. মাহাতাব আলী। গ্রামের বাড়ি দিনাপুরের বীরগঞ্জ থানার ভগীরপাড়া এলাকায়। বুয়েটের ওয়াটার রিসোর্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। আবরার হত্যাকা-ের আগে যে মিটিং হয়, সেখানে উপস্থিত ছিলেন মনির। অভিযোগপত্রে তার বিরুদ্ধে মিটিংয়ে অংশ নিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্র এবং আবরারকে মারধরের অভিযোগ আনা হয়েছে।

মেফতাহুল ইসলাম জিয়নঃ মেফতাহুল ইসলাম জিয়নের বাবার নাম মো. শহিদুল ইসলাম ও মা শাহনাজ বেগম। রংপুরের মিঠাপুকুর থানার দূর্গাপুর এলাকায় তার বাড়ি। বুয়েটের নেভাল আর্কিটেকচার মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ও বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের ক্রীড়া সম্পাদক ছিলেন তিনি। জিয়ন আবরারকে দুই দফায় মারধর করেন। আবার হত্যাকা-ের আগে ৪ অক্টোবর যে মিটিং হয়, সেই মিটিংয়েও অংশ নিয়েছিলেন জিয়ন।

মো. মাজেদুর রহমান ওরফে মাজেদঃ মো. মাজেদুর রহমান ওরফে মাজেদের বাবার নাম মৃত কামাল আহমদ ও মা আফিয়া খাতুন। সিলেটের এয়ারপোর্ট থানার হাজারীবাগ শাহী মসজিদ এলাকায় তার বাড়ি। বুয়েটের এমএমই বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। আবরারকে তার রুম থেকে ডেকে ২০১১ নম্বর কক্ষে নিয়ে যান তিনি। মারধর ও জিজ্ঞাসাবাদের সময় সেই রুমেই ছিলেন মাজেদ। এমনকি হত্যার পরও লাশ সরানোর চেষ্টাও করেন তিনি।
মো. মুজাহিদুর রহমান ওরফে মুজাহিদঃ মুজাহিদুর রহমানের বাবার নাম মোস্তাক আহম্মেদ ও মায়ের নাম মোসাম্মৎ রোকসানা বেগম। গ্রামের বাড়ি বগুড়ার সোনাতলায়। বুয়েটের ইইই বিভাগের ১৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। আবরাকে রুম থেকে ডেকে নেওয়া ও মারধরে সম্পৃক্ত ছিলেন মুজাহিদ।

খন্দকার তাবাক্কারুল ইসলাম ওরফে তানভীরঃ খন্দকার তাবাক্কারুল ইসলাম ওরফে তানভীরের বাবার নাম খন্দকার তাফাখ্খারুল ইসলাম ওরফে সোহেল। গ্রামের বাড়ি রংপুর। বুয়েটের এমই বিভাগের ১৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। আবরারকে মারধরে সম্পৃক্ত ছিলেন তানভীর।

হোসেন মোহাম্মদ তোহাঃ হোসেন মোহাম্মদ তোহার বাবার নাম শেখ আবুল হোসেন ও মা শাহিদা বেগম। গ্রামের বাড়ি খুলনার খানজানা আলী এলাকায়। বুয়েটের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তিনি আবরারকে কক্ষ থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়াদের মধ্যে অন্যতম।

মো. আকাশ হোসেনঃ মো. আকাশ হোসেনের বাবার নাম আতিকুল ইসলাম ও মা নাজমা বেগম। গ্রামের বাড়ি জয়পুরহাট। বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। হত্যাকা- সংঘটিত হওয়ার আগের প্রথম সভায় অংশ নেন আকাশ।

মো. শামীম বিল্লাহঃ মো. শামীম বিল্লাহর বাবার নাম আমিনুর রহমান ও মা ছালিমা খাতুন। গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরার শ্যামনগর এলাকায়। বুয়েটের নেভাল আর্কিটেকচার অ্যান্ড মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তিনি আবরারকে তার কক্ষ থেকে ডেকে নেন। মারধর করে আবরারকে রুম থেকে বের করে দেন। পরবর্তীতে মারধর ও হত্যাকা-ের বিষয় গোপন করেন।

মো. সাদাত ওরফে এ এস এম নাজমুস সাদাতঃ নাজমুস সাদাতের বাবার নাম মো. হাফিজুর রহমান। গ্রামের বাড়ি জয়পুরহাট। বুয়েটের এমই বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। আবরারকে তার কক্ষ থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়ায় সম্পৃক্ত ছিলেন।

মো. মোয়াজ ওরফে মোয়াজ আবু হোরায়রাঃ মো. মোয়াজ ওরফে মোয়াজ আবু হোরায়রার বাবার নাম মাসরুর উজ-জামান ও মা শাহীন-ই-জাহান। গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ। বুয়েটের তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। হত্যাকা-ের সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন এবং অচেতন অবস্থায় আবরারকে বের করেন।

মুনতাসির আল জেমিঃ মুনতাসির আল জেমির বাবার নাম আব্দুল মজিদ ও মা জোস্না বেগম। গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনার কেন্দুয়ায়। বুয়েটের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। যে ১১ জন আবরারকে মারধর করেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম জেমি। এছাড়াও হত্যার আগে যে মিটিং হয় সেখানেও উপস্থিত ছিলেন। অচেতন অবস্থায় আবরারকে বের করার সময়ও ছিলেন জেমি।

অমিত সাহাঃ অমিত সাহার বাবার নাম রণজিৎ কুমার সাহা ও মা দেবী রাণী সাহা। গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনা। বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। আবরার হত্যার আগে যে সভা হয় সেখানে ছিলেন অমিত।

ইসতিয়াক আহমেদ মুন্নাঃ ইসতিয়াক আহমেদ মুন্নার বাবার নাম মৃত আব্দুল আহাদ ও মা কুলসুমা বেগম। গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জ। বুয়েটের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। আবরার হত্যার পূর্বে প্রথম মিটিংয়ে অংশ নেন এবং ঘটনার সময় সেখানে ছিলেন।

মো. মিজানুর রহমান ওরফে মিজানঃ মিজানুর রহমান মিজানের বাবার নাম মো. মদুল আলী ও মা চেনুয়ারা বেগম। গ্রামের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ। বুয়েটের পানি সম্পদ বিভাগের ১৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ও আবরারের রুমমেট ছিলেন মিজান। আবরারকে তার শিবির বলে সন্দেহ হয় বলে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রবিনকে জানান তিনি।

এস এম মাহমুদ সেতুঃ এস এম মাহমুদ সেতুর বাবার নাম সৈয়দ আজাহারুল ইসলাম দারা ওরফে শুকুর ও মা নিলুফার ইয়াছমিন। গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়া। বুয়েটের ক্যামিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। পুরো গ্রুপের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন মাহমুদ।

সামছুল আরেফিন রাফাতঃ সামছুল আরেফিন রাফাতের বাবার নাম আব্দুল হামিদ ও মা শওকত আরা নাজনীন। বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলায়। বুয়েটের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। আবরারকে অচেতন অবস্থায় স্থানান্তর করায় সহযোগিতা করেন। মারধরের সময় ২০১১ নম্বরে ছিলেন। তিনি তথ্য গোপন করেছেন।

মুহাম্মদ মোর্শেদ-উজ-জামান ম-ল ওরফে জিসানঃ মুহাম্মদ মোর্শেদ-উজ-জামান ম-ল ওরফে জিসানের বাবার নাম ডা. মো. আব্দুল জলিল ম-ল। গ্রামের বাড়ি রংপুর। বুয়েটের ইই বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। ২০১১ নম্বর কক্ষে হত্যাকা-ের সময় উপস্থিত ছিলেন এবং হত্যাকারীদের সঙ্গে ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিলেন।

এহতেশামুল রাব্বি ওরফে তানিমঃ এহতেশামুল রাব্বি ওরফে তানিমের বাবার নাম আবু মো. কাউছার ওরফে পিন্টু ও মা সারাবান তহুরা। গ্রামের বাড়ি নীলফামারী। বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। আবরারকে কক্ষ থেকে ডেকে নেওয়ার মধ্যে তিনিও একজন।

মুজতবা রাফিদঃ মুজতবা রাফিদের বাবার নাম ছায়েদুল হক ও মা লায়লা হাসিনা ভানু। গ্রামের বাড়ি দিনাজপুর। বুয়েটের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। হত্যাকা-ের আগের মিটিংয়ে তিনি উপস্থিত ছিলেন।

মো.মোর্শেদ ওরফে মোর্শেদ অমর্ত্য ইসলামঃ মো. মোর্শেদ ওরফে মোর্শেদ অমর্ত্য ইসলামের বাবার নাম মো. রবিউল ইসলাম ও মা মোর্শেদা জাহান। গ্রামের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ। বুয়েটের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। হত্যাকা-ের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন মোর্শেদ।

 

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (10)
নাসিম ১৫ নভেম্বর, ২০১৯, ১:২৪ এএম says : 0
মনে হয় অভিযোগপত্র পযর্ন্তই থাকবে
Total Reply(0)
Mahmud Hussain ১৫ নভেম্বর, ২০১৯, ১:২৫ এএম says : 0
২৫ জনের মধ্যে চারজন পলাতক। কেন এতদিনেও এই চারজনকে পুলিশ আটক করতে পারলো না-? এটা কি তাদের ব্যার্থতা নয়? এজাহারভুক্ত আসামী জিসান, তানিন ও মোর্শেদ পলাতক। এজাহারের বাইরে অপর আসামি রাফি কি নিরুদ্দেশ? তাদের ধরার ব্যাপারে কতটা আন্তরিক পুলিশ? তাদের পরিবারের লোকজন কি সহায়তা করছে? কি ব্যাবস্থার নিয়ম আছে এদের আত্মসমর্পণে বাধ্য করার?
Total Reply(0)
M. A. Zinnah ১৫ নভেম্বর, ২০১৯, ১:২৫ এএম says : 0
এসব হত্যাকারীদের যারা মদদ দিত তাদেরও বিচার হওয়া উচিত।
Total Reply(0)
M. A. Zinnah ১৫ নভেম্বর, ২০১৯, ১:২৫ এএম says : 0
এসব হত্যাকারীদের যারা মদদ দিত তাদেরও বিচার হওয়া উচিত।
Total Reply(0)
Kamrul hassan ১৫ নভেম্বর, ২০১৯, ১:২৫ এএম says : 0
চার্জশিটভুক্ত সকল আসামীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি, বুয়েটের শিক্ষার্থীরা আবার ক্লাস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে স্বাভাবিক পরিবেশে ফিরে আসুক।
Total Reply(0)
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ১৫ নভেম্বর, ২০১৯, ১:২৬ এএম says : 0
একজনের সঠিক বিচার হবে বলে মনে হয় না। অভিযোগ পত্রের শব্দ- টার্ম গুলো খেয়াল করুন। 'আবরার বিতর্কিত রাজনীতির সাথে জড়িত কিনা, (বিতর্কিত রাজনীতির সাথে জড়িত হলে মারা যাবে) আবারার কে মেঝেতে বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ আর কে কে বিতর্কিত রাজনীতির সাথে জড়িত, (মানে আবরার স্বীকার করে নিয়েছে সে বিতর্কিত রাজনীতির সাথে জড়িত?) হঠাত ক্ষিপ্ত হয়ে মারা, (মানে মেরে ফেলার ইচ্ছা ছিল না, দূর্ঘটনা বশত মারা যায়) মূমুর্ষ আবরার পড়ে থাকে (ফেলে রাখে নয়)। হলের ডাক্তার আবরার কে মৃত ঘোষনা করে ( যে কন কারণে মারা যেতে পারে)। এই অভিযোগ পত্রে ভারতের সাথে করা চুক্তির বিরোধিতা করে আবরারের ফেসবুক স্টাটাসের কথা উল্লেখ করা হয় নাই। খুনীদের মধ্যকার ফেবু ম্যাসেঞ্জারে বিনিময় হওয়া মেসেজের ও উল্লেখ নাই। যাতে প্রমানিত হত এটা একটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড না হলেও চলমান পরিকল্পিত সন্ত্রাস। চার্যশীটে অনুক্ত অথচ প্রবল ভাবে আবরার কে বিতর্কিত রাজনীতির সদস্য বলে সন্দেহের তালিকায় রেখে আবরার কে আরেকবার হত্যা করেছে তদক্তকারী সরকারী লোকেরা। আবরার ও তার পরিবার বিচার পাবার সম্ভাবনা দেখছি না।
Total Reply(0)
Sohel S.parvez ১৫ নভেম্বর, ২০১৯, ১:২৭ এএম says : 0
আবরারের মৃত্যু শোক কমে আসছে।সময়ের সাথে সাথে ফিকে হয়ে যাবে।বছর বছর মিলাদ ছাড়া আর তেমন কিছুই হবে না!কিন্তু এই অভিযুক্তরা?তাদের লান্নত তো কেবল শুরু!এতগুলো ছেলে প্রায় ইঞ্জিনিয়ার !ইশ্ শুধু আফসোস করবে আজীবন প্রত্যেকের পরিবার।
Total Reply(0)
রাহাত ১৫ নভেম্বর, ২০১৯, ১:২৭ এএম says : 0
আশা করি উচ্চতর আদালত খুব দ্রুত এই সব অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করবে। সমাজে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য এই সব অপরাধীদের কঠোর শাস্তি এখন খুব জরুরি হয়ে গেছে।
Total Reply(0)
Md Sahid Hossain ১৫ নভেম্বর, ২০১৯, ১:২৭ এএম says : 0
Hopefully we get trial and capital punishment
Total Reply(0)
Nannu chowhan ১৫ নভেম্বর, ২০১৯, ৭:৪৬ এএম says : 0
Ja shonesi jenesi omit shah holo Abrarer hottar mul planner kintu eaikhane tar oporadhke khouboi halka kore dekhano hoyese jate omit par paia jai ihate bojhte hobe je,
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন