ঢাকা, মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২০, ২০ শ্রাবণ ১৪২৭, ১৩ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী

অভ্যন্তরীণ

বিএডিসি’র অনিয়মে ফুলবাড়িয়ায় জমি অনাবাদি : কৃষকের মাথায় হাত

শহিদুল ইসলাম, ফুলবাড়িয়া (ময়মনসিংহ) থেকে | প্রকাশের সময় : ২৫ মার্চ, ২০২০, ১২:১০ এএম

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) অফিসে গভীর ও অগভীর নলক‚পে নতুন লাইসেন্স দেয়া ও লাইসেন্স নবায়নে নানা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা যায়, অফিস সহকারী আব্দুল হাই-এর সন্তুষ্টির ওপরই লাইসেন্স পাওয়া নির্ভর করে। বিএডিসি-এর গাফিলতিতে উপজেলার চৌদার এলাকাসহ বেশ কিছু এলাকার ৫০ একর কৃষি জমি অনাবাদী রয়ে গেছে। বোরো শষ্য আবাদ থেকে বঞ্চিত শতাধিক প্রান্তিক কৃষক হতাশায় প্রহর গুনছেন।
লাইসেন্স প্রদানের বিধি অনুসরণ না করে একাধিক অগভীর নলক‚পের লাইসেন্স নবায়ন করায় কোন কোন এলাকায় বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছে বলে এমন অভিযোগ রয়েছে।
ভাড়ায় চালিত ১নং গভীর নলক‚প ম্যানেজার আমজাদ হোসেন অভিযোগ করেন, বিএডিসি অর্থনৈতিকভাবে অগভীর নলক‚পে লাইসেন্স দিয়ে আমার স্কীমের ভেতরে সেচকার্য চালানোর ফলে আমি প্রতিবছর প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি। ৪৭৩নং গভীর নলক‚প ম্যানেজার হাবিবুর রহমান বলেন, বিএডিসি অফিস সহকারী আব্দুল হাই প্রতিপক্ষের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে আমাকে ম্যানেজার পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে।
বালিয়ান ইউনিয়নের ছাইতানতলা গ্রামের নজরুল ইসলাম বলেন, অগভীর নলক‚পের লাইসেন্স দেয়ার কথা বলে বিভিন্ন কৌশলে আমার কাছ থেকে ৭ হাজার টাকা নিয়েছেন এবং তার চাহিদা মত টাকা না দিতে পারায় আমি লাইসেন্স পাইনি।
ভবানীপুর ১নং ওয়ার্ডের বিল্লাল হোসেন বলেন, গভীর নলক‚পের জন্য বিএডিসি থেকে লাইসেন্স নিতে আমাকে অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয়েছে।
অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের বিষয়ে বিএডিসি অফিস সহকারী আব্দুল হাই-এর কাছে জানতে চাইলে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, যা শুনেছেন তা কিছু সত্য কিছু মিথ্যা।
এ ব্যাপারে বিএডিসি উপজেলা প্রকৌশলী আসিফ মাহমুদ বলেন, আমার কাছে দু’চারজন অনিয়মের কথা বলেছে, আমি তাদেরকে লিখিত অভিযোগ করার কথা বলেছি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল ছিদ্দিক বলেন, বিশৃঙ্খলা এড়াতে আমি এ বছর কিছু সংখ্যক লাইসেন্স দিয়েছি। আর অনিয়ম থেকে বের করে নিয়ে আসার সার্বিক চেষ্টা অব্যাহত আছে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন