ঢাকা, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২০, ১৯ আষাঢ় ১৪২৭, ১১ যিলক্বদ ১৪৪১ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ১২ দিনের কর্মসূচি

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৯ মে, ২০২০, ১:২১ এএম

আগামীকাল ৩০ মে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৩৯তম শাহাদাতবার্ষিকী। অন্যান্য বছর বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শাহাদাতবার্ষিকী পালন করা হলেও এবার কোনো সমাবেশ বা বড় পরিসরে অনুষ্ঠান থাকছে না। তবে দিবসটি উপলক্ষে ১২ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি। এসব কর্মসূচির মধ্যে- ৩০ মে ভোর ৬টায় দলের নয়াপল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন। ওইদিন সকাল ১১টায় দলের মহাসচিবসহ জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ শহীদ জিয়াউর রহমানের মাজারে পুস্পার্ঘ অর্পণ, মাজার জিয়ারত ও দোয়া-মোনাজাত করবেন। বিকেল সাড়ে ৩মিনিটে ভার্চুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ১০জুন পর্যন্ত প্রতিদিন গণমাধ্যম ও সামাজিক গণমাধ্যমে বিষয়ভিত্তিক ভার্চুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। আলোচ্য বিষয়গুলো হচ্ছে- ১.স্বাধীনতা যুদ্ধ ও শহীদ জিয়া, ২. গণতন্ত্র, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ ও বিএনপি, ৩. শহীদ জিয়া, উৎপাদন ও উন্নয়নের রাজনীতি, ৪.স্বনির্ভর বাংলাদেশ ও অর্থনৈতিক সংস্কার, ৫. শহীদ জিয়া ও কৃষি বিপ্লব, ৬. নারীর ক্ষমতায়ন ও শিশু কল্যাণ, ৭. কর্মসংস্থান ও শ্রমিক কল্যাণ, ৮. শিক্ষা ও গণশিক্ষা, ৯. পল্লী বিদ্যুৎ ও খনিজ সম্পদ উন্নয়ন, ১০. শহীদ জিয়ার বিদেশ নীতি, ১২. শহীদ জিয়ার যুব উন্নয়ন।

প্রতিবছর জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে সারাদেশে আলোচনা সভা ও ঢাকায় রান্না করা খাবার বিতরণ করা হতো। এবার ৩০ মে সমাবেশ না করে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আহবান জানানো হয়েছে। এর মধ্যে থাকবে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ, বস্ত্র বিতরণ ও আর্থিক সহযোগিতা।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভার্চুয়াল আলোচনা হবে। যেখানে দেশের বরেণ্য ব্যক্তি ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির কয়েকজন সদস্য বক্তব্য রাখবেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে শহীদ জিয়ার অবদান শীর্ষক মোট ১২টি টপিকস নিয়ে ১০ জুন পর্যন্ত আলোচনা অব্যাহত থাকবে। তাছাড়া প্রতিবছর ঢাকা মহানগরীর থানায় থানায় বিএনপির নেতাকর্মীরা রান্না করা খাবার বিতরণ করতেন। তবে এবার তৈরি খাবার নয় খাদ্যের উপাদান, কাপড় বা নগদ অর্থ সহায়তা করতে পারবেন। কোনোমতেই কোনো জমায়েত বা সমাবেশ করা যাবে না।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, করোনা মোকাবেলায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যে নির্দেশনা দিয়েছেন সেটা আমাদের মেনে চলতে হবে। ইতোমধ্যে করোনাভাইরাসে বাংলাদেশী যারা মারা গেছেন তাদেরসহ অন্য সবার রূহের মাগফিরাত কামনা করছি। সেইসাথে আক্রান্তদের আশু সুস্থতা কামনা করছি।
মির্জা ফখরুল বলেন, শহীদ জিয়া বাঙালি জাতিকে একটি বাংলাদেশী জাতি হিসেবে পরিচিতি দিয়েছেন। তিনি অল্প সময়ের মধ্যে দেশবাসীর হৃদয়ে অবস্থান করে নিয়েছেন। তার হাত ধরেই বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্প প্রতিষ্ঠিত ও সমৃদ্ধশালী হয়েছে। বাংলাদেশের এমন কোনো খাত নেই যেখানে শহীদ জিয়ার হাতের স্পর্শ নেই। তিনি সবক্ষেত্রে উন্নতি সাধন করতে পেরেছিলেন। আমরা তার রূহের মাগফিরাত কামনা করছি। ####

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন