ঢাকা মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ০৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ০৮ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী

সারা বাংলার খবর

টেকনাফে বিজিবির চেকপোস্টে ধরা পড়ল পুলিশ কনস্টেবলের স্ত্রীর ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা

কক্সবাজার ব্যুরো | প্রকাশের সময় : ৯ আগস্ট, ২০২০, ৭:১১ পিএম

টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের ‘অবৈধ টাকা’ পাচার শুরু হয়েছে। শনিবার বিজিবি নিয়মিত তল্লাশির সময় বিকেল সাড়ে ৫টা সময় বাহারছড়া শিলখালী বিজিবির চেকপোষ্টে ধরা পরলো প্রায় দুই লাখ টাকা।

একটি মাইক্রোকে সন্দেহ হলে ওই চেক পোষ্টে থামানো হয়। পরে তল্লাশির মাধ্যমে ওই মাইক্রোতে থাকা লাগেজের মধ্যে ১ লাখ ৯০ হাজার টাকার মতো টাকা পাওয়া যায়।

ওই টাকার মালিকানা দাবি করেছেন টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের কনস্টেবল রুবেল শর্মার স্ত্রী লক্ষ্মী শর্মা। পরে ওই টাকার কোন ডকুমেন্ট বিজিবির কাছে তারা দেখাতে পারেননি।

এ বিষয়টি সংবাদকর্মীরা জানার পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছেন, একজন কনস্টেবলের স্ত্রীর কাছে এত টাকা যদি হয় তাহলে অফিসারদের স্ত্রীর কাছে কত টাকা থাকতে পারে, এমন প্রশ্ন উঠেছে। এটি একটি স্বল্প টাকা হলেও তাহলে বড় বড় টাকা পাচার কোথায় কিভাবে করেছেন তা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী খতিয়ে দেখছে।

গত ৩১ জুলাই পুলিশের গুলিতে নিহত হন সাবেক মেজর সিনহা মো. রাশেদ হত্যাকাণ্ডে জড়িত টেকনাফ মডেল থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ৭ জন পুলিশ বরখাস্ত এবং র‍্যাব হেফাজতে রয়েছেন।

এ ধারাবাহিকতায় প্রদীপ কুমার দাশের যে গ্রুপটি রয়েছেন তাদের টেকনাফ থেকে কয়েকজনকে বদলি করা হয়েছে। এই মামলায় এখন র‌্যাবের কাছে তদন্তাধীন রয়েছে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (4)
Islam Shamim ১০ আগস্ট, ২০২০, ২:৪৭ পিএম says : 0
দেশে কি চোর - ডাকাত এ ভরে গেলো।
Total Reply(0)
Mohammed Shah Alam Khan ১২ আগস্ট, ২০২০, ১১:১৪ পিএম says : 0
যতটাকাই হউক আমরা যাতায়তের সময় সেই টাকা মহিলা হলে ভ্যানিটিব্যাগে আর পুরুষ হলে মানিব্যাগ বা পকেটে রাখি। যদি প্রচুর টাকা হয় তাহলে পুরুষরা ঘারে একটি ছোট ব্যাগ বা স্কুলের ব্যাগে টাকা নিয়ে যাতায়ত করে থাকি। লাগেজে প্রচুর টাক নিলে সেটা হারিয়ে যাবার ভয় থাকে। তাছাড়া সচরাচর আমরা কখনও নগদ প্রচুর টাক নিয়ে চলাফেরা করিনা। কাজেই এখানে তল্লাশিতে লাগেজে টাকা পাওয়াটা অবশ্যই সন্দেহের বিষয়। তাছাড়া একজন পুলিশের কনস্টেবলের স্ত্রীর নিকট এতটাকা পাওয়া সেটা আশ্চার্যের বিষয়। টাকার পরিমাণেই বুঝা যায় এটা অবৈধ পথে উপার্জিত টাকা। এখন এর কি বিচার হয় সেটাই দেখার বিষয়। তবে ইতিপূর্বে এধরনের অনেক খবর পত্রিকায় পড়েছি কিন্তু শেষ পর্যন্ত কি হয়েছে সেটা আর পত্রিকায় আসেনি। কাজেই এধরনের অপরাধের আদোও বিচার হচ্ছে কিনা এটা আমরা জানতে পারিনা। আল্লাহ্‌ আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রীকে এসব নজরে এনে এই অপরাধের সঠিক বিচার করার যোগ্যতা দান করুন। আমিন
Total Reply(0)
মোঃসাইফুল ইসলাম ১৩ আগস্ট, ২০২০, ১১:০৬ পিএম says : 0
থানার একজন কনষ্টেবল এর বেতন ৩০,০০০/৩৫,০০০ হাজার টাকা।তার বউয়ের নিকট ১,৯০,০০০ টাকা বেশি কিছু না।উদ্দেশ্য হয়রানি করা।
Total Reply(0)
মোঃসাইফুল ইসলাম ১৩ আগস্ট, ২০২০, ১১:০৬ পিএম says : 0
থানার একজন কনষ্টেবল এর বেতন ৩০,০০০/৩৫,০০০ হাজার টাকা।তার বউয়ের নিকট ১,৯০,০০০ টাকা বেশি কিছু না।উদ্দেশ্য হয়রানি করা।
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন