ঢাকা শনিবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২১, ০২ মাঘ ১৪২৭, ০২ জামাদিউল সানী ১৪৪২ হিজরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

জার্মানির কড়া সমালোচনায় তুরস্ক : লিবিয়াগামী জাহাজে তল্লাশি

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৪ নভেম্বর, ২০২০, ১০:৩৭ এএম

একটি জাহাজে তল্লাসির ঘটনায় জার্মানির কড়া সমালোচনা করলো তুরস্ক। এ নিয়ে শুরু হয়েছে কূটনৈতিক চাপানউতোর।

লিবিয়াগামী তুরস্কের একটি পণ্যবাহী জাহাজে তল্লাশি করলো জার্মানি। সেই জাহাজে অস্ত্র আছে কি না, সেটাই খুঁজে দেখেছে তারা। জাতিসংঘ লিবিয়ায় অস্ত্র পাঠানো নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। অস্ত্র যাতে না পাঠানো হয়, সে জন্য চালু আছে ইইউ-র ইরিনি মিশন। জার্মানির দাবি, তাই তারা জাহাজে অস্ত্রের খোঁজ করেছে।

তুরস্কের পররষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ''জার্মানি যা করেছে, তা পুরোপুরি বেআইনি। এভাবে তল্লাশি চালানোর কোনো অধিকার তাদের নেই। জোর করে তারা এই তল্লাশি চালিয়েছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ করছি।'' আঙ্কারায় জার্মানি, ইইউ ও ইটালির রাষ্ট্রদূতকে ডেকে এই 'বেআইনি কাজের' নিন্দা করেছে তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

জার্মানির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তুরস্কের জাহাজের নাম হলো রোসালিন এ। জার্মান হেলিকপ্টার থেকে জাহাজে তল্লাশির বার্তা পাঠানো হয়। জাহাজ থেকে কোনো জবাব আসেনি। তারপর হেলিকপ্টার থেকে নেমে তল্লাশি চালানো হয়। তবে রোমের ইরিনি মিশন কম্যান্ড থেকে এই তল্লাশির নির্দেশ দেয়া হয়। তুরস্ক অবশ্য বার্তা পাঠায়, তারা তল্লাশির অনুমতি দিচ্ছে না। তখন তল্লাশি থামিয়ে দেয়া হয়। যেটুকু তল্লাশি অভিযান চলেছে, তাতে কোনো অস্ত্রের সন্ধান মেলেনি। তল্লাশিতে জাহাজের নাবিকরাও সহযোগিতা করেছেন।

লিবিয়ায় ২০১১ সালে গদ্দাফির শাসনের অবসানের পরেই জাতিসংঘ অস্ত্র পাঠানোর ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। লিবিয়ায় এখন জাতিসংঘের স্বীকৃত ত্রিপোলি সরকারের সেনার সঙ্গে খালিফা হাফতারের বাহিনীর লড়াই চলছে। হাফতারকে সমর্থন করে রাশিয়া, মিশর, জর্ডন ও আমিরাত। তুরস্ক আছে ত্রিপোলি সরকারের পক্ষে। তারা আগে সেনা ও অস্ত্র পাঠিয়েছে। এমনকী জার্মানি ইরিনি মিশনে যোগ দেয়ায় তুরস্কের অভিযোগ ছিল, তারা একেবারেই নিরপেক্ষ নয়। ডয়চে ভেলে

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (8)
Md Nur Nobi ২৪ নভেম্বর, ২০২০, ২:৪৪ পিএম says : 0
জার্মান ভুলে গেছে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাস, তুরস্ক য়দি ঐসময় তাদের সাথে য়োগ না দিত হয়তো তুর্কী সাম্রাজ্য এখোনো থাকতো।
Total Reply(0)
Bidhan Chandra Sanyal ২৪ নভেম্বর, ২০২০, ২:৪৫ পিএম says : 0
দুঃখজনক ঘটনা এমন ঘটনা না ঘটায় ভালো
Total Reply(0)
মানারাত ২৪ নভেম্বর, ২০২০, ২:৪৫ পিএম says : 0
জার্মানির এটা বাড়াবাড়ি।
Total Reply(0)
MD ASADUZZAMAN ASAD ২৪ নভেম্বর, ২০২০, ৭:৪৪ পিএম says : 0
এটা মোটেও ঠিক করেনি জার্মানী।সমঝোতার মাধ্যমে সকল কাজ করা উচিৎ
Total Reply(0)
হিটলার ২৪ নভেম্বর, ২০২০, ৭:৫৫ পিএম says : 0
Good
Total Reply(0)
Jack Ali ২৬ নভেম্বর, ২০২০, ১২:৩০ পিএম says : 0
May Allah punish the Barbarian German. Ameen
Total Reply(0)
Sagotam ২৬ নভেম্বর, ২০২০, ১২:৫৯ পিএম says : 0
জার্মানি যা করেছে, তা পুরোপুরি বেআইনি
Total Reply(0)
Engr khalid syful ২৮ নভেম্বর, ২০২০, ৮:৪১ পিএম says : 0
জার্মানি এখানে বাড়াবাড়ি করছে,,
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন