বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ২৬ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার জন্যই সাম্প্রদায়িকতার বিস্তার ঘটছে

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২২ অক্টোবর, ২০২১, ১২:০৪ এএম

রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার জন্যই দেশে সাম্প্রদায়িকতার বিস্তার ঘটছে বলে মনে করেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, সাম্প্রদায়িকতার রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা বন্ধ করতে হবে।

টিআইবির পরিচালক (আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন) শেখ মনজুর-ই-আলম-এর সঞ্চালনায় গতকাল ‘সরকারি সেবায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অভিগম্যতা : জবাবদিহি ব্যবস্থার বিশ্লেষণ’ ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির প্রধান বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর আঘাত এসেছে। এর আগেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে এবং সবই ঘটছে একই কায়দায়। দেশের সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছে। আর আগের সহিংস ঘটনাগুলোর বিচার হয়নি। ন্যায়বিচার হলে এসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতো না।
গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রান্তিক পরিচয়ের কারণে অনেকেই তাদের ওপর নিগ্রহের বিষয়ে অভিযোগ করতে পারেন না। যেমন, দলিত জনগোষ্ঠীর শতভাগ নারী বেসরকারি হাসপাতালে সন্তান জন্মদান করেন। নিগ্রহের ফলেই তারা খরচ অনেক বেশি হলেও বেসরকারি সেবা নেন।

সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, নির্বাহী ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সুমাইয়া খায়ের, পরিচালক (গবেষণা ও পলিসি) মোহাম্মদ রফিকুল হাসান ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।
গবেষণাপত্রে বলা হয়, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী সস্পর্কে সুনির্দিষ্ট উপাত্তের অনুপস্থিতি তাদের প্রতি উদাসীনতা ও অবজ্ঞার বহিঃপ্রকাশ এবং তাদের মূলধারায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে একটি বড় বাধা। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে সরকারি সেবা ও জবাবদিহি ব্যবস্থা সর্ম্পকে প্রচারে ঘাটতি বিদ্যমান। আবার আইনি সীমাবদ্ধতা বা আইনের অনুপস্থিতি, আইনের যথাযথ প্রয়োগে ব্যর্থতার কারণে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী সেবায় অভিগম্যতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়ে থাকে। বিষয় হলো বিভিন্ন সেবা প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান জবাবদিহি কাঠামো অনেক ক্ষেত্রে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক নয়। কারণ এক্ষেত্রে তাদের ভাষাগত দক্ষতা, আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সামর্থ্য ইত্যাদি সীমাবদ্ধতা

বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। আরেকটি বিষয় হলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের নেতিবাচক মানসিকতা ও চর্চা, অভিযোগ দাখিলে প্রত্যাশিত ফলাফল না পাওয়া বরং বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সম্মুখীন হওয়ার কারণে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী জবাবদিহি কাঠামো ব্যবহারে নিরুৎসাহিত হন। সর্বোপরি, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মৌলিক সেবা নিশ্চিতে জবাবদিহি ব্যবস্থা শক্তিশালী করা না হলে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টের ‘কাউকে পেছনে না রাখা’ লক্ষ্য অর্জন করা কঠিন হবে। এজন্য টিআইবি ১০টি সুপারিশ তুলে ধরে।

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (1)
shanto ২২ অক্টোবর, ২০২১, ৯:২৪ এএম says : 0
বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম সবচেয়ে অপরাধ প্রবণ, অভিশপ্ত, দুর্নীতিগ্রস্থ দেশ। এই দেশে বেশিরভাগ রাজনৈতিক নেতা, সরকারী ব্যক্তি, ব্যবসায়ী সহ বিভিন্ন ধরনের ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন স্তরে দুর্নীতিগ্রস্থ হয়ে পড়েছেন। এ সকল দুর্নীতিবাজ ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান তাদের লোভ, স্বার্থ, শয়তানি ক্ষমতা,অবৈধ / অসৎ অর্থ / ঘুষ এর জন্য অধিক লোকের যে কোন ধরনের ক্ষতি করতে কোন কৃপণতা করে না। কারণ মিথ্যুক/ চোর/ বাটপার/ ভন্ড / অমানুষ না শুনে ধর্ম / নীতি / মানবতার কাহিনী ! ঘুষখোর - ( গু ) খোর ঘুষ - ( গু ) এর জন্য আসক্ত ! এরা গু খাওয়ার উৎসাহ ও শক্তি পায় পরিবার, সমাজ, দেশের মূর্খ, ভন্ড, লোভী অমানুষদের উৎসাহ, সমর্থন, সম্মান এর দ্বারা। এ সব ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান ক্ষতিকারক বিষাক্তের মতো। এবং এ সব ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এ দেশে নানা ধরনের ক্ষতিকারক সামাজিক ও অর্থনৈতিক রোগ তৈরি করছে এবং ছড়াচ্ছে। এই দেশের বড় বড় মিথ্যুক ভন্ড প্রতারক মানুষের রূপ ধারী অমানুষরা যারা সমাজ এবং দেশের উচ্চপদ দখল করে আছে, এরা অসংখ্য নাটক তৈরি করে মশা আকৃতির অপরাধীর অপরাধের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরার জন্য এবং মশাকে মারার জন্য, অথচ ওইসব বড় বড় মিথ্যুক ভন্ড প্রতারক মানুষের রূপ ধারী অমানুষরা বিষাক্ত সাপের মত, যারা সমাজের এবং দেশের লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি মানুষদেরকে বিভিন্ন ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করে যাচ্ছে তাদের বিষাক্ত ছোবল এবং বিষের মাধ্যমে। এই সকল বিষাক্ত সাপকে যারা নির্মূল করবে তারাই এদের রক্ষাকারী হিসেবে কাজ করে। বাজেটের অধিকাংশই টাকা মিথ্যুক ভন্ড প্রতারক অমানুষ ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন ভাবে লুট করে নিয়ে যাবে আর সাধারন জনসাধারণ না খেয়ে যন্ত্রণায় জীবন অতিবাহিত করবে। ততদিন পর্যন্ত যতদিন পর্যন্ত না সর্বশক্তিমান আল্লাহ এই সকল মিথ্যুক ভন্ড প্রতারক অমানুষদের কে ধ্বংস না করে দেন। সুতরাং এই ধরণের ঘটনা এদেশে প্রচলিত সাধারণ ঘটনা।
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন