বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট ২০২২, ২৭ শ্রাবণ ১৪২৯, ১২ মুহাররম ১৪৪৪

সারা বাংলার খবর

শ্রীবরদীতে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ: তিনজন গ্রেপ্তার

শেরপুর জেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১ ডিসেম্বর, ২০২১, ১২:৪৪ পিএম

শেরপুরের শ্রীবরদীতে এক গৃহবধূকে (২০) গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন উপজেলার লঙ্গরপাড়া গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে মো. কামরুজ্জামান (২৩) ও দুদু মিয়ার ছেলে শফিকুল ইসলাম (২৭) এবং জামালপুরের দেউরপাড়া গ্রামের আব্দুল সেকের ছেলে আয়নাল হক (৫০)। আয়নাল হক উপজেলার লঙ্গরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নৈশ প্রহরী।

এ ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ নিজেই বাদী হয়ে গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে শ্রীবরদী থানায় মামলা করেছেন। পরে শ্রীবরদী থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে তঁাদের গ্রেপ্তার করেন। গত সোমবার (২৯ নভেম্বর) রাতে উপজেলার লঙ্গরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের চারতলা ভবনে ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে ওই গৃহবধূ উপজেলার উত্তর খড়িয়া গ্রামের বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। কিছুদিন আগে গ্রেপ্তার কামরুজ্জামান গৃহবধূর কাছ থেকে ১ হাজার টাকা ধার নিয়েছিলেন। গত সোমবার দুপুরে ওই গৃহবধূ কামরুজ্জামানের কাছে তঁার পাওনা টাকা চান। এরপর সোমবার সন্ধ্যায় টাকা দেওয়ার কথা বলে কামরুজ্জামান ও তঁার সহযোগী শফিকুল ইসলাম গৃহবধূকে লঙ্গরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে গেলে নৈশ প্রহরী আয়নাল হক বিদ্যালয়ের প্রধান ফটক খুলে দেন এবং ওই দুই যুবকের পরামর্শ অনুযায়ী গৃহবধূকে বিদ্যালয়ের চারতলা ভবনের একটি কক্ষে নিয়ে আটকে রাখেন। পরে সোমবার রাত দশটার দিকে কামরুজ্জামান, শফিকুল ও নৈশ প্রহরী আয়নাল জোরপূর্বক ওই গৃহবধূকে গণধর্ষণ করেন।

এক পর্যায়ে তঁারা ধর্ষণের শিকার গৃহবধূকে বিদ্যালয় থেকে বের করে দেন এবং এ ঘটনার কথা কাউকে না বলার জন্য হুমকি দেন। পরে ভুক্তভোগী তঁার বাবার বাড়িতে চলে আসেন এবং অভিভাবকদের কাছে ধর্ষণের ঘটনাটি জানান।

শ্রীবরদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবুল হাশিম বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ নিজেই বাদী হয়ে গ্রেপ্তার তিনজনের নামোল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো এক-দুইজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে শ্রীবরদী থানায় মামলা করেছেন। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে ধর্ষণ ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। ডাক্তারী পরীক্ষা করার জন্য ভুক্তভোগী গৃহবধূকে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন