বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২, ০৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ১৭ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

ঢাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু রিমান্ড শেষে কারাগারে স্বামী

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৬ ডিসেম্বর, ২০২১, ১২:১০ এএম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃত্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী এলমা চৌধুরী মেঘলা হত্যা মামলায় স্বামী ইফতেখার আবেদীনকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল শনিবার তিন দফায় মোট সাত দিনের রিমান্ড শেষে ইফতেখারকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হলে শুনানি শেষে বিচারক আতিকুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

আদালতে বনানী থানার এসআই সালাউদ্দিন মোল্লা মামলার তদন্ত কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ইফতেখারকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। এসময় আসামি পক্ষের আইনজীবী জিল্লুর রহমান তার জামিন আবেদন করে বলেন, তিন দফায় আসামিকে সম্পূর্ণ সন্দেহের বশে একাধারে সাত দিন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। কিন্তু আসামির কোনো দোষ খুঁজে পাওয়া যায় নাই। আসামিকে যে কোনো শর্তে জামিন দিলে তিনি পলাতক হবেন না। যে কোনো ধরনের জামিনদারের জিম্মায় তার জামিনের প্রার্থনা করছি। আসামি পলাতক হবেন না, বরং ট্রায়াল ফেস করবেন। তাই সম্ভাব্য যে কোনো শর্তে তার জামিন চাই।

বাদী পক্ষের আইনজীবী আকবর হোসেন বিরোধিতা করে বলেন, আসামির পিতা সাবেক সেনা অফিসার, আসামির জামিন হলে তদন্ত ব্যহত হবে। তাই মামলার বিচার কাজ শেষ না হওয়া অবধি তাকে কারাগারে আটক রাখা হোক।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক ইফতেখারকে কারাগারে আটক রাখার আদেশ দেন বলে জানান সংশ্লিষ্ট থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা এসআই আলমগীর হোসেন।

বনানী থানার এ মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গত ২২ ও ১৯ ডিসেম্বর দুই দিন করে এবং ১৫ ডিসেম্বর ইফতেখারকে তিন দিনের জন্য রিমান্ডে পেয়েছিল পুলিশ। ঢাকার বনানীতে স্বামীর বাসায় গত ১৪ ডিসেম্বর বিকেলে ঢাকা বিশ্বববিদ্যালয়ের নৃত্যকলা বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী এলমা চৌধুরী মেঘলার মৃত্যু হয়। এর কদিন আগেই কানাডাপ্রবাসী স্বামী ইফতেখার আবেদীন দেশে ফেরেন।

স্বজন ও তার সহপাঠীরা এলমার শরীরে আঘাতের অনেক চিহ্ন দেখা গেছে বলে দাবি করেন। তবে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির মানুষের দাবি তিনি আত্মহত্যা করেছেন। এলমার মৃত্যুর ঘটনায় ওইদিন রাতেই তার স্বামী ইফতেখারকে আটক করে বনানী থানা পুলিশ। একই দিন মেঘলার বাবা সাইফুল ইসলাম চৌধুরী বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। বনানী থানায় করা ওই মামলায় মেঘলার স্বামী ইফতেখার আবেদীন, শ্বশুর অবসর প্রাপ্ত লে. কর্নেল মো. আমিন ও শ্বাশুড়ি শিরিন আমিনকে আসামি করা হয়।

 

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন