বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ০৫ বৈশাখ ১৪৩১, ০৮ শাওয়াল ১৪৪৫ হিজরী

প্রবাস জীবন

ইরাকে ৬০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী নিরাপদে আছে

দূতাবাসের সর্তকতা জারি

শামসুল ইসলাম | প্রকাশের সময় : ৩০ আগস্ট, ২০২২, ৮:১৮ পিএম

ইরাকের বিভিন্ন প্রদেশে বসবাসকারী প্রায় ষাট হাজার বাংলাদেশি কর্মী নিরাপদে রয়েছে। দেশটিতে রাজনৈতিক সহিংস তুমুল সংঘর্ষে কারফিউ জারি করা হয়েছে। সোমবার রাতভর বাগদাদের গ্রিন জোন এলাকায় গোলাগুলির মূহু মূহু শব্দে নগরবাসী ঘুমাতে পারেনি। বাগদাদ থেকে বাংলাদেশ দূতাবাসের জনৈক কর্মকর্তা আজ মঙ্গলবার রাতে এতথ্য জানিয়েছেন। বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. ফজলুল বারী ইরাকের সহিংস ঘটনা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। বাংলাদেশ দূতাবাসের দূতালয় প্রধান মো. অহিদুজ্জামান এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে দেশটিতে বসবাসকারী বাংলাদেশি কর্মীদের নিজ নিজ আবাসনে অবস্থান এবং যে কোনো সমস্যার জন্য দূতাবাসের ফোনে যোগাযোগ রক্ষার অনুরোধ জানিয়েছেন।
দূতাবাসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা নূরুল্লাহ আহমদ রাতে ইনকিলাবকে জানান, দেশটির গুরুত্বপূর্ণ গ্রিণ জোন এলাকায় তুমুল সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ায় সোমবার স্থানীয় সময় সাড়ে তিনটা থেকে কারফিউ জারি করা হয়েছে। সকল বাংলাদেশি কর্মীরাই যার যার আবাসনে অবস্থান করছেন। আমরাও নিজ নিজ বাসায় অবস্থান করছি।
ইরাকে বছর ধরে চলা রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবার তুমুল সংঘর্ষে রূপ নিয়েছে। প্রভাবশালী শিয়া নেতা মুকতাদা আল সদরের সমর্থক, ইরান সমর্থিত শিয়া রাজনৈতিক গোষ্ঠী এবং নিরাপত্তাবাহিনীর সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে আল জাজিরা। সূত্রের বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, এক রাতের সংঘর্ষে কমপক্ষে ৭০০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। সোমবার রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দেন মুকতাদা আল সদর। এর পরপরই তার সমর্থকরা রাজধানী বাগদাদে সহিংস বিক্ষোভ শুরু করে। সোমবার রাতভর বাগদাদের রাস্তায় গুলাগুলি ও বোমা বিস্ফোরণ হয়। রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে মিলিশিয়া যোদ্ধাদের লড়াই চলে। মুকতাদা আল সদর সব পক্ষকে সংঘর্ষ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। এক ঘোষণায় সদর জানিয়েছেন, সহিংস সংঘর্ষ না থামা পর্যন্ত অনশন ধর্মঘট চালিয়ে যাবেন তিনি।
ইরাকের শহরের গ্রিন জোনে সবচেয়ে ভয়াবহ সহিংস ঘটনা ঘটে। গ্রিন জোনে সরকারি বিভিন্ন দফতরের কার্যালয় এবং বিদেশি দূতাবাস অবস্থিত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, গ্রিন জোনে ভারী অস্ত্র যেমন মেশিন গান ও রকেট প্রপেল্ড গ্রেনেড ব্যবহার করছে মিলিশিয়ারা।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন