শনিবার ৩০ নভেম্বর ২০২৪, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩১, ২৭ জামাদিউল সানী ১৪৪৬ হিজরি

সম্পাদকীয়

চিঠিপত্র

বাল্যবিয়ে বন্ধ করুন, নাটোরের নদনদী রক্ষা করুন

| প্রকাশের সময় : ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১২:০২ এএম

বাল্যবিয়ের শিকার ছেলেমেয়ের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিনোদনের মতো মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়, যা তাকে সারাজীবনের জন্য ক্ষতিকারক। ইউনিসেফের একটি জরিপে দেখা যায়, বাংলাদেশে ৬৪ শতাংশ মেয়ের বয়স ১৮ বছর হওয়ার আগেই বিয়ে হয়ে যায়। এর কারণ দারিদ্র্য, নিরক্ষতা, সামাজিক চাপ, নিরাপত্তার অভাব, যৌন নির্যাতন। বাল্যবিয়ে বন্ধ না হলে মাতৃমৃত্যুর ঝুঁকি, অপরিণত গর্ভধারণ, প্রতিবন্ধী সন্তান জন্মদান, অপুষ্টিজনিত সমস্যা, প্রসবকালীন খিঁচুনি, প্রজনন স্বাস্থ্য সমস্যা, মানসিক অশান্তি, জরায়ুর ক্যান্সার ও নবজাতকের বিভিন্ন রোগ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বাল্যবিয়ে বন্ধে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের এর কুফল সম্পর্কে শিক্ষাদান, গণমাধ্যমে আন্দোলন গড়ে তোলা দরকার। এ ক্ষেত্রে ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। 

মোছা. শাকিলা আক্তার
শিক্ষার্থী, সোনাতলা, বগুড়া।



নাটোর জেলার অধিকাংশ নদনদী অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে। একসময় যে চলনবিল পানিতে থৈথৈ করত, তার বুকে এখন দখল আর নানাবিধ অত্যাচার। এই বিল মূলত মৎস্য ও শস্যভান্ডার। এই বিলের মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে আত্রাই, ইছামতী, করতোয়া, ফুলজোড়, মুছা, বড়াল, গুড়, গুমানী, হিজলী, তুলসী, নন্দকুজা, চৈচুয়া, ভাদাই, চিকনাই, বানগঙ্গা, কুমারডাঙ্গা, মরা আত্রাই, মরা করতোয়া, নাগর, গাড়াদহ ইত্যাদি। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে চলনবিল আজ মৃতপ্রায়। এসব নদনদীর বুক চিরে কোথাও বানানো হয়েছে রেললাইন, কোথাও মহাসড়ক। বছর শেষে পদ্মা ও যমুনা নদীর পলির বিশাল একটা অংশ জমা হয় এই বিলে। একসময় নাটোরের নদনদীতে নৌকা-স্টিমার চলত। কিন্তু পানির অভাবে এখন মাছও মিলছে না। কৃষিতে সেচের জন্য পানিও পাওয়া যাচ্ছে না। জনস্বার্থে চলনবিলের নদীসহ নাটোরের অন্যান্য নদনদী রক্ষা করা জরুরি।
সাধন সরকার
ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন