ঢাকা, মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২০, ২০ শ্রাবণ ১৪২৭, ১৩ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহার করুন সরকারের ভাবমর্যাদা ক্ষুন্ন করবে

ইনকিলাব সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা সারাদেশে বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিবাদের ঝড়

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৩০ জুন, ২০২০, ১২:০১ এএম

দৈনিক ইনকিলাবে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে জনৈক আইনজীবী গুলশান থানায় সম্পাদক আলহাজ এ এম এম বাহাউদ্দীন ও সংশ্লিষ্ট রিপোর্টারের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করায় সারাদেশে নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। ক্ষমতার অপব্যবহার করে দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক ও প্রতিবেদকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের সংবাদপত্রের কণ্ঠ রোধের অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয় বলে মন্তব্য করেছেন নেতৃবৃন্দ। পৃথক পৃথক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত দৈনিক ইনকিলাব সততা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে কোটি কোটি মানুষের আস্থা ও সুনাম-সুখ্যাতি অর্জন করেছে। শনিবার ইনকিলাবের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদী চক্রান্তের অংশ হিসেবেই গুলশান থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। কিছু অতি উৎসাহী লোক সরকারকে বিব্রত করার উদ্দেশ্যে ইনকিলাবের মত বহুল প্রচারিত একটি দৈনিকের শ্বাসরুদ্ধ করার ষড়যন্ত্র করছে। দেশবাসী এ ধরনের পদক্ষেপ কোনো দিন মেনে নেবে না। এতে সরকারের ভাবমর্যাদা ক্ষুন্ন করবে বলেও নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন। তারা অবিলম্বে এ মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ : গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন সম্পর্কে কারো আপত্তি থাকলে সে বিষয়ে প্রতিবাদ বা সংশোধনী দেয়ার বিধান অনুসরণ না করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক ও রিপোর্টারের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের সংবাদপত্রের কণ্ঠ রোধের অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয় বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই। ইনকিলাবের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এক বিবৃতিতে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, যথাযথ নিয়মে প্রতিবাদ ও প্রেস কাউন্সিলে মামলা করার পদ্ধতি অনুসরণ না করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের প্রমাণ করেছে সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ এবং সাংবাদিকদেরকে হয়রানির জন্যই এ মামলা দেয়া হয়েছে।
পীর সাহেব চরমোনাই, অবিলম্বে ইনকিলাবের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের জোর দাবি জানান। এ আইনে গ্রেফতারকৃত অন্যান্য সাংবাদিকদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানান তিনি। তিনি বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষা এবং কণ্ঠ রোধের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের পাশে ইসলামী আন্দোলন অতীতে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে ইন শা আল্লাহ।

বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি : নেজামে ইসলাম পার্টির আমীর প্রিন্সিপাল আল্লামা সারওয়ার কামাল আজিজি, উপদেষ্টা মাওলানা ফজলুর রহমান, সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা আবদুল মাজেদ আতহারী, মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইজহার, সংগঠন সচিব আবু তাহের খান, সহকারী মহাসচিব আজিজুল হক ইসলামাবাদী এক যুক্ত বিবৃতিতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেছেন, দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত দৈনিক ইনকিলাব সততা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে কোটি কোটি মানুষের আস্থা ও সুনাম সুখ্যাতি অর্জন করেছে। ইনকিলাবের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদী চক্রান্তের অংশ হিসেবেই গুলশান থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে নস্যাৎ করার এই অপতৎপরতা দলমত নির্বিশেষে প্রতিরোধ করতে হবে। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে এ মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান।
বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোট : বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নর আলহাজ মিছবাহুর রহমান চৌধুরী এক বিবৃতিতে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, স্বাধীন সংবাদপত্রের বিরুদ্ধে এ ধরনের মামলা সরকারের ভাবমর্যাদা ক্ষুন্ন করবে। তিনি বলেন, কিছু অতি উৎসাহী লোক সরকারকে বিব্রত করার উদ্দেশে ইনকিলাবের মত বহুল প্রচারিত একটি দৈনিকের শ্বাসরুদ্ধ করার ষড়যন্ত্র করছে। দেশবাসী এ ধরনের পদক্ষেপ কোনো দিন মেনে নেবে না।
তিনি বলেন, ৪ দলীয় জোট সরকারের সময় ফ্যাসিস্ট জামাত ও তাদের মিত্রদের বিরুদ্ধে এবং গণতন্ত্রের পক্ষে দৈনিক ইনকিলাব ও তার সম্পাদকের ভূমিকা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। অনতিবিলম্বে ইনকিলাব সম্পাদকের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানিয়ে আলহাজ মিছবাহুর রহমান চৌধুরী বলেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ সরকারের প্রতিশ্রুতির খেলাফ।

ইসলামী ঐক্য আন্দোলন : ইসলামী ঐক্য আন্দোলনের আমীর ড. মওলানা মুহাম্মাদ ঈসা শাহেদী ও সেক্রেটারী জেনারেল অধ্যাপক মোস্তফা তারেকুল হাসান বলেন, দৈনিক ইনকিলাব দেশের তাওহীদি জনতার চেতনার প্রতিনিধিত্ব করে। তদুপরি তথ্য অনুসন্ধানী সংবাদ প্রচার দেশের পত্রপত্রিকা ও মিডিয়ার দায়িত্ব। তথ্যগত কোনো অসঙ্গতি থাকলে সংক্ষুব্ধ পক্ষ প্রতিবাদের মাধ্যমে সংশোধনী দেয়া এবং যথানিয়মে তা পত্রিকায় প্রচার করাই প্রচলিত রেওয়াজ। তার ব্যতিক্রম করে ডিজিটাল আইনে মামলা করা সংবাদপত্র ও তথ্যপ্রবাহের স্বাধীনতাকে গলাটিপে ধরার নামান্তর। তারা অবিলম্বে ইনকিলাব সম্পাদকের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত এই হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান।
খেলাফত মজলিস : খেলাফত মজলিসের আমীর প্রিন্সিপাল মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নাগরিকদের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে রুদ্ধ করেছে। সরকারের কোন কর্মকর্তা বা এমপির দুর্নীতির বিরুদ্ধে কোন সত্য প্রকাশ করলেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের খড়গ ব্যবহার করা হচ্ছে। মত প্রকাশের স্বাধীনতা বিরোধী এ আইন প্রত্যাহার করতে হবে। এ আইন প্রণয়নের পর থেকেই সম্পাদক, সাংবাদিক ও সংবাদকর্মীদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা গ্রেফতার হযরানির ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণকারী এ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে সংবাদপত্রের কন্ঠরোধের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। নেতৃদ্বয় দৈনিক ইকিলাবের সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীনের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান।

বাংলাদেশ মুসলিম লীগ : বাংলাদেশ মুসলিম লীগ সভাপতি এড. বদরুদ্দোজা সুজা ও মহাসচিব কাজী আবুল খায়ের বলেন, বহুল বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপপ্রয়োগ ও অপব্যবহারের মাধ্যমে জাতির বিবেক হিসেবে বিবেচিত সৎ নির্ভীক, নিরপেক্ষ ও আপোষহীন পেশাদার সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করার অপচেষ্টা চলছে। ঠুনকো অজুহাতে দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার নিন্দা জানিয়ে নেতৃদ্বয় বলেন, আইনটি শুরু থেকেই বিভিন্ন কারণে বিতর্কিত। সাংবাদিকরা দুর্নীতি, অনিয়ম, অপশাসন আর অব্যবস্থাপনার বিষয়গুলো জনগণের দৃষ্টিগোচরে আনছেন বলে তারাই এই বিতর্কিত আইন অপপ্রয়োগের বেশি শিকার হচ্ছেন।
তারা অবিলম্বে দৈনিক ইনকিলাবের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রয়োজনীয় সংশোধন এবং চাটুকার ও সুবিধাভোগী শ্রেণির লাগাম টেনে ধরার জন্য সরকারের নিকট জোর দাবি জানান।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস : বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর শায়খুল হাদীস মাওলানা ইসমাঈল নূরপুরী ও মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক বলেন, গণমাধ্যমকে সংবাদ প্রকাশের স্বাধীনতা প্রদান করতে হবে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ফাঁদে বন্দি করে গণমাধ্যমের কন্ঠরোধ করার পরিণাম ভালো হবে না। মামলা, হামলা আর হুমকি ধমকি দিয়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ কল্যাণ বয়ে আনবে না। অবলম্বে তারা এ মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

বাংলাদেশ জনসেবা আন্দোলন : বাংলাদেশ জনসেবা আন্দোলনের চেয়ারম্যান মুফতি ফখরুল ইসলাম তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, ইনকিলাবের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দিয়ে সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে হরণ করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। এ ধরনের হয়রানিমূলক মামলা দেশের জনগণ ও সভ্য সমাজ কোন দিন মেনে নিতে পারে না।
তিনি বলেন, দৈনিক ইনকিলাব সব সময় খুন ধর্ষণ মানবপাচারকারী মাদক ব্যবসায়ীসহ সকল অপরাধীর বিরুদ্ধে এবং ইসলাম মানবতা ও দেশের জনগণের পক্ষে সর্বদা সত্য প্রকাশ করে আসছে। এটাই কি দৈনিক ইনকিলাব কর্তৃপক্ষের অপরাধ।
নেজামে ইসলাম পার্টি : বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুফতি মুজিবুর রহমান, মহাসচিব মাওলানা ওবায়দুল হক ও যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা একে এম আশরাফুল হক বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দিয়ে সংবাদপত্র ও তথ্যপ্রবাহের স্বাধীনতাকে গলাটিপে ধরার নামান্তর। তারা গণতন্ত্রের স্বার্থে অবিলম্বে ইনকিলাব সম্পাদক ও প্রতিবেদকের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।
ইকুয়াল রাইটস ইন্টারন্যাশনাল : দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীন-এর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়েরের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্য ভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন ইকুয়াল রাইটস ইন্টারন্যাশনাল (ইআরআই)। ইআরআইয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আমরা এর আগেও দেখেছি, বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কয়েকজন সাংবাদিক ও পেশাজীবীর নামে মামলা ও গ্রেফতারের ঘটনা ঘটেছে। স¤প্রতি দৈনিক ইনকিলাবে ‘এইচ টি ইমামকে সরিয়ে দিন’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদনে মানবপাচারে কুয়েতে আটক হওয়া লক্ষীপুর-২ আসনের এমপি কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমামকে জড়িয়ে কিছু মন্তব্য করা হয়। আর ওই মন্তব্য করা হয়েছে কিছুদিন আগে প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত ‘টাকার জোরেই সস্ত্রীক সাংসদ’ প্রতিবেদনের আলোকে। ওই প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে এইচ টি ইমামের নাম আসে। অথচ সে সময় কেউ প্রথম আলোর সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা করেনি। এ ঘটনায় বুঝা যাচ্ছে সরকার সমর্থক লোকজন তাদের পছন্দের পত্রিকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে মতের অমিলের পত্রিকাকে সহ্য করতে পারছে না। আর সহ্য করতে না পেরে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার করে সম্পাদকের মতো সম্মানীয় ব্যক্তির নামে মামলা দিচ্ছে। এতে দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের বাক স্বাধীনতা হরণ হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘আমরা ইকুয়াল রাইটস ইন্টারন্যাশনাল (ইআরআই) মনে করি দেশের গণতন্ত্র ও আইনের শাসন নিশ্চিতের জন্য সব আইনের যথাযথ প্রয়োগ হওয়া প্রয়োজন। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে জাতির বিবেক সাংবাদিক এবং সাধারণ মানুষ আর যেন হেনস্তা না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে সরকারের প্রতি সবিনয় অনুরোধ জানাচ্ছি’। ইআরআই এর দপ্তর সম্পাদক আলী শাহজাদার স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ওই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মীরা স্বাক্ষর করেন। স্বাক্ষরদাতারা হচ্ছেন সংগঠনের চেয়ারম্যান মাহবুব আলী খানশূর, ভাইস চেয়ারম্যান নউসিন মোস্তারী মিয়া সাহেব, সেক্রেটারী আবু তালেব রায়হান, ফাইন্যান্স সেক্রেটারী আল আমিন, এসিস্টেন্ট সেক্রেটারী মোঃ সাইফুর রহমান সোশ্যাল মিডিয়া সেক্রেটারী জুবায়ের আহমেদ, গ্লোবাল অপারেশন সেক্রেটারী জিয়াউর রহমান প্রমুখ।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (15)
প্রতিবাদী ২৯ জুন, ২০২০, ১২:৪৪ এএম says : 0
যেভাবে প্রতিবাদ হচ্ছে, তাতে মনে হয় দাদা তার এনার্জি ড্রিংক গোমূত্রের বোতল নিয়ে পালিয়ে যাবে। হা:! হা:! হা:!
Total Reply(0)
Ami Amin ২৯ জুন, ২০২০, ১:৪৩ এএম says : 0
তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই
Total Reply(0)
Ami Amin ২৯ জুন, ২০২০, ১:৪৩ এএম says : 0
তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই
Total Reply(0)
Abdullah AL Mamun Amran ২৯ জুন, ২০২০, ১:৪৪ এএম says : 0
এটি বানানোই হয়েছে যৌক্তিক বিরুদ্ধ মতকে দমনের জন্য।
Total Reply(0)
Abdul Hamid ২৯ জুন, ২০২০, ১:৪৫ এএম says : 0
দুঃখজনক। মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাই।
Total Reply(0)
Zamal U Ahmed ২৯ জুন, ২০২০, ১:৪৬ এএম says : 0
পাপুলের দুষ্কর্মের বেনিফিসিয়ারীদের মুখোশ উম্মোচন হওয়া উচিৎ।
Total Reply(0)
Hannan Kabir ২৯ জুন, ২০২০, ১:৪৭ এএম says : 0
আমার দৃঢ় বিশ্বাস এদের পাপের পরিমাণ এত বেশি হয়ে গেছে যে নিজের ছায়া দেখলেও ভয় পায়। সমালোচনা সহ্য করতে না পারাই হলো এর বড় প্রমাণ।
Total Reply(0)
Edrish Jkt ২৯ জুন, ২০২০, ১:৪৭ এএম says : 0
ডিজিটাল নিরাপত্তার অপর নাম করোনা ভাইরাস।জুলুম নির্যাতনের শেষ নাহলে গজবের শেষ হবেনা বলে মনেকরি।
Total Reply(0)
Kamal Hossain ২৯ জুন, ২০২০, ১:৪৮ এএম says : 0
মামলা দিলে রিপোর্টের সত্যতা ও গ্রহনযোগ্যতা অনেক বৃদ্ধি পায়। এটা না করে এইচ,টি, ইমাম ইনকিলাব রিপোর্টার এবং দুদককে অধিকতর তদন্তের সুযোগ করে দিতে পারতেন, নিজেকে স্বচ্ছ প্রমানের জন্য।
Total Reply(0)
Jashim Uddin ২৯ জুন, ২০২০, ১:৪৯ এএম says : 0
দুর্নীতি যারা করে তাদের কোন দোষ নাই, কিন্তু দুর্নীতিবাজদের দুর্নীতি প্রকাশ করলেই যত দোষ। এই ডিজিটাল (কালো) আইন দিয়েই সত্য প্রকাশক বা সরকার বিরোধীদের দমন করা হচ্ছে, এটা অত্যন্ত বিপদজনক নিন্দনীয়, আমরা এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি, আমরা সরকারের প্রতি আহবান জানাচ্ছি অবিলম্বে এই ডিজিটাল নিরাপত্তা নামক কালো আইন প্রত্যাহার করুন, এই আইনে যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের মুক্তি দিন,
Total Reply(0)
Mahmud Ul Hasan ২৯ জুন, ২০২০, ১:৫০ এএম says : 0
প্রতিবাদী কন্ঠ চেপে ধরার অন্যতম এক মাধ্যম ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল না করা হলে স্বাধিনতা ১৯৭১ এর ৩০ লক্ষ শহিদের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধিনতা পুর্নতা পাবে না
Total Reply(0)
Md Syed Alam ২৯ জুন, ২০২০, ১:৫১ এএম says : 0
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের নামে মানুষের কন্ঠরোধের চেষ্টার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। এখনি সময় এটার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো।
Total Reply(0)
Nazrul Islam ২৯ জুন, ২০২০, ১:৫১ এএম says : 0
জনগণ এখন আর মামলার ভয় পায় না,মামলা জনগণের জন্য নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য হয়ে গিয়েছে এটা কোন ব্যাপারই না,,,
Total Reply(0)
Nannu chowhan ২৯ জুন, ২০২০, ৭:০৬ এএম says : 0
Eai desher beshir vag jonogoni eai ayn o mamla prottahare dabir pokkhe,eai deshe kisu bideshi agenter jonmo hoyese jara naki amader ayn sringkhola shototar biruddhe shojogita kore amader rashtroke eakta okarjjokor rashtre porinito korar shorojontre lipto tai eai kothito eia bideshi agent hishabe eai deshe proshashone orajogota o durnitir birudde likha likhi korai inquilab shompadoker biruddhe lojjahin vabe ghola panite mas shikarer uddeshe mamla daier kore,eaishob bideshi chorder khujia bahir koria opojokto shastir bebosta korar jonno dabi janaitesi....
Total Reply(0)
Mohammed Shah Alam Khan ২৯ জুন, ২০২০, ৯:০৮ এএম says : 0
আমি বহুদিন ধরে এই ইনকিলাব পত্রিকায় আইনজীবীদের সম্পর্কে প্রচুর মন্তব্য করে আসছি। আমি অনেক উদাহরণ সহ আইনজীবীদের মিথ্যাচার নিয়ে লিখে আসছি কিন্তু পত্রিকার সংবাদে আইনজীবীদেরকে সম্মানই দেয়া হচ্ছে এটা আমি দেখে আসছি। আজ আইনজীবীদের একজন ইনকিলাব পত্রিকার সাংবাদিক ও সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা করে তারাযে আমার ভাষায় মিথ্যার জাহাজ ও অন্যায়ের প্রতিক এটাই প্রমাণ করেছে। আমি এই সংবাদ পাঠ করে খুবই মর্মাহত হয়েছি কারন ইনকিলাব পত্রিকা ইসলাম সম্পর্কে লিখে কিন্তু সরকারের বিপক্ষে তেমন একটা লিখেনা। প্রথম আলো সমানে প্রতিদিন সরকারের বিষদ্গার করছে এবং তারা সরকারের লোকজনদের দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছে এটাও সত্য। এখন আমি মনেকরি এই আইনজীবীর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব করার কারনে মামলা করে দেয়া উচিৎ। আমি অবশ্যই দেশে অবস্থান করলে এর প্রতিকার করেই ছাড়তাম। অবশ্য এখনও আমি চেষ্টা করবো এই কানাডা থেকে কোনভাবে এখানকার সরকারকে বাংলাদেশের আইনজীবীদের উদ্যত্যা নিয়ে অবগত করানও এবং সেটা নিয়ে দুই দেশের যদি আলোচনার সুযোগ থাকে সেটা করার ব্যাবস্থা করতে আমি অবশ্যই পারবো ইনশ’আল্লাহ যদি ইনকিলাব পত্রিকা আমাকে দায়িত্ব দেন। আমি আবারো বলছি আমি ১৯৯৩ সাল থেকে ইনকিলাব পত্রিকার ভক্ত এবং ইন্টারনেট সংখ্যার একজন নিয়মিত পাঠক। এছাড়া ইনকিলাব পত্রিকা আমাদের বিভিন্ন সংবাদ তাদের পত্রিকায় যখনই আমরা পাঠাই সেটা ছাপিয়ে দিয়ে আমাদেরকে উপকৃত করে আসছেন। কাজেই তাদের সেই উপকারের প্রতিদান দেয়ার এটা আমাদের জন্যে একটা সুযোগ তাই আমি এই লিখার মাধ্যমে পত্রিকার সম্পাদক বাহাউদ্দিন সাহেবকে অনুরোধ করবো আমাকে আপনাদের বিরুদ্ধে যে মামলাটা করা হয়েছে তার নকল পাঠান এবং এটা নিয়ে কানাডিয়ান সরকারের সাথে আলোচনা করার অনুমতি প্রদান করুন। আমি কথা দিচ্ছি আমি আমার সাধ্য অনুযায়ী আপনার জন্যে কাজ করবো। আমি যদি বিনা পারিশ্রমিকে আওয়ামী লীগের জন্যে এখানে (কানাডায়) কাজ করে থাকতে পারি তাহলে আমার নিজের জন্যে আপনার হয়ে কেন কাজ করতে পারবোনা। আল্লাহ্‌ আমাকে সহ সবাইকে সুযোগ পেলে উপকারকারিকে প্রতিদান দেয়ার ক্ষমতা দান করুন। আমিন
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন