ঢাকা সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ২৩ ফাল্গুন ১৪২৭, ২৩ রজব ১৪৪২ হিজরী

সম্পাদকীয়

যার দোয়া ও নেক নজরের বরকত সব সময় অনুভব করি

এ এম এম বাহাউদ্দীন | প্রকাশের সময় : ১৫ জানুয়ারি, ২০২১, ১২:০৪ এএম

সাহেব কেবলা ফুলতলী হযরত মাওলানা আবদুল লতিফ চৌধুরী রহ. নবতিপর বয়সে তাঁর বর্ণাঢ্য সংগ্রামী সাধক জীবনের সায়াহেৃ। চিকিৎসকরা বেশ হতাশ। হুজুরও ধীরে ধীরে বার্ধক্যজনিত দুর্বলতায় ক্রমান্বয়ে অবসন্নতার চূড়ান্ত পর্যায়ে। এমন সংকটময় মুহূর্তে হুজুরের ইচ্ছায় আমাকে টেলিফোন করে হুজুরের সাথে কথা বলিয়ে দেন তার সুযোগ্য নাতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ও হাইকোর্টের হযরত শাহ শরফুদ্দীন চিশতী রহ. মাজার মসজিদের খতিব মাওলানা আহমদ হাসান চৌধুরী শাহান। শারীরিকভাবে খুবই দুর্বল এই মহান সাধক টেলিফোনে আমাকে বললেন, ‘বাবা বাহাউদ্দীন, আল্লাহর রহমতে কেউ তোমার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। আমি দোয়া করছি।’ তার এই কথায় অনেক বড় আধ্যাত্মিক শক্তি ও তাওয়াক্কুলের ঐশী তেজ ছিল। আজ এত বছর পরেও ফুলতলীর হযরতের এই দোয়া ও অভয় বাণী আমার কানে বাজে। আমার অন্তরে সাহস জোগায়। সম্ভবত এরপর আর তিনি কারো সাথে বিশেষ কথাবার্তা বলেননি। এর পরদিন থেকে তার জবান বন্ধ হয়ে যায়। নির্বাক অবস্থায়ই তিনি দুনিয়া থেকে আল্লাহর নির্ধারিত সময়ে লক্ষ কোটি ভক্ত মুরিদ ও শাগরেদকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে মাওলার ডাকে সাড়া দিয়ে চলে যান। সিলেটে তার জানাজা ছিল অবিশ্বাস্য বৃহৎ। পুরো ফুলতলী এলাকা আশপাশের গ্রাম ও জনপদ লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। স্বজন হারানোর কান্না ও বেদনা নিয়ে লাখো মানুষ পাগলপারা হয়ে ক্ষেতখামার রাস্তাঘাট ভরিয়ে দেয়। কোনো মাঠ এমন নেই, যা এই জানাজাকে ধারণ করবে। অবশেষে মূল জানাজা সঠিক জায়গায় রেখে চারিদিকে ছড়িয়ে থাকা মানুষ নিজ নিজ জায়গায় কাতারবন্দি হয়েই জানাজায় শরিক হয়। আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের প্রতি মানুষের ভালোবাসা এমনই হয়। দুনিয়ার কোনো মাপকাঠিতে তা মাপা যায় না।

যখন টেলিফোনে তার সাথে আমার শেষ কথা হয়, আমি তখন খুব সংকটকাল পার করছিলাম। সংগঠন, ইনকিলাব ইত্যাদি সব বিষয়েই বিদ্বেষ ও শত্রুতার শিকার ছিলাম। অনেক বড় ব্যক্তি ও শক্তি আমাদের ক্ষতি করার চেষ্টা করেছেন। ক্ষমতা ও শক্তিমত্তার অধিকারী বহু মানুষের ধাক্কা আমাকে সইতে হয়েছে। বহু মন্ত্রী মিনিস্টারের মামলা মাথায় নিয়ে চলতে হয়েছে। এখনো নানা ধরনের অনেক মামলা চলছে। সীমাহীন বিপদ আপদ মাথার উপর দিয়ে গেছে। সংগঠন নিয়ে বড় বড় ধাক্কা এসেছে। ইনকিলাব-এর বিরুদ্ধে মারাত্মক সব ঝড় মোকাবেলা করতে হয়েছে। আদালতের প্রাঙ্গণে যাতায়াত ও হাজিরা দেওয়ার অগ্নিপরীক্ষা চলেছে। প্রাণনাশের চেষ্টা ও হুমকির সম্মুখীন হতে হয়েছে। আল্লাহর রহমতে সব কিছুই পার হয়ে এসেছি। পীর মাশায়েখ ও উলামায়ে কেরামের দোয়ার বরকতে আল্লাহ টিকিয়ে রেখেছেন। খাস করে সাহেব কেবলা ফুলতলীর এই মুমূর্ষু অবস্থার বাহ্যিক দুর্বল অথচ আধ্যাত্মিক দৃঢ়তাপূর্ণ গভীর প্রত্যয়ী বাক্য আমাকে দৈনন্দিন জীবনে নিরন্তর প্রেরণা যোগায়। কানে ভেসে আসে ‘বাবা, আল্লাহর রহমতে কেউ তোমার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। আমি দোয়া করছি।’

ব্যক্তিগতভাবে আমি একটি ঐতিহ্যবাহী উলামা মাশায়েখ পরিবারের সন্তান। আমার দাদাজি হযরত আল্লামা শাহ মুহাম্মাদ ইয়াসিন রহ. ছিলেন ঐতিহাসিক ফুরফুরা দরবারের প্রথম দিককার খলিফা। শর্ষিনার প্রথম শায়েখ হযরত শাহ নেসারউদ্দীন রহ. এর সমসাময়িক ও পীর ভাই দাদাজি সেই সময় তাজী ঘোড়ায় চড়ে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইসলামের আদর্শ বা কোরআন সুন্নাহর আলোকে মানুষের জীবন বিধান প্রচার করতেন। শিরিক ও গোমরাহীতে নিমজ্জিত বাঙালি মুসলমানকে উন্নত জীবন উপহার দেওয়ার কঠিন সংগ্রাম সাধনা ছিল তাদের জীবনের মিশন। অমুসলিম সম্প্রদায়ের মারাত্মক জুলুম, অমানবিক শোষণ, দুর্ব্যবহার, রাজা জমিদারদের অবর্ণনীয় পাশবিক আচরণের শিকার বাংলার মুসলমানদের পর্যুদস্ত জীবন ও অর্থনীতি রক্ষা এবং পুনরুজ্জীবনের মহান কাজটি আমার দাদা সাহেব ও তাঁর মতো মর্দে মুজাহিদ, সমাজকর্মী, লোকশিক্ষক, পীর-মাশায়েখরাই আঞ্জাম দিয়েছেন। তাঁর এক ভাই হযরত শায়েখ খলিলুর রহমান সাহেবও ফুরফুরার প্রধান পীর হযরত আবু বকর সিদ্দিক কোরায়শী রহ. এর খলীফা ছিলেন। তখনকার সময়ের পীর মাশায়েখগণ দুনিয়াত্যাগী ও আল্লাহমুখী ছিলেন। কোনোরূপ স্বার্থ চিন্তা ছাড়া সম্পূর্ণ আল্লাহর ওয়াস্তে তারা দীনের খেদমত করতেন। সাহেব কেবলা ফুলতলী হযরত মাওলানা আবদুল লতিফ চৌধুরী রহ.ও ছিলেন একই পথের পন্থি। তখনকার বড় বড় সব দরবারের একই নীতি আদর্শ ছিল। বর্তমান যুগের অনেকের মতো পীর মুরিদি, মানুষের হেদায়েত ও জনকল্যাণ ভাবনা বাদ দিয়ে পূর্বকার প্রভাব প্রতিপত্তি ও জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে অঢেল অর্থ সম্পদ উপার্জন করা তাদের উদ্দেশ্য ছিল না। দুনিয়াবিমুখ সেই বুযর্গদের আজ খুব বেশি প্রয়োজন। সাহেব কেবলা ফুলতলী রহ. তাঁর সুযোগ্য সন্তানদের নিজ আদর্শের ওপর গড়ে তুলে দুনিয়াবিমুখ আধ্যাত্মিকধারা বজায় রেখেছেন। শুধু দেশে নয়, ইউরোপ আমেরিকায়ও তাঁর শিক্ষা প্রসার ও আদর্শিক আলোর বিচ্ছুরণ সমানভাবে ঘটেছে। তাঁর জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।

আমার পিতা হযরত মাওলানা এম এ মান্নান রহ. নিজেও ছিলেন আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব। ছোটবেলা থেকে দেশের বরেণ্য উলামা মাশায়েখ ও পীর আউলিয়াদের মায়া মমতা ও আদর স্নেহে আমি বড় হয়েছি। নিজের জীবনও তাদের সান্নিধ্যে থেকে তাদের খেদমতের মধ্য দিয়ে কাটাচ্ছি। ঢাকায় খতিব উবায়দুল হক জালালাবাদী রহ., শায়খুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক রহ. ও বিশেষভাবে মাওলানা মোহাম্মদ আমীনুল ইসলাম রহ. আমাকে বেশি স্নেহ করতেন। শর্ষিনাসহ দেশের প্রখ্যাত সকল দরবারের পীর সাহেবান আমার খুবই নিকটের ও শ্রদ্ধাভাজন। তবে আমার ব্যক্তিগত জীবনে সাহেব কেবলা ফুলতলী রহ.-এর স্নেহ ছায়া একটু ভিন্ন মাত্রার। আমার আব্বাও পীর সাহেব কেবলার ভক্ত ও আদর্শের সৈনিক ছিলেন। মনে পড়ে, ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা আন্দোলনে যখন আমরা অনেকটাই দিকভ্রান্ত, দিশেহারা তখন সকল ষড়যন্ত্র ও বাধা বিপত্তি মোকাবেলা করে এগিয়ে যাওয়ার সাহস দিয়েছেন তিনি। তাঁর ঐতিহাসিক লংমার্চের ঘটনা আমি কোনোদিন ভুলবো না। তিনি প্রবল আধ্যাত্মিক ক্ষমতা ও আল্লাহ প্রদত্ত দূরদৃষ্টির অধিকারী ছিলেন। তাঁর দোয়া ও আশ্বাসবাণী আমাকে অবিশ্বাস্য শক্তি ও সাহস যুগিয়েছে। আমি তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ। তাঁর উত্তরাধিকারী সকলের প্রতিও আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ।
লেখক: সম্পাদক, দৈনিক ইনকিলাব। সভাপতি, বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন।

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (30)
Raihan Kabir ১৫ জানুয়ারি, ২০২১, ২:২৬ এএম says : 0
আল্লামা ফুলতলী (রহ.)-এর জীবন শুধু জ্ঞান সাধনায়ই ভাস্বর ছিল না, কর্মসাধনায়ও ছিল সদা তৎপর। যার আপাদমস্তক ছিল রাসুল (সাঃ)-এর আদর্শে উদ্ভাসিত। নির্যাতিত, নিপীড়িত, অবহেলিত এবং মজলুম মানুষের পক্ষে সু-উচ্চ কন্ঠস্বর। তিনি ছিলেন জালিম ও রাসুল (সাঃ)-এর শত্রুদের বিরুদ্ধে সোচ্চার। অবিভক্ত বাংলার রাজনৈতিক ঘটনাগুলোর ঐতিহাসিক সাক্ষ্যপুরুষ। তিনি আমাদের সুদীর্ঘ গৌরবময় ধর্মীয় ও জাতীয় ঐতিহ্যের সত্যান্বেষী কালজয়ী ব্যক্তিত্ব।
Total Reply(0)
shafiul alam ১৫ জানুয়ারি, ২০২১, ৭:১৫ এএম says : 0
"শারীরিকভাবে খুবই দুর্বল এই মহান সাধক টেলিফোনে আমাকে বললেন, ‘বাবা বাহাউদ্দীন, আল্লাহর রহমতে কেউ তোমার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। আমি দোয়া করছি।’ তার এই কথায় অনেক বড় আধ্যাত্মিক শক্তি ও তাওয়াক্কুলের ঐশী তেজ ছিল। আজ এত বছর পরেও ফুলতলীর হযরতের এই দোয়া ও অভয় বাণী আমার কানে বাজে। আমার অন্তরে সাহস জোগায়"। আপনার হক্ব, ন্যায় ও আদর্শের পথচলার বিরুদ্ধে দুনিয়ার কোনো বাতিল অপশক্তি ও শত্রুর ষড়যন্ত্র কখনওই সফল হবেনা। ইনশাআল্লাহ।
Total Reply(0)
Neamat+Ullah ১৫ জানুয়ারি, ২০২১, ৭:৩৩ এএম says : 0
May Allah grant for him highest place in jannah
Total Reply(0)
Habib ১৫ জানুয়ারি, ২০২১, ৭:৩৪ এএম says : 0
Very inspiration article.
Total Reply(0)
Habib ১৫ জানুয়ারি, ২০২১, ৭:৩৪ এএম says : 0
Very inspiration article.
Total Reply(0)
Kamal Hossain ১৫ জানুয়ারি, ২০২১, ২:২৫ এএম says : 0
আল্লামা ফুলতলী (রহ.) মানুষের আধ্যাত্মিক, নৈতিক, পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক তথা জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত যাবতীয় কর্মকান্ডে এবং এর ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন। এ সাধনায় তিনি যে ব্যক্তিত্বের অধিকারী হয়েছেন; তাতে রয়েছে দুনিয়ার সব মানুষের জন্য, সব ধর্মাবলম্বীর জন্য সম্প্রতি ও উদারতার শিক্ষা।
Total Reply(0)
Tahamina Khanum ১৫ জানুয়ারি, ২০২১, ২:২৮ এএম says : 0
জ্ঞানবিজ্ঞান, সমাজ-সভ্যতা, ধর্ম-দর্শন, মূল্যবোধ ও ধর্মীয় বিশ্বাস প্রভৃতি ক্ষেত্রে তাঁর বিচরণ ছিল স্বাচ্ছন্দ্যময় ও সাবলীল।
Total Reply(0)
Ehsan Khan ১৫ জানুয়ারি, ২০২১, ২:২৯ এএম says : 0
আমৃত্যু তিনি দেশ, জাতি এবং মুসলিম মিল্লাতের কল্যাণ চিন্তায় নিজেকে উৎসর্গ করে যে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন, তার তুলনা বিরল। ইসলামের উষালগ্ন থেকেই ইতিহাসের সোনালী পৃষ্ঠায় কীর্তিমানদের সাথে স্থান দখল করে নিয়েছেন।
Total Reply(0)
Harisul Alam ১৫ জানুয়ারি, ২০২১, ২:৩০ এএম says : 0
বিরল প্রতিভার অধিকারী প্রথিতযশা এই মহান ব্যক্তি ছিলেন সুযোগ্য সংগঠক, সফল ইসলামি স্কলার।
Total Reply(0)
আবদুর রহমান ১৫ জানুয়ারি, ২০২১, ২:৩২ এএম says : 0
আল্লামা ফুলতলী (রহ.) কে নিয়ে লেখার জন্য দৈনিক ইনকিলাবের সম্পাদক ও বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি এ এম এম বাহাউদ্দীন সাহেবকে মোবারকবাদ জানাচ্ছি
Total Reply(0)
ইউসুফ বিন ইকবাল ১৫ জানুয়ারি, ২০২১, ২:৩৫ এএম says : 0
তিনি আমাদের সমাজ ও জাতীয় জীবনে এমন একজন ব্যতিক্রমধর্মী প্রতিভা, যিনি ধর্ম, আধ্যাত্মিকতা, সাহিত্য, সমাজচিন্তা, রাষ্ট্রনীতি, নৈতিকতা, জীবন ঐতিহ্য, বিজ্ঞান ও ইসলামি জ্ঞান এবং কোরআনের শিক্ষা বিস্তার ছাড়াও সাধনার প্রতিটি ক্ষেত্রে ছিলেন এক পূর্ণমহিরূহ ও অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব।
Total Reply(0)
হেদায়েতুর রহমান ১৫ জানুয়ারি, ২০২১, ২:৩৩ এএম says : 0
আসলে রতনে রতন চিনে। তাই একজন গুনী মানুষকে নিয়ে লিখেছেন আরেকজন গুনী মানুষ
Total Reply(0)
হুমায়ূন কবির ১৫ জানুয়ারি, ২০২১, ২:৩৭ এএম says : 0
বাহাউদ্দীন ভাই আপনি সত্যি ভাগ্যবান। আল্লামা ফুলতলী (রহ.) ও মাওলানা এম এ মান্নান রহ. -এর মত লোকের দোয়া আপনার সাথে আছে।
Total Reply(0)
রায়হান ইসলাম ১৫ জানুয়ারি, ২০২১, ২:৩৯ এএম says : 0
হযরত আল্লামা ফুলতলী ছাহেব কিবলাহ (র.) মানুষকে আল্লাহ পাওয়ার পথ দেখিয়ে গেছেন। মানুষের অন্তরকে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রেমে ভরপুর করে দিয়েছেন।
Total Reply(0)
জাফর ১৫ জানুয়ারি, ২০২১, ২:৪০ এএম says : 0
হযরত আল্লামা ফুলতলী ছাহেব কিবলাহ (র.) আজীবন ইসলামের খেদমতে নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন। মানুষের ঈমান আকিদাকে সহিহ করার তালিম দিয়েছেন।
Total Reply(0)
Sumon Ahmed ১৫ জানুয়ারি, ২০২১, ৩:০৮ এএম says : 0
প্রাণ জুড়িয়ে গেলো প্রিয় হুজুরের সম্পর্কে লেখাটি পড়ে
Total Reply(0)
Fakir masum Ahmed ১৫ জানুয়ারি, ২০২১, ১১:০৩ এএম says : 0
মুকুটহীন সম্রাট আল্লামা ফুলতলী (রহ.) আজ শুধু একটি ব্যক্তিত্বের নাম নয়, একটি সংকল্পের, একটি সংগ্রামের, একটি আদর্শের, একটি সোনালী অধ্যায়ের নাম।
Total Reply(0)
তানিম আশরাফ ১৫ জানুয়ারি, ২০২১, ১০:১৬ এএম says : 0
আল্লামা ফুলতলী (রহ.) এর ভক্তরা তার আদর্শকে লালন করবে এটাই আশা আমাদের।
Total Reply(0)
Fakir masum Ahmed ১৫ জানুয়ারি, ২০২১, ১১:০৩ এএম says : 0
মুকুটহীন সম্রাট আল্লামা ফুলতলী (রহ.) আজ শুধু একটি ব্যক্তিত্বের নাম নয়, একটি সংকল্পের, একটি সংগ্রামের, একটি আদর্শের, একটি সোনালী অধ্যায়ের নাম।
Total Reply(0)
Sayed Ahmed ১৫ জানুয়ারি, ২০২১, ৭:০৬ এএম says : 0
Subhanallah Innalilla.... Un মহান সাধক!!!
Total Reply(0)
জায়নুল ১৫ জানুয়ারি, ২০২১, ১১:৫৪ পিএম says : 0
বাহাউদ্দীন ভাই আপনি সত্যি ভাগ্যবান। আল্লামা ফুলতলী (রহ.) ও মাওলানা এম এ মান্নান রহ. -এর মত লোকের দোয়া আপনার সাথে আছে।
Total Reply(0)
Gulam Mahbub ১৫ জানুয়ারি, ২০২১, ৬:৪৯ পিএম says : 0
Many thanks for this article. May Allah grant Fultali Shaheb Higher place in Jannah. Ameen
Total Reply(0)
ইকবাল শেখ ১৫ জানুয়ারি, ২০২১, ২:২৩ এএম says : 0
মুকুটহীন সম্রাট আল্লামা ফুলতলী (রহ.) আজ শুধু একটি ব্যক্তিত্বের নাম নয়, একটি সংকল্পের, একটি সংগ্রামের, একটি আদর্শের, একটি সোনালী অধ্যায়ের নাম।
Total Reply(0)
Manik Mohammed ১৫ জানুয়ারি, ২০২১, ২:২৪ এএম says : 0
একজন সত্যিকার মোমিন তার চিন্তাকর্মে, আচরণে সব সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে দুনিয়ার সব মানুষকে তাঁর আলিঙ্গনে আবদ্ধ করতে পারেন বলেই তিনি সবার প্রিয়, সবার শ্রদ্ধেয় কিংবদন্তি মানব।
Total Reply(0)
আহমদ ১৬ জানুয়ারি, ২০২১, ২:৫৩ পিএম says : 0
জাযাকাল্লাহু খায়র। যুগ শ্রেষ্ঠ ওলী আল্লাহ্ প্রসঙ্গে আপনার মূল্যায়ন আমাকে অভিভূত করেছে ।
Total Reply(0)
মোঃ কুতবুল আলম ১৭ জানুয়ারি, ২০২১, ১:৪২ এএম says : 0
আল্লামা ফুলতলী (রহ.) কে নিয়ে হৃদয়গ্রাহী, অনন্য সাধারণ এ লেখনীর জন্য দৈনিক ইনকিলাবের সম্পাদক ও বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি এ এম এম বাহাউদ্দীন সাহেবকে মোবারকবাদ জানাচ্ছি।
Total Reply(0)
Sheikh Redwan Hossen Helal ১৭ জানুয়ারি, ২০২১, ১:৩৬ পিএম says : 0
মহান ওলীর খেদমতের দ্বারাকে আল্লাহ যেন কেয়ামত পর্যন্ত জারি রাখেন।
Total Reply(0)
Sheikh Redwan Hossen Helal ১৭ জানুয়ারি, ২০২১, ১:৩৬ পিএম says : 0
মহান ওলীর খেদমতের দ্বারাকে আল্লাহ যেন কেয়ামত পর্যন্ত জারি রাখেন।
Total Reply(0)
শাহীদ আহমদ ১৮ জানুয়ারি, ২০২১, ৩:৫৬ এএম says : 0
আপনার লিখনীর জন্য মোবরকবাদ।এমন এক আশেকে রাসুলের দোয়া নিয়েছেন যার দোয়া আজও লাখো মানুষের মাথার ছায়া হিসেবে বিরাজমান। জাজাকাল্লাহ
Total Reply(0)
শাহীদ আহমদ ১৮ জানুয়ারি, ২০২১, ৩:৫৬ এএম says : 0
আপনার লিখনীর জন্য মোবরকবাদ।এমন এক আশেকে রাসুলের দোয়া নিয়েছেন যার দোয়া আজও লাখো মানুষের মাথার ছায়া হিসেবে বিরাজমান। জাজাকাল্লাহ
Total Reply(0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন