সোমবার, ০২ আগস্ট ২০২১, ১৮ শ্রাবণ ১৪২৮, ২২ যিলহজ ১৪৪২ হিজরী

শিক্ষাদিক্ষা

জাবির ভর্তি পরীক্ষায় জিপিএ বৃদ্ধি: রাসেলদের স্বপ্নভঙ্গ

জাবি সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ২৩ জুন, ২০২১, ১১:৩৩ এএম

‘জীবন যুদ্ধে ফলাফলকে প্রাধান্য না দিয়ে স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয় জাবির জন্য প্রাণপণ চেষ্টার আজ দুবছর। কখনো ফিরে তাকাইনি যে-আমি জাবিয়ান হতে পারবো না। কারণ, নিজের প্রতি অসীম বিশ্বাস আর দৃঢ় মনোবল ছিলো যে আমি পারবো। কিন্তু বড়ই পরিতাপের বিষয় আজ দেশের স্বনামধন্য ৪৮টি স্বায়ত্বশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে যখন ২০ টি বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের বিভাগ পরিবর্তন থেকে বঞ্চিত করে তখন দুচোখ বন্ধ করে জাবির স্বপ্নে পথ চলি। জীবনে দুটি বছর কত শত পরিশ্রম করেছি এই জাবির জন্য সেটা নিজের থেকে বেশি হয়তো কেউ জানে না। প্রতিটা সেকেন্ড টাইমার জানে রাত জাগার কষ্ট,তারাই শুধু জানে কিভাবে নিজের সর্ব সুখ বিসর্জন দিয়ে জাবির জন্য লড়াই করতে হয়। কিন্তু আজকে যদি সেই জাবি প্রতিটা সন্তানের পিতা-মাতার হাজার টাকা নষ্ট করে তাদের পরীক্ষা দিতে না দেয় তাহলে এর থেকে বড় কোনো কষ্ট পৃথিবীতে নেই।’

কথা গুলো রাসেল মাহমুদ নামের এক শিক্ষার্থী জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির ফেসবুক পেইজে মেসেজ দিয়ে লিখেছেন । তুলে ধরেছেন ভর্তি পরীক্ষায় জিপিএ বৃদ্ধি করায় তার জাবিতে ভর্তি পরীক্ষা দেয়ার স্বপ্ন ভেঙ্গে যাওয়ার কথা। এভাবে শত শত শিক্ষার্থীর তিনবছর ধরে প্রস্তুতি নেয়ার পরও তারা জাবিতে পরীক্ষা দিতে পারবেননা।

রাসেল আক্ষেপ করে বলেন, ‘ভাগ্যের নির্মম পরিহাসের কাছে হেরে গিয়ে আজ একজন সেকেন্ড টাইমার। এস এস সি তে খুব ভালো একটা ফলাফল করার পরেও ইন্টারে ভাগ্যের কাছে হেরে যাই। নিজের চেষ্টার কোনো কমতি না থাকলে ভাগ্যের কমতি ছিলো। তাইতো ভালো কোনো ফলাফল আসেনি।’

ওই মেসেজে রাসেল আরও জানান, ‘জাবির পূর্বের নোটিশ সামনে রেখে হাজার হাজার শিক্ষার্থী প্রস্তুতি নিয়ে আসছে, শেষ সময়ে এসে বি, সি ইউনিটে মোট পয়েন্ট ৩.০০ থেকে ৩.৫০ করা এবং বিভিন্ন বিষয় পয়েন্ট রিকুয়ারমেন্ট বাড়িয়ে দেয়া সম্পূর্ণ অযৌক্তিক বলে মনে করি। আপনারা যেহেতু আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে সেকেন্ড টাইম রাখবেন না। তাই আপনাদের প্রতি বিনীতভাবে আকুল আবেদন- সার্কুলারে কোনো পরিবর্তন না এনে সকল সেকেন্ড টাইমারদের পরীক্ষার সুযোগ করে দিন। আপনাদের অবগতির জন্য বলতে চাই এবার অটো পাশের মাধ্যমে শতভাগ পাশ এবং জিপিএ ৫ এর পরিমাণ এত বেশি যে আমরা সেকেন্ড টাইমাররা দিশেহারা। তাই মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে, নিজের সন্তান ভেবে আমাদের দিকে তাকান।’

এভাবে প্রতিনিয়ত ফেসবুকে হতাশার কথা ব্যাক্ত করছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, ভর্তি পরীক্ষায় আগের জিপিএ বহাল রাখা হোক।

জানা যায়, ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শুরু থেকেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা। দেশের একমাত্র আবাসিক উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি প্রথমে সিলেকশন পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়। পরে ছাত্রছাত্রীদের প্রতিবাদের মুখে সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে।

সর্বশেষ গত ১৮ই জুন প্রকাশিত হয় জাহাঙ্গীরনগরের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি এবং ভর্তি আবেদন শুরু হয় ২০শে জুন থেকে। কিন্তু এবারের ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে বাড়ানো হয় আবেদনের যোগ্যতা। এতে বিপদে পড়েছে তিন বছর ধরে প্রস্তুতি নেওয়া সেকেন্ড টাইম শিক্ষার্থীরা।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গাণিতিক ও পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ক এ-ইউনিটে আবেদনের যোগ্যতা এসএসসি ও এইচএসসিতে আলাদাভাবে ন্যূনতম ৪ ও সর্বমোট জিপিএ-৮ দশমিক ৫০ থাকতে হবে।

সমাজবিজ্ঞান অনুষদের বি-ইউনিট এবং কলা ও মানবিক অনুষদের সি-ইউনিটে আবেদন যোগ্যতা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে আলাদাভাবে ন্যূনতম ৩ দশমিক ৫০ ও সর্বমোট জিপিএ-৮ নির্ধারণ করা হয়েছে।

সি-১ ইউনিটের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগে আবেদনের জন্য আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ-৩ দশমিক ২৫ এবং সর্বমোট ৬ দশমিক ৫, চারুকলা বিভাগের জন্য আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ-৩ দশমিক ৫০ এবং সর্বমোট জিপিএ-৭ থাকতে হবে।

জীববিজ্ঞান অনুষদ তথা ডি-ইউনিটে আবেদনের জন্য আলাদাভাবে ন্যূনতম ৪ এবং সর্বমোট জিপিএ-৯ থাকতে হবে।

বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ তথা ই ইউনিটের জন্য এসএসসি ও এইচএসসিতে আলাদাভাবে জিপিএ ন্যূনতম ৩ দশমিক ৭৫ এবং সর্বমোট ৭ দশমিক ৫০ ও বিজ্ঞান শাখার জন্য আলাদাভাবে জিপিএ-৪ এবং সর্বমোট ৮ থাকতে হবে।

আইন অনুষদ অর্থাৎ এফ-ইউনিটে আবেদনের জন্য এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ আলাদাভাবে ন্যূনতম ৪ এবং সর্বমোট ৮ থাকতে হবে। তবে বিজ্ঞান শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য সর্বমোট জিপিএ-৮ দশমিক ৫০ থাকতে হবে।

আইবিএ ইনস্টিটিউট অর্থাৎ জি-ইউনিটে আবেদনের জন্য জিপিএ আলাদাভাবে ন্যূনতম ৪ এবং সর্বমোট ৮ থাকতে হবে। তবে বিজ্ঞান শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য জিপিএ থাকত হবে সর্বমোট ৯।

ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি বা এইচ-ইউনিটে আবেদনের ক্ষেত্রে এসএসসি ও এইচএসসিতে আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ-৪ এবং সর্বমোট জিপিএ-৯ থাকতে হবে।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু ও তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি তথা আই-ইউনিটের জন্য জিপিএ আলাদাভাবে ন্যূনতম ৩ দশমিক ৫০ করে সর্বমোট ৭ দশমিক ৫০ থাকতে হবে। তবে বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য জিপিএ সর্বমোট ৮ থাকতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় এ, বি, সি, ডি ও ই-ইউনিটের প্রতিটিতে আবেদনের জন্য ইউনিট ফি ধরা হয়েছে ৬০০ টাকা। এছাড়া সি-১, এফ, জি, এইচ, আই ইউনিটের জন্য আবেদন ফি ধরা হয়েছে ৪০০ টাকা। আবেদন ফি মোবাইল ব্যাংকিং বিকাশ, নগদ, রকেটের মধ্যমে পরিশোধ করা যাবে।

এই বিষয়ে ভর্তিচ্ছু নাফিসা নামের এক ছাত্রী বলেন, ‘এর আগে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পূর্বের নিয়মে পরীক্ষা গ্রহণের কথা বলেন। কিন্তু এখন যোগ্যতায় পরিবর্তন এনে আমাদের সাথে প্রতারণা করা হয়েছে।’

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (23)
মাহাদী হাসান মেহেদী ২৩ জুন, ২০২১, ১:৩৯ পিএম says : 0
আমি একজন সেকেন্ড টাইমার। আমি চাই প্রায় ৩ বছরের রাত জাগা স্বপ্ন জেনো বিথা না যাই। জাবি পূর্বে এর মতো জেনো পরিখা নেয়। না এতো কষ্ট আর ভালো লাগে না।
Total Reply(0)
নাফিজ ইকবাল ২৩ জুন, ২০২১, ২:২০ পিএম says : 0
চান্স পাওয়া না পাওয়া পরের কথা ,এত কষ্ট করে ২০১৯ থেকে প্রস্তুতি নিচ্ছি অন্তত পরীক্ষা টা দিতে দিন ???? আগের নিয়ম বহাল চাই ????
Total Reply(0)
এস,এম,এন সোহান ২৩ জুন, ২০২১, ২:৪১ পিএম says : 0
আমাদের মত হাজারো সেকেন্ড টাইমার এর স্বপ্ন একমাত্র জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। প্রায় তিন বছর ধরে আমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার জন্য অনেক কষ্ট করে যাচ্ছি। এখন শেষ সময়ে এসে বলা হচ্ছে আমরা নাকি পরীক্ষা দেওয়ার যোগ্য নই। কিন্তু কি দোষ করেছিলাম আমরা। পাইনি তো কোন অটো পাস কাজেই আমাদের রেজাল্ট অটো পাস ধারীদের মত এতটা ভালো নয়। কিন্তু আমরা তো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার জন্য তিনটা বছর ধরে কষ্ট করেছি। এর জন্য হলেও আমাদের একটু পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দিয়েন।
Total Reply(0)
মোঃ জাহিদ হাসান জনি ২৩ জুন, ২০২১, ২:৫৫ পিএম says : 0
দেশের শিক্ষাব্যাস্থা দিন দিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।এভাবে শিক্ষাথীদের স্বপ্ন নষ্ট করে দিচ্ছে। সরকারের এ বিষয় গুলো নজরে আনা দরকার।পরিক্ষা নেয়া হয় শিক্ষার্থীদের নেয়ার জন্য বাদ দেয়া এর জন্য নয়। ১০ -১২ বছর পড়া লেখা করে যদি পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিক্ষা দিতে না পারলাম তাহলে পড়া লেখা করে কি হল।এটা কি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা?????গণ্যমাধ্যম গুলোকে এ বিষয়ে নজর দিতে হবে। আশা করি সব সময় শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবেন ধন্যবাদ
Total Reply(0)
মামুন ২৩ জুন, ২০২১, ৩:০৭ পিএম says : 0
জাবি এইটা ঠিক করেছে ।আমিও একজন সেকেন্ড টাইমার।কারণ দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই এইটা করা হইছে ।জাবির এই উদ্যোগ কে আমি স্বাগত জানাই।কারণ hsc তে খারাপ results ছাত্রছাত্রী রা।সেই দায় ভার তো জাবি নিবে না প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন সার্কুলার যেটা আছে সেইটাই থাকবে।কিছু পাগলের কথায় আর লাফালাফি তে যেনো কোনো পরিবর্তন না হয়
Total Reply(0)
স্বাধিন ২৪ জুন, ২০২১, ৩:৩২ পিএম says : 0
ডি ইউনিটে অাগের নিয়ম বহাল চাই
Total Reply(0)
Mahareen Nazmin ২৪ জুন, ২০২১, ৬:৫৯ পিএম says : 0
আমাদের সেকেন্ট টাইমারদের একটা সুযোগ দেওয়া হোক। পয়েন্ট রিকোয আমাদের সেকেন্ট টাইমারদের একটা সুযোগ দেওয়া হোক। শুধুমাত্র আমাদের সেকেন্ড টাইমারদের জন্য হলেও পূর্বের সার্কুলার বহাল রাখা হোক
Total Reply(0)
মাথা গরম ২৫ জুন, ২০২১, ১২:৫৯ পিএম says : 0
জাবি ফালতু একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কমিটির মুখে ... সবাই । অনতিবিলম্বে ... এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে হবে। না হলে দায়িত্বশীলদের বিরূদ্ধে কঠোর আন্দোলনের ডাক দিব ।
Total Reply(0)
তাহমিনাসুলতানা ২৪ জুন, ২০২১, ২:২২ পিএম says : 0
বিগত দুই বছর ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম আর পরিবারের হাজার হাজার টাকা নষ্ট করে আজ পরীক্ষা না দিতে পারা কতটা কষ্টের আজ আমরা সেকেন্ড টাইমাররা বুঝি।অতি আশা নিষ্ফল
Total Reply(0)
মোঃ রাসেল মাহমুদ ২৩ জুন, ২০২১, ৪:৪৪ পিএম says : 0
জাবির ভর্তি পরীক্ষায় এমন অমানবিক পরিবর্তনে আমরা আশা হত। বিগত দুই বছর ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম আর পরিবারের হাজার হাজার টাকা নষ্ট করে আজ পরীক্ষা না দিতে পারা কতটা কষ্টের আজ আমরা সেকেন্ড টাইমাররা বুঝি। যারা এবার অটো পাশ করেছে তাদের সবার ফলাফল ভালো হলেও আমাদের মতো ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের অসংখ্য শিক্ষার্থীর ফলাফল খারাপ। কিন্তু তাই বলে তারা যোগ্য শিক্ষার্থী নয়? জীবনের দুটি বছর শেষে এখন হুট করে জাবির ভর্তি পরীক্ষার নোটিশ পরিবর্তন একান্ত অযৌক্তিক। যদি পরিবর্তন করতে হয় তবে ১ বছর পূর্বে জানাতে হবে। অন্যথায় বর্তমান নোটিশ অনুযায়ী মোট পয়েন্ট এবং ইংরেজিতে এ- রিকুয়েরমেন্ট এর কারণে হতাশায় জীবন যাবে অনেক শিক্ষার্থীর। যার দ্বায় ভার কখনো জাবি প্রশাসন নিবে না। আমার কথা গুলো নিউজে তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ♥
Total Reply(0)
মোঃ আব্দুল মোমিন ২৩ জুন, ২০২১, ৮:১৫ পিএম says : 0
★ জাবির পূর্বের নোটিশ বহাল চাই!!! হাজারো ছাত্র-ছাত্রীর স্বপ্ন এভাবে ধ্বংস করবেন না। বিশেষ করে সেকেন্ড টাইমার, যারা দুই বছর JU এর স্বপ্ন নিয়ে পড়াশোনা করেছে। আমরা জানি ২০২০ এইচএসসিতে অটোপাস দেওয়ায় সবার রেজাল্ট ভালো হয়েছে কিন্তু ২০১৯ সালে তো অটোপাস ছিলো না। তাই, ২০২০ সালের অটোপাশের দায়ভার আমাদের উপর চাপাবেন না। ????????????
Total Reply(0)
সবুজ রায় ২৩ জুন, ২০২১, ৮:৫৬ পিএম says : 0
পরীক্ষা হয়ে গেলে, আগামী পরীক্ষা জন্য GPA এবং সকল বিষয় নোটিশে বলে দেওয়া উচিত। আসলে স্কুল কলেজ university পরীক্ষা সমপর্ক ছাএছাএী জানে না। দুটি পরীক্ষা মধ্যেএকটি শেষ । গুচ্ছ সিলেকশন অপেক্ষা করতে আছি।
Total Reply(0)
MD.arifur rahman ২৩ জুন, ২০২১, ৯:৩০ পিএম says : 0
Amio akjn 2nd timer .2bsr avabe lorai kra aj sopno tai nstw kra dilo.jbn ta aj amn hbe khno vabta pari nai.aibr ontottw ager circular ta bohal rakuk
Total Reply(0)
মশিউর রহমান ২৩ জুন, ২০২১, ৬:৩৬ পিএম says : 0
বিগত দুই বছর ধরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য পড়াশোনা করছি। স্বপ্ন ছিল একটাই দেশ ও জাতির কল্যানে কাজ করবো। কিন্তু আজ পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারছি না। প্লিজ আমাদের যোগ্যতা প্রমান করার সুযোগ দিন।
Total Reply(0)
111 ২৩ জুন, ২০২১, ১০:৩৯ পিএম says : 0
কোনো কারণ ছাড়াই নানা অজুহাতে জিপিএ বাড়ানো হয়েছে। চাইলে বিভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণ করে আগের নিয়মে পরীক্ষা নেওয়া যেত।যদিও পূর্বে বলেছিল আগের নিয়মে পরীক্ষা নিবে, কিন্তু তারা সে কথাটা রাখে নাই।
Total Reply(0)
Raju Miah ২৩ জুন, ২০২১, ১০:৪৪ পিএম says : 0
আমার জীবনটা ভিক্ষা দেন B নিয়ে ব্যবসায় শিক্ষা থেকে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগটা দেন।
Total Reply(0)
Raju Miah ২৩ জুন, ২০২১, ১০:৪৪ পিএম says : 0
আমার জীবনটা ভিক্ষা দেন B নিয়ে ব্যবসায় শিক্ষা থেকে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগটা দেন।
Total Reply(0)
pallob biswas ২৩ জুন, ২০২১, ১১:৪১ পিএম says : 0
শুধু একটাই অনুরোধ আমাদের মত সেকেন্ডটাইমার দের কথা চিন্তা করে পরীক্ষায় বসতে দেওয়ার সুযোগ করে দিন,,, এ ৩ বছর শুধু জাবি D ইউনিটের জন্য পড়েছি,, সামান্য কিছু পয়েন্টের জন্য পরীক্ষার সুযোগ হারাবো ভাবলেই বুকটা ফেটে যায়,,,বিনীত অনুরোধ আমাদের বঞ্চিত করবেন না। আগের পয়েন্টে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দিন ????????????????????????????????????????
Total Reply(0)
AMANULLAH ২৪ জুন, ২০২১, ১২:০০ এএম says : 0
agar niyoma exam newa hok....agar niyom moto exam nila ju to kono problem nai....valo students chara to kew chance paba na....agar niyom moto exam nita tadar problem kothay?
Total Reply(0)
Nagifa ২৪ জুন, ২০২১, ১:০২ এএম says : 0
আমি একজন সেকেন্ডটাইমার শিক্ষার্থী।গত ২০১৯ থেকে এই পর্যন্ত জাবি র জন্য preparation নিয়ে আসছি। হঠাৎ করেই circular এ GPA বাড়িয়ে দেওয়ার কারণে আমি exam দিতে বসতে টুকু পারছি না।আজ নিজেকে প্রমাণ করা তো দূরের কথা। আমার এত দিনের পরিশ্রম সব বৃথা করে দিল তারা। তারা শুধু আজ আমার সাথে না, আমার বাবা-মায়ের সাথে ও প্রতারনা করেছে।যেই বাবা-মা এই করনা কালীন সময়ে ও নিজেরা না খেয়ে হলেও আমার বই কেনার টাকা পড়াশোনার টাকা জুগিয়েছে। নিজের সন্তান হলে কি তারা এমন অবিচার করতে পারত !এত বছরের পরিশ্রম আমার আজ কোথায় গেল!!???? । আমাদের GPA auto দের তুলনায় কম বলে কি আমরা করনায় আক্রান্ত।আমরা exam দিতে ব্সলে তাদের করনা attack করবে।আর বেশি GPAধারী auto student রা গেলে তাদের করনা attack করতে পারবেনা। ব্যাপারটা কি এমন হয়ে গেল না। জাবি তে তো এমনিতেই shiftকরে exam হয়। আমাদের যখন বাদ দেওয়ারই ছিল তাহলে তারা এটা দেড় বছর আগে কেন জানাল না। আমাদের দেড় বছর এর কষ্ট আজ কোথায় যাবে।Gpa যখন তারা হিসাবই করছে তাহলে আমাদেরও (2nd timer) একটা auto result তৈরি করে তারপর GPA তুলনা করুক। আমাদের দোষ কি তাহলে আজ এটাই যে আমরা কেন free তে certificate পেলাম না।এত শিক্ষিত মানুষ হয়ে তারা আজ আমাদের এই দাড়িপাল্লায় হিসাব করল!!!!! আমাদের দাবি আজ একটাই ???????? পূর্বের GPA বহাল চাই। আর তা যদি না করতে পারে তাহলে আমাদের দেড় বছরের কষ্টের ক্ষতি পূরণ চাই
Total Reply(0)
Nasim khan ২৪ জুন, ২০২১, ৭:২৩ এএম says : 0
আমি ২০২১ পরিক্ষারর্থী,আমি জানি অটো পাস দেয়াতে হাজারও ভালো ছাত্রের রেজাল্ট খারাপ হয়েছে। আনেকেই SSC খারাপ হওয়ার কারনে HSC অনেক পড়াশোনা করেছে,আমি জানি। আমার একটাই কথা আপনারা অটো পাস দিছেন এখন Just সবাইকে exam দিতে দেন।।। Problem কোথায় আপনারা সেড়াটাকে বাসাই করে নেন।।।। আজ যারা পরিক্ষা দিতে পারিতেছেনা তাদের মধ্যে অনেক সংগ্রামী ছাত্রআছে।
Total Reply(0)
Taspia Tabassum ২৪ জুন, ২০২১, ১০:৩৭ এএম says : 0
আমি একটা জন্য সেকেন্ড টাইমার।আমি বুঝি স্বপ্ন ভাঙ্গার কষ্ট।২০১৯ সাল থেকে জাতির জন্য পড়িতেছি।২০২১ সালে শুনি আমি অযোগ্য। পরীক্ষা ই দিতে পারবো না।জাবির জন্য ন্যাশনালে ও পড়ি নাই।আজ আমি দুই কূল হারিয়ে দিশেহারা।কত বই কিনছি,কত টাকা নষ্ট করছি।আমার পরিবারও এটা মানতে পারছে না। কত পরিশ্রম করেছি।আমাদেরকে সুযোগ দেয়া হোক।আমরা আমাদের যোগ্যতার পরিচয় দিবো।প্লিজ আগের সার্কুলার অনুযায়ী পরীক্ষা নেয়া হোক।
Total Reply(0)
মোঃ রাসেল মাহমুদ ২৩ জুন, ২০২১, ৪:৫৯ পিএম says : 0
জাবির ভর্তি পরীক্ষায় এমন অমানবিক পরিবর্তনে আমরা আশা হত। বিগত দুই বছর ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম আর পরিবারের হাজার হাজার টাকা নষ্ট করে আজ পরীক্ষা না দিতে পারা কতটা কষ্টের আজ আমরা সেকেন্ড টাইমাররা বুঝি। যারা এবার অটো পাশ করেছে তাদের সবার ফলাফল ভালো হলেও আমাদের মতো ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের অসংখ্য শিক্ষার্থীর ফলাফল খারাপ। কিন্তু তাই বলে তারা যোগ্য শিক্ষার্থী নয়? জীবনের দুটি বছর শেষে এখন হুট করে জাবির ভর্তি পরীক্ষার নোটিশ পরিবর্তন একান্ত অযৌক্তিক। যদি পরিবর্তন করতে হয় তবে ১ বছর পূর্বে জানাতে হবে। অন্যথায় বর্তমান নোটিশ অনুযায়ী মোট পয়েন্ট এবং ইংরেজিতে এ- রিকুয়েরমেন্ট এর কারণে হতাশায় জীবন যাবে অনেক শিক্ষার্থীর। যার দ্বায় ভার কখনো জাবি প্রশাসন নিবে না। আমার কথা গুলো নিউজে তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ♥
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন