শনিবার, ২৮ মে ২০২২, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২৬ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

তৎকালীন সেনাপ্রধান দায় এড়াতে পারেন না

বঙ্গবন্ধু হত্যা সম্পর্কে আলোচনা সভায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১ জানুয়ারি, ২০২২, ১২:০২ এএম

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যার দায় তৎকালীন চিফ আর্মি স্টাফসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা এড়াতে পারেন না। জাতির পিতার খুনের সাথে জড়িত সকলকে জনসমক্ষে আনতে হবে। জীবিতদের সাথে সাথে যারা মৃত্যুবরণ করেছেন, তাদেরও বিচারের আওতায় এনে তাদের পরিচয় জাতির সামনে উন্মোচন করতে হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নয়, ঘাতকরা ৭৫-এর ১৫ আগস্ট একটি জাতিকে হত্যা করেছে। এ দেশের মাটি ও মানুষ দিয়ে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশকে এশিয়ার সুইজারল্যান্ড বানানোর স্বপ্ন দেখেছিলেন।
গতকাল শুক্রবার রাজধানীর আইডিইবি ভবনে বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা প্রকৌশলী পরিষদ আয়োজিত মুজিববর্ষ স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন : সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বাস্তবায়নে করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু সব মানুষের হৃদয়ের নেতা ছিলেন। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর নিকট বারবার আবেদন-নিবেদন করেছেন বাঙালির ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য। এর বিনিময় বঙ্গবন্ধুকে অসংখ্যবার কারাগারে যেতে হয়েছে। সহ্য করতে হয়েছে অমানবিক নির্যাতন। তারপরেও অন্যায়ের কাছে কখনো মাথানত করেননি। তাজুল ইসলাম বলেন, বাঙালি জাতিকে দারিদ্র্য রেখে বিদেশিদের নিকট ভিক্ষা চাওয়ার অধিকার এদেশের জনগণ কাউকে দেয়নি। কিন্তু বিএনপি ক্ষমতায় থেকে এ কাজগুলোই করেছে। ৭৫-এর প্রেতাত্মারা মানুষকে নানাভাবে বিভ্রান্ত করেছে। তাদের উত্তরসূরিরা এখন সেই অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এসব ষড়যন্ত্র রুখে দিতে বাংলার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহŸান জানান তিনি। দেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ করতে হলে সকল মানুষকে সাথে নিয়ে করতে হবে। কাউকে বাদ দিয়ে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। আর এই নীতি অনুসরণ করছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আজ উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা গড়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি লক্ষ্য নির্ধারন করেছেন। এই লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে আমাদের মাথাপিছু গড় আয় দরকার সাড়ে ১২ হাজার ডলার। বর্তমানে আয় হচ্ছে ২ হাজার ৫৫৪ ডলার।
ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের সমস্যা সমাধান এবং যৌক্তিক দাবি পূরণের আশ্বাস দিয়ে কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য করে মন্ত্রী বলেন, কাজের কোয়ালিটি ঠিক রাখা, প্রজেক্টের টাইম লাইন মানা এবং অযৌক্তিক অবকাঠামো নির্মাণ না করতে মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নিম্নমানের কাজের জন্য অনেককে বরখাস্ত করা হয়েছে। যেই অনিয়ম করবে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। ভালো কাজের জন্য পূরস্কার এবং খারাপ কাজের জন্য তিরস্কার এই নীতি অনুসরণ করে তার মন্ত্রণালয় চলছে।
বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা প্রকৌশলী পরিষদের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মো. খবির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, আইডিবির সভাপতি একেএমএ হামিদ এবং সাধারণ সম্পাদক মো. শামসুর রহমান।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন