বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২, ১৬ আষাঢ় ১৪২৯, ২৯ যিলক্বদ ১৪৪৩ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

হাইকোর্ট ‘গায়েব নথি’ খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছেন

চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলা

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২২, ১২:০৩ এএম

চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলার গায়েব হওয়া নথি দ্রুত খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। রিটের শুনানি শেষে গতকাল সোমবার বিচারপতি মামনুন রহমান এবং বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এ তথ্য সাংবাদিকদের জানিয়েছেন রিটের পক্ষের আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল হারুন রাসেল। সরকারপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার ও সহকারি অ্যাটর্নি জেনারেল সেলিম আজাদ শুনানিতে অংশ নেন।
এর আগে গত ৭ ফেব্রুয়ারি চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলার বিচার দ্রুত নিষ্পত্তি এবং নথি গায়েবের বিষয়ে তদন্ত চেয়ে রিট করা হয়। রিটে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ও ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্রুনাল-২, ঢাকা জেলা প্রশাসকসহ ৬ জনকে বিবাদী করা হয়।
রিটে চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলার বিষয়ে ২৩ জানুয়ারি একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করা হয়। ‘খুনের মামলা গুম’ শিরোনামের ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরীকে ১৯৯৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর বনানীর ট্রাম্পস ক্লাবের নিচে গুলি করে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় তার বড় ভাই তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী গুলশান থানায় মামলা করেন।
তদন্ত শেষে গোয়েন্দা পুলিশ ১৯৯৯ সালের ৩০ জুলাই ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয়। ২০০১ সালের ৩০ অক্টোবর ওই মামলায় অভিযোগ গঠন করা হয়। পরে বিচারের জন্য পাঠানো হয় ঢাকার ২ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে। মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আসামি আদনান সিদ্দিকী ২০০৩ সালের ১৯ নভেম্বর হাইকোর্টে রিট করেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ২০০৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুলসহ আদেশ দেন।
বিচারপতি মো. রূহুল কুদ্দুস এবং বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর ওই সময়কার ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ৫ আগস্ট রায় দেন। রায়ে রুলটি খারিজ করে দেয়া হয়। প্রত্যাহার করা হয় হাইকোর্টের দেয়া স্থগিতাদেশও। কিন্তু সেই রায় আর বিচারিক আদালতে পৌঁছায়নি। সেই মামলার নথিও খুঁজে পাওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত ১৯৮৪ সালের ‘নতুন মুখের সন্ধান’র মাধ্যমে ঢাকাই চলচ্চিত্রে আবির্ভাব ঘটে ঢাকার প্রতিভাবান তরুণ সোহেল চৌধুরীর। ১৯৮৬ সালে সোহেল চৌধুরীর প্রথম অভিনীত চলচ্চিত্র মুক্তি পায়। ওই বছরেই নির্মাতা এফ কবির চৌধুরী পরিচালিত পর্বত চলচ্চিত্রের মাধ্যমে অভিষেক হয় তার। তিনি ৩০টিরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।
ঢাকাই চলচ্চিত্রে যে ক’জন সুদর্শন অভিনেতা এসেছেন সোহেল চৌধুরী তাদের একজন। সোহেল চৌধুরী কযেকটি ছবিতে পার্শ্ব-চরিত্রেও অভিনয় করেন। ১৯৮৬ সালে তিনি আরেক ‘নতুন মুখ’ দিতির সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবন্ধ হন। তবে নব্বই দশকে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। সোহেল চৌধুরী-দিতি দম্পতির এক ছেলে এক মেয়ে রয়েছে। ২০১৬ সালে দিতিও মারা যান।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (4)
Israt Jahan Isita Israt ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২২, ৭:৫২ এএম says : 0
আমাদের চিত্র সমাজ কে যারা নষ্ট করচে তাদেরকে পাসি দেওয়া হক
Total Reply(0)
Milon Mahamud ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২২, ৭:৫২ এএম says : 0
সালমান শাহ আর মান্না ছিলো রাংলার জনপ্রিয় নায়ক
Total Reply(0)
Shermin Mala ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২২, ৭:৫২ এএম says : 0
সালমান শাহর মত এই নায়কের অভিনয়ও খুব ভালো লাগত।অনেক স্টাইলিশ হিরো ছিল
Total Reply(0)
Iqbal Hossain Moni ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২২, ৭:৫৩ এএম says : 0
সম্ভবত টাকার পাহাড় ছবিটি সোহেল চৌধুরী ই করেছিলো
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Google Apps