শুক্রবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯, ১৪ জামাদিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিজরী

সারা বাংলার খবর

বগুড়ায় অভিজাত ফ্লাটে কলগার্ল নিয়ে ফুর্তিকালে তিন সরকারি কর্মকর্তা আটক

লক্ষাধিক টাকা ও রাশিয়ান রুবল জব্দ

বগুড়া ব্যুরো | প্রকাশের সময় : ৫ অক্টোবর, ২০২২, ৬:১৮ পিএম

বগুড়ায় একটি অভিজাত হোটেলে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ১ কলগার্ল, ৫ খদ্দের সহ ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতদের কাছ থেকে নগদ লক্ষাধিক টাকা, কয়েকটি বিদেশি মুদ্রা রুবল, গ্রেফতার ৫ পুরুষের মধ্যে ১ জন পি আইও পর্যায়ের কর্মকর্তা সহ তিন জন সরকারি কর্মকর্তা রয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে বগুড়া শহরের শিববাটিস্থ সুবিল খলের দক্ষিণ পাশের ভান্ডারী সিটি টাওয়ারের ফ্লাটে পুলিশের অভিযানে উল্লেখিতদের আটক করা হয়।

উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্বদানকারী টাওয়ারের নিকটস্থ ফুলবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির দারোগা মজিবর রহমান জানান, ভান্ডারী সিটি টাওয়ার বিল্ডিংয়ের একটি ফ্ল্যাটে কলগার্ল সহ ফ্লাট মালিককে আটকে রাখা হয়েছে মর্মে খবর আসে সদর থানার ওসি নুর আলমের কাছে।

ওসির নির্দেশে তিনি ভান্ডারী টাওয়ারে অভিযান চালিয়ে তিনি অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে উল্লেখিত ৬ জনকে উদ্ধার ও পরে আটক করে সদর থানায় নিয়ে আসেন।
আটক কলগার্লের নাম মাকসুদা আকতার। সে বরগুনার বেতাগী উপজেলার চাটখালি গ্রামের আশরাফ আলী শিকদারের কন্যা বলে নিজের পরিচয় দিয়েছে।

আটক খদ্দেররা হল বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার তালোড়া এলাকার আরিফুল ইসলাম, মোঃ রনি ও আসাদুজ্জামান। সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার প্রাণনাথপুর গ্রামের হাসিবুল হাসান এবং বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার দেবখন্ড গ্রামের শাহরিয়ার মাহমুদ। আটককৃতদের মধ্যে আরিফুল ইসলাম পি আই ও হিসেবে এবং আরও তিনজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে চাকুরিরত আছেন বলে জানা গেছে। বাকি একজন নারী সরবরাহকারী দালান এবং অন্যজন মস্কো প্রবাসী ব্যবসায়ী।

বগুড়া শহরের ভান্ডারী সিটি টাওয়ারের বাসিন্দারা জানান, পি আই ও আরিফুল ইসলামের মালিকানাধীন ফ্লাটে তার ফ্যামিলী থাকেনা। এই সুযোগে মাঝে মাঝেই তিনি ও তার বন্ধুরা কর্লগাল ভাড়ায় এনে ফুর্তি করতেন। একাধিকবার ফ্লাট ওনার্স এ্যাসোসিয়েশন সদস্যরা তাদের হাতেনাতে ধরে সংশোধন হওয়ার শর্তে ছেড়েও দেন। তারপরও তিনি সংশোধিত না হয়ে পুনরায় পুজার ছুটির
সুযোগে ফ্লাটে কলগার্ল তুললে তাকে ফ্লাটে অবরোধ করে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
বুধবার সন্ধ্যায় যোগাযোগ করা হলে দারোগা মজিবর রহমান জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ২৯০ ধারায় মামলা দিয়ে কোর্টে পাঠানো হয়েছে। তবে কোর্ট তাদেরকে জামিন দিয়েছে নাকি

তাদেরকে জেল হাজতে পাঠিয়েছে সেটা তিনি জানেননা। তবে উল্লেখিত আসামিরা তাদের কাছ থেকে জব্দ করা মোবাইল, টাকা পয়সা, বিদেশি মুদ্রা রুবল নিতে থানায় আসেনি বা যোগাযোগ করেনি।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (1)
Abu. Faiz Bulbul ৫ অক্টোবর, ২০২২, ৭:১৯ পিএম says : 0
Good job.
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন