ঢাকা, রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬, ২৩ যিলহজ ১৪৪০ হিজরী।

ইসলামী জীবন

ইসলামী কর্মতৎপরতা

বাংলাদেশ ইন্টেলেকচুয়াল মুভমেন্ট

| প্রকাশের সময় : ৩১ মে, ২০১৯, ১২:০৯ এএম


কল্যাণ রাষ্ট্রের উপযোগী বাজেট প্রণয়নের প্রতি সরকারকে আহবান জানিয়ে ১৮মে, রোজ শনিবার মোতাবেক ১১রমযান বিকালে বাংলাদেশ ইন্টেলেকচুয়াল মুভমেন্ট (বিআইএম) এর অস্থায়ী কার্যালয়ে এক প্রাক বাজেট পরামর্শ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ৫টি প্রস্তাবনা চূড়ান্ত করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের হাতে পৌঁঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইন্টেলেকচুয়াল মুভমেন্ট (বিআইএম) এর সভাপতি, বিশিষ্ট সাংবাদিক, কলামিষ্ট উবায়দুর রহমান খান নদভীসহ বিআইএম এর সম্পাদক সৈয়দ শামছুল হুদা, সহসম্পাদক আব্দুল গাফফার এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞগণ।
সভায় গৃহিত ৫টি প্রস্তাব : ক। দরিদ্র এতিম, অসহায় বিধবা, অতিবৃদ্ধ, কর্মেঅক্ষম, বিপন্ন প্রতিবন্ধি, নিঃসন্তান অসহায় পিতা-মাতা, ঋণ জর্জরিত ব্যক্তি, নিরপরাধ কারাবন্দী, অসহায় বেকারসহ সমাজের পিছিয়ে পড়া প্রতিটি নাগরিকের নিখুঁত তালিকা করে প্রত্যেকের জন্য স্বতন্ত্র ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে যথেষ্ট পরিমান আর্থিক সহায়তা দেওয়ার নিশ্চয়তা বাজেটে থাকতে হবে।

খ। রাষ্ট্রের তত্ত¡াবধানে দলীয় রাজনীতিমুক্ত প্রকৃত খোদাভীরু বিশেষজ্ঞ আলেম ও অর্থনীতিবিদ সমন্বয়ে কেন্দ্রীয় যাকাত ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ গঠন করে বাজেটে শরিয়ত সম্মত পন্থায় যাকাতের সমন্বয় করতে হবে।
গ। বাজেটের অপচয়রোধ, সকলক্ষেত্রে দুর্নীতিদমন, অর্থের সর্বাধিক সঠিক ব্যবহার ও কল্যাণমূলক বাজেট ভাবনা আক্ষরিক অর্থেই প্রয়োগ করতে হবে।
ঘ। জাতীয় পর্যায়ের নানা অবক্ষয়ে মানুষ আজ দিশেহারা। এক্ষেত্রে নৈতিকতা ও সামাজিক মূল্যবোধের চর্চার কোন বিকল্প নাই। অতএব, মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন, খতীব, মাদ্রাসার শিক্ষক, ধর্মীয় উপদেশকসহ সমাজ ঘনিষ্ট আলেম-উলামা, পীর-মাশায়েখ ও ধর্মীয় সামাজিক শক্তিকে আরো সক্রিয় করার জন্য বাজেটে বরাদ্দ রাখতে হবে।
ঙ। বাজেট প্রণয়নে আধুনিক কল্যাণ রাষ্ট্রের ধারণা ও কুরআন-সুন্নাহর প্রেরণা সন্নিবেশিত করার জন্য সংশ্লিষ্টক্ষেত্রে যোগ্য নাগরিক ও বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নিতে হবে।
ইসলামি আকিদা সংরক্ষণ পরিষদ হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী হাফি.বলেছেন, হেযবুত তাওহীদ যেসকল কার্যক্রম পরিচালনা করে তা সম্পূর্ণ ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক। তারা ইসলামের নামে যেসব সন্ত্রাসবাদের কথা বলে তা ইসলাম সমর্থন করেনা। ইসলামি আকিদা সংরক্ষণ পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত পুরানা পল্টনস্থ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন মিলনায়তনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আল্লামা বাবুনগরী এসব কথা বলেন।

আল্লামা বাবুনগরী বলেন, হেযবুত তাওহীদ একটি ভ্রান্ত ইসলাম বিদ্বেষী অপশক্তি। তারা ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে সরলমনা মুসলমানদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। তারা যদি এভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যায় তাহলে এটা রাষ্ট্রের জন্য বড় ধরণের হুমকির কারণ হবে।

আল্লামা বাবুনগরী সরকারের নিকট দাবী পেশ করে বলেন, আমরা খতমে নবুওতের ব্যানারে কাদিয়ানীদেরকে অমুসলিম ঘোষণা করার দাবী জানিয়েছি। এখন আমাদের দাবী হলো কাদিয়ানীদের সাথে হেযবুত তাওহীদকেও রাষ্ট্রীয় ভাবে অমুসলিম ঘোষণা করতে হবে।
তারা বাংলাদেশের আনাচে কানাচে যত কার্যক্রম পরিচালিত করে তা সরকারি বাহিনীর মাধ্যমে সমূলে উৎখাত করতে হবে। তাদের কোনো কার্যক্রম হতে দেওয়া যাবেনা।

তারা নানানভাবে আমাদের উলামায়ে কেরামগণকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। উলামায়ে কেরাম হচ্ছেন নবীর উত্তরসূরী। অবিলম্বে উলামায়ে কেরামগণের বিরুদ্ধে করা সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। আল্লামা বাবুনগরী আরো বলেন, আমাদের কোনো ভূমিকা সরকারের বিরুদ্ধে নেই। কেউ যখন ইসলামের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলে আমরা তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করি, আন্দোলন করি। নাস্তিক-মুরতাদ, কাদিয়ানী ও হেযবুত তাওহীদ সহ সকল ইসলাম বিদ্বেষী অপশক্তির বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
সংগঠনের আহ্বায়ক মুফতী রিজওয়ান রফিকীর সভাপতিত্বে এতে আরো বক্তব্য রাখেন, মাওলানা গাজী ইয়াকুব, মুফতী আবদুল্লাহ ইয়াহইয়া, মুফতী লুতফুর রহমান ফরায়েজী, মাওলানা আব্দুর রহীম আল মাদানী, মাওলানা ইসমাঈল বেলায়েত হুসাইন, মুফতী ইলিয়াস হামিদী, মুফতী ওমর ফারুক যুক্তিবাদী প্রমুখ।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন