ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৪ আশ্বিন ১৪২৬, ১৯ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী।

বিনোদন প্রতিদিন

যৌনকর্মীদের উদ্দেশ্যে ‘মায়াবতী’ উৎসর্গ করলেন তিশা

বিনোদন রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৬:০৬ পিএম

‘মায়া’ নামে এক কিশোরী ছোটবেলায় মায়ের কাছে থেকে চুরি হয়ে যায়। পরে তাকে বিক্রি করা হয় রাজবাড়ির দৌলতদিয়া যৌন পল্লীতে। সেখানেই বেড়ে ওঠে মায়া। সংগীত গুরু খোদাবক্স তাকে বড় করে তোলেন। এ সময় এক ব্যারিস্টার পুত্রের প্রেমে পড়েন মায়া। এমনই একটি গল্পে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্র ‘মায়াবতী’। এতে মায়া চরিত্রে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা। তিশার বিপরীতে আছেন ‘স্বপ্নজাল’ খ্যাত নায়ক ইয়াশ রোহান। সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন ফজলুর রহমান বাবু, রাইসুল ইসলাম আসাদ, দিলারা জামান, মামুনুর রশীদ, ওয়াহিদা মল্লিক জলি, আফরোজা বানু, অরুনা বিশ্বাস, তানভীর হোসেন প্রবাল। এছাড়া বিশেষ একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন কণ্ঠশিল্পী আগুন।

আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর ‘মায়াবতী’ মুক্তি পেতে যাচ্ছে। এ উপলক্ষে গতকাল সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামটরে একটি সংবাদ সম্মেলন করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে উপস্থিত ছিলেন সিনেমাটির অন্যতম অভিনেত্রী তিশা, ইয়াশ রোহানসহ সংশ্লিষ্ট অনেকে। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন গণমাধ্যম কর্মীরা।

অনুষ্ঠানটিতে উপস্তিত থেকে সিনেমাটি সম্পর্কে তিশা বলেন, ‘একটি ভালো সিনেমা বলতে দর্শক যেটা বোঝেন ‘মায়াবতী’ এমনই একটি সিনেমার নাম। সবাইকে প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে সিনেমাটি দেখার আমন্ত্রণ জানায়। আশা করছি ‘মায়াবতী’ দর্শকদের অনেক ভালো লাগবে। কারণ আমরা যারা সিনেমাটির সঙ্গে জড়িত তারা সবাই তাদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।’

তিশা আরও বলেন, ‘ সিনেমাটি সম্পর্কে একটি কথা সবাইকে জানাতে চাই। এই সিনেমাটিতে একটি মেসেজ আছে। প্রত্যেক মানুষের ‘না’ বলার অধিকার আছে। সবার এই ‘না’কে শ্রদ্ধা করা উচিত।’

সিনেমাটির শুটিংকালীন অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে তিশা বলেন, ‘আমরা এই সিনেমার একটি বড় অংশের শুটিং করেছি দৌলতদিয়ার যৌন পল্লীতে। সেখানকার মানুষেরা আমাদের অনেক সহযোগিতা করেছেন। সিনেমাটি তাদের উৎসর্গ করা উচিত বলে আমি মনে করি।’

সিনেমাটির নায়ক ইয়াশ রোহান বলেন, ‘আমাদের দেশে এখনও নারীদের নানাভাবে নির্যাতন ও হেয় করা হয়। এ সময়ে এমন একটি সিনেমার প্রয়োজন ছিল। নিজের অভিনয় সম্পর্কে বলতে গেলে বলবো আমি নতুন তাই আমার ভুল ত্রুটি থাকবে এটাই স্বাভাবিক। তবে নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা ছিল ক্যামেরায়। আশা করছি দর্শক গালি দিতে পারবেন না।’

এদিকে নির্মাতা অরুণ চৌধুরী বলেন, ‘এ সিনেমায় দেখা যাবে অনেক প্রেম, অনেক আনন্দ এবং অনেক বেদনা। এতে আছে একজন নারীর লড়াই ও প্রতিশোধের কাহিনী। গল্পের সঙ্গে ঠিক রেখে শিল্পী নির্বাচন থেকে শুরু করে প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আমি মনে প্রাণে বিশ^াস করি দর্শক টিকেট কেটে প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে সিনেমাটি উপভোগের পর প্রেক্ষাগ্রহ থেকে বেরিয়ে গালি দিতে পারবেন না।’

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন