ঢাকা, বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২০, ২১ শ্রাবণ ১৪২৭, ১৪ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী

সম্পাদকীয়

চিঠিপত্র

| প্রকাশের সময় : ২৫ জুন, ২০২০, ১২:০১ এএম

চিকিৎসায় স্বচ্ছতা আনুন

পল্লী অঞ্চলে ক্লিনিক নির্মাণ ও বিনা মূল্যে ওষুধ প্রদান সরকারের সফলতা। তদুপরি চিকিৎসা ক্ষেত্রে পুরোপুরি বাংলাদেশ সফলতা অর্জন করতে পারেনি। চিকিৎসার কথা শুনলেই সাধারণ মানুষ আতঙ্কে ভোগে। ভোগান্তির শিকার প্রধানত প্রসূতিরা। কর্তব্যরত ডাক্তারদের অবহেলায় সন্তান রাস্তাতেই ভূমিষ্ঠ হচ্ছে। গজ-কাপড় ভেতরে রেখেই তড়িঘড়ি অপারেশনের পর পেট সেলাই করা হচ্ছে। এমনকি ভেজাল যন্ত্রপাতি দিয়ে রোগ পরীক্ষা ও ভেজাল ওষুধ সেবনে রোগ আরও চরমে। সাধারণ জ্বর বা মাথাব্যথায় ক্লিনিকে গেলে ডাক্তাররা স্বার্থ উদ্ধারে হাজার হাজার টাকার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পরামর্শ দেন। অনেক চিকিৎসক ওষুধ কোম্পানির স্বার্থ বিবেচনা করে ভেজাল ওষুধ ক্রয়ে প্রেসক্রিপশন করেন। নামিদামি ক্লিনিকের ডাক্তাররা রোগীদের সেবার পরিবর্তে টাকা হাতিয়ে নিতে প্রতিনিয়ত অপকৌশল অবলম্বন করছেন। সব হাসপাতালের ওপর নজরদারি বাড়াতে হবে। দরিদ্রদের উন্নত চিকিৎসা প্রদানের সঙ্গে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের সুনজরই স্বাস্থ্যক্ষেত্রে অবদান রাখতে পারে। তাই সরকারি পদক্ষেপসহ মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করে সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হবে।
তাইফুর রহমান মুন্না
মোরেলগঞ্জ, বাগেরহাট।

 

প্রকাশ্যে ধূমপান নয়
ধূমপানের পক্ষে কোনো ভালো যুক্তি দাঁড় করানো সম্ভব নয়। ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এটাই সত্য। তারপরও জেনেশুনে ধূমপানে আসক্ত মানুষ আমাদের সমাজ, রাষ্ট্র ও ঘরেই বিরাজমান। আপনপর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ধূমপান করে থাকে। তাদের ধূমপানের ক্ষতির প্রভাব পড়ে সমাজ, রাষ্ট্র ও ঘরে। জনসমক্ষে ধূমপান নিষিদ্ধ। বাংলাদেশের আইনে আর্থিক জরিমানার বিধানও আছে। নিজ ঘরে আপনজনের সামনে ধূমপানের আইন কী বলে জানা নেই। যদিও ধূমপানকারীর ধোঁয়া তার আপনজনের ওপরও ক্ষতির প্রভাব ফেলে। ধূমপান করা অধিকার। ধূমপায়ীর ধোঁয়ামুক্ত থাকাও তো অধূমপায়ীর অধিকার। ধূমপান শুধু স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকরই নয়, একটি বিরক্তিকর অবস্থারও তৈরি করে। রাস্তায় চলাচলের সময় কোনো ভদ্রলোক একটি সিগারেট জ্বালিয়ে সামনে দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। তিনি স্বাধীনভাবে ধোঁয়া ছেড়ে যাচ্ছেন। ভদ্রলোককে নিয়ে তাদের মাঝে নিশ্চয়ই বাজে ধারণা তৈরি হয়েছে। ঠিক গণপরিবহনেও এই বিরক্তিকর অবস্থা নিত্য। অসংখ্য যাত্রী গিজগিজ করছে পুরো যানবাহনে। এ অবস্থায় দু’একজন সিগারেট জ্বালিয়ে বসেন। ভদ্রলোকদের আচরণে নিশ্চয়ই এই কাজটা শোভা পায় না। শ্রমজীবী মানুষজন না হয় অন্যের অসুবিধা কম অনুভব করে। তারা ধূমপানে নিতান্তই আসক্ত। শিক্ষিত সমাজে দায়িত্বশীলদের কাছে ধূমপান ফ্যাশন। তাদের অনুসরণ করে স্কুল-কলেজে পড়ুয়া উঠতি কিশোররা ধূমপানকে ফ্যাশন ভেবে ধূমপানচর্চায় আগ্রহী হয়ে ওঠে। এটা সমাজের ভবিষ্যৎ অন্ধকারকেই নির্দেশ করে।
মির্জা আবু হেনা কায়সার টিপু
উত্তরা, ঢাকা।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন