ঢাকা, মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২০, ২০ শ্রাবণ ১৪২৭, ১৩ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

‘মহীনের ঘোড়াগুলি’ চিরঘুমে

টাইমস অব ইন্ডিয়া | প্রকাশের সময় : ১০ জুলাই, ২০২০, ১২:০১ এএম

বিনোদন জগতে আবরো দুঃসংবাদের ঢেউ আছড়ে পড়েছে! ঘুমের মধ্যেই ইহজগতের মায়া ত্যাগ করলেন ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’ খ্যাত শিল্পী রঞ্জন ঘোষাল। যিনি কিনা নিঃসন্দেহে বাংলা সংগীতের দিন বদলের অন্যতম সাক্ষী ছিলেন। বাংলা ব্যান্ড ঘরানার একজন পথিকৃৎ বললেও ভুল হবে না বইকী! 

গতকাল বৃহস্পতিবার ভোর রাতে ভারতের বেঙ্গালুরুতে নিজের বাসভবনেই ঘুমের মধ্যে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন শিল্পী রঞ্জন ঘোষাল। শোকের ছায়া বাংলা সংগীত জগতে।

বাংলা রক সংগীতজগতে অবদানের পাশাপাশি তার বেপরোয়া জীবনযাপন, বর্ণময় চরিত্রও যে রঞ্জনকে বিপুল জনপ্রিয়তা দিয়েছিল, সেকথা বলাই বাহুল্য। সেই শিল্পীই নীরবেই ঘুমের দেশে চলে গেলেন চিরতরে।
পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার মেমারিতে রঞ্জন ঘোষালের জন্ম। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি সাংস্কৃতিক জগতের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। পরবর্তীতে মুম্বাইয়ের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে ‘শিল্প ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ে পিএইচডিও করেন। গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম ব্যান্ড ‘সপ্তর্ষি’রও অন্যতম সদস্য ছিলেন রঞ্জন।

১৯৭৫ সালে ভারতের প্রথম বাংলা স্বাধীন রক ব্যান্ড ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’ প্রতিষ্ঠার সময় রঞ্জন উপস্থাপক হিসেবে যোগ দেন। মহীনের প্রথম অ্যালবাম ‘সংবিগ্ন পাখিকুল ও কলকাতা বিষয়ক’-এর ‘ভেসে আসে কলকাতা’, ‘সংবিগ্ন পাখিকুল’, ‘মেরুন সন্ধ্যালোক’-এর মতো গানগুলো রঞ্জন ঘোষালেরই লেখা।

পরবর্তী দশকগুলিতে ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’র জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে রঞ্জন ঘোষালের ভ‚মিকাও বিশেষভাবে উল্লেখ্য। তিনি বেঙ্গালুরুতে ফার্স্ট রক কনসার্ট- ‘রিমেম্বারিং মহীনের ঘোড়াগুলি’ এবং কলকাতায় ‘আবার বছর ত্রিশ পরে’ শিরোনামে একটি কনসার্টের আয়োজন করেন। প্রসঙ্গত, বেঙ্গালুরুতে দীর্ঘদিন তিনি থিয়েটারও করেছেন। স্ত্রী সঙ্গীতা ঘোষালের সঙ্গে যৌথ ভাবে গিরিশ কর্নাডের ‘হায়ভাদান’, অরুণ মুখোপাধ্যায়ের ‘মারিচ দ্যা লেজেন্ড’-এর মতো নাটকও মঞ্চস্থ করেছেন।

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন