সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২, ১০ মাঘ ১৪২৮, ২০ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

সারা বাংলার খবর

শিমুলিয়া ঘাটে কঠোর নজরদারি,ফেরিতে সকালে চাপ দুপুরে ফাঁকা

লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ২৩ জুলাই, ২০২১, ৪:৫২ পিএম

সারাদেশে ১৪ দিনের কঠোর বিধিনিষেধ শুরুর প্রথম দিনে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করতে দেখা গেছে। মানবিক কারণে ঘাটে উপস্থিত যাত্রী ও গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে আটকে পরা যানবাহন পার করা হচ্ছে বলে দাবি ঘাট সংশ্লিষ্টদের। শুক্রবার (২৩ জুলাই) সকাল থেকে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে ফেরিগুলোতে শত শত যাত্রী ও যানবাহন নিয়ে পদ্মা পারি দিচ্ছে। তবে সকাল ৬ টার পর থেকে ঘাটে কোন ব্যক্তিগত গাড়ি প্রবেশ করতে দেখা যায়নি। ভোর থেকে ঘাটে যাত্রী ও ছোট-বড় গাড়ির চাপ থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘাট হয়ে পরে ফাঁকা। ১৪টি ফেরি সচল থাকায় বৃহস্পতিবার রাতে যে সকল ছোট-বড় ব্যতিগত গাড়ি ও যাত্রীদের ঘাটে জড় হয়েছিলেন তাদের অপেক্ষায় থাকতে হয়নি।

বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. শাফায়াত আহম্মেদ বলেন, সকাল ৬ টা থেকে ঘাটে জরুরি সেবার আওতায় পন্যবাহী যানবাহন, অ্যাম্বুলেন্স ছাড়া অন্য কোন গাড়ি প্রবশ করছে না। আমরা ১৪টি ফেরি দিয়ে জরুরি সেবার আওতায় সে সকল গাড়ি পারাপার করছি। তিনি আরও বলে সকাল ৯ টা পর্যন্ত ঘাটে তীব্র চাপ ছিলো। কেননা গত বৃহস্পতিবার রাতে ঘাটে প্রচুর ছোট-বড় গাড়ি জমা হয়েছিলো। সারারাত ফেরি দিয়ে সে সকল গাড়ি পারাপার লরা হয়েছে। এবং সকালেও সে গাড়ি পারাপার করতে হয়েছে।

বিআইডব্লিউটিএ'র শিমুলিয়া লঞ্চঘাট দায়িত্ব প্রাপ্ত শাহাদাত হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার রাত ১০টার পর লঞ্চ চলাচল বন্ধ করা হয়েছে। লকডাউনের নিয়ম অনুযায়ী আর লঞ্চ চলেনি, লঞ্চঘাটে যাত্রীও নেই। ঘাটে যেসব যাত্রী আসছেন তারা ফেরিতে পার হচ্ছেন।
লৌহজং থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আলমগীর হোসাইন জানান, ঢাক-মাওয়া মহাসড়ক এবং শিমুলিয়া ঘাট এলাকায় জরুরী সেবার আওতায় যানবাহন যেতে দেয়া হচ্ছে। এবং সকলকে সরকারি বিধিনিষেধ মানতে সবাইকে বাধ্য করা হবে। আমরা উপজেলা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে চেকপোস্টের মাধ্যমে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছি। এবং যাঁরাই বের হচ্ছে তাদের সচেতন করা হচ্ছে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন