রোববার, ২৩ জানুয়ারী ২০২২, ০৯ মাঘ ১৪২৮, ১৯ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

উৎসবের বাণিজ্য মেলা

ঢাকার অদূরে পূর্বাচলের স্থায়ী অবকাঠামোয় এখনো দর্শনার্থীদের যাতায়াতের ঢাকা বাইপাস সড়কের কাজ চলছে অত্যাধুনিক সব সুবিধা, পার্কিং ব্যবস্থা, তিনশ’ স্টলের সমাহার বিনোদনের নতুন ক্ষেত্র :

মো. জাহিদুল ইসলাম/খলিল শিকদার | প্রকাশের সময় : ৩ ডিসেম্বর, ২০২১, ১২:০০ এএম

দেশীয় পণ্য বিদেশে বিক্রি এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম প্রধান উপজীব্য বাণিজ্য। দেশি পণ্য সারাবিশ্বে ব্র্যান্ডিং করতে বাণিজ্য মেলা অপরিহার্য। সে কারণে বিশ্বের বড় বড় দেশগুলোর মতোই ২৫ বছর ধরে বাংলাদেশ বাণিজ্য মেলার আয়োজন করছে। এই মেলায় দেশের ছোটবড় সব ধরনের শিল্পে উৎপাদিত পণ্য বিক্রি হয়ে থাকে। এমনকি কুটির শিল্প এবং কৃষক পর্যায়ে উৎপাদিত পণ্যের বেচাবিক্রি হয় ও পরিচিতি পায়। প্রতিবছর রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এ বাণিজ্য মেলার আয়োজন করা হতো। রাজধানীর যানজট নিরসনে ঢাকা থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে পূর্বাচলে বাণিজ্য মেলার স্থায়ী অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। এবার সেখানেই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই মেলা আয়োজনের লক্ষ্যে জোর প্রস্তুতি। এবার কেমন হবে বাণিজ্য মেলা? ঢাকার অদূরে মেলার ২৬তম আসরে রাজধানীর দর্শনার্থীরা কি স্বাভাবিকভাবে যাতায়াত করতে পারবেন? নাকি মেলায় যাতায়াতে রাজধানীর চিরাচরিত যানজট, নাগরিক ভোগান্তি মানুষের সঙ্গী হবে? এ নিয়ে হাজারো প্রশ্ন মানুষের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে।

জানতে চাইলে রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম আহসান ইনকিলাবকে বলেন, পূর্বাচলে বাণিজ্য মেলা আয়োজনের সব রকম প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। এখন প্যাভিলিয়ন সাজসজ্জার কাজ চলছে।
তবে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, প্যাভিলিয়ন সাজসজ্জার কাজ চললেও বাণিজ্য মেলায় প্রবেশের রাস্তা প্রস্তুত হয়নি। ঢাকা-ময়মনসিংহ সহাসড়ক থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সংযোগ সড়ক ঢাকা বাইপাসের লেনে উন্নীত করণের কাজ এখনো চলছে। অন্যদিকে রাজধানী থেকে পূর্বাচলে যাতায়াতের প্রধান সড়ক ৩০০ ফুট সড়কের কাজ এখনো চলমান। ফলে মেলা শুরুর আগে কাজ সম্পন্ন না হলে দশনার্থীদের মেলায় যাতায়াত ও প্রবেশ পথে ভোগান্তিতে পড়তে হবে।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, পূর্বাচলের ৪নং সেক্টর এলাকার ২০ একর জমিতে স্থায়ী প্যাভিলিয়নে ইতোমধ্যে বিভিন্ন কোম্পানি সাজসজ্জার কাজ শুরু করেছেন। দেশি বিদেশি পণ্যসামগ্রী যার যার স্টলে মজুদ রাখাও শুরু করেছেন।
তবে মেলায় ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের ভোগান্তি বাড়াবে ভাঙাচুরা ও চলাচল অনুপযোগী রাস্তা। কুড়িল ফ্লাইওভার থেকে মেলা প্রাঙ্গণ পর্যন্ত বিআরটিসির বাস সার্ভিসের কথা বলা হলেও এতে আগত দর্শনার্থীদের জন্য সমস্যা উল্টো বেড়ে যাবে। যদিও ইপিবি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে ডিসেম্বরের মধ্যেই পূর্বাচলের সড়ক সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী হবে।

মেলা কেন্দ্রের হাইওয়ের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে হাইওয়ে পুলিশের নারায়ণগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার অমৃত সূত্রধর ইনকিলাবকে বলেন, মেলা উপলক্ষ্যে এখনো পর্যন্ত আমাদের কাছে কোনো চিঠি আসেনি। আমরা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছি। তবে নির্দেশনা আসলে বাড়তি দায়িত্ব পালন করা হবে বলেও জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা। মূলত বছরের প্রথম দিন বাণিজ্য মেলা শুরু হওয়া ছিল একটা উৎসব। পহেলা ফেব্রুয়ারি যেমন বাংলা একাডেমিতে বইমেলা শুরুর রেওয়াজ; তেমনি পহেলা জানুয়ারি বাণিজ্য মেলা শুরু নিয়মে পরিণত হয়েছে। কিন্তু করোনাভাইরাসের প্রকোপে চলতি বছরে তা বাধাগ্রস্ত হয়। তবে এবার মেলা হচ্ছে এবং এর ভেন্যু শেরেবাংলা নগর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে পূর্বাচলে বসতে যাচ্ছে। পূর্বাচলের নতুন ঠিকানায় ২০ একর জমির ওপর ঢাকা বাণিজ্য মেলা আয়োজনে স্থায়ীভাবে নির্মাণ করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার। যাতে খরচ হয়েছে ৫৩৮ কোটি টাকা। বিগত ১৯৯৫ সাল থেকে শেরেবাংলা নগরে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার একে একে ২৫টি আসর বসলেও এবারই প্রথমবারের মতো স্থায়ী ঠিকানা পেল বাণিজ্য মেলা। তাতে নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর চাপ কমবে প্রত্যাশিতভাবেই। নগরীর বাসিন্দাদের জন্য একটু বিনোদনের উপলক্ষও তৈরি হলো। এছাড়া স্টল প্যাভিলিয়ন নির্মাণ করতে গিয়ে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো অপ্রয়োজনীয়ভাবে অনেক অর্থ ব্যয় থেকে মুক্তি পেল। এছাড়া কুড়িল থেকে মেলাকেন্দ্র পর্যন্ত বিআরটিসি বাস সার্ভিস, পাকিং সুবিধা, শিশুদের খেলার স্পেস, নামাজ কক্ষ, মেডিক্যাল সেন্টার, ডরমেটরি, ১৩৯টি টয়লেট, নিজস্ব ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট, ইনবিল্ট ইন্টারনেট/ওয়াই-ফাই, আধুনিক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা এবং ১৩৭টি সিসি ক্যামেরা এ মেলার আকর্ষণ বাড়াবে বহুগুণ।

স্থায়ী প্যাভিলিয়নের দায়িত্বরত কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো. মামুন আহমেদ বলেন, ১ জানুয়ারি মেলা শুরু হতে যাচ্ছে। তাই সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের ব্যস্ততা বেড়ে গেছে। তারা তাদের মালামাল নিয়ে এসে যার যার স্টলে অবস্থান করছে। তবে মেলা শুরু হতে হতে ৩০০ ফুট সড়কের কাজ অগ্রসর হবে। ঢাকা বাইপাস সড়ক আগের মতোই থাকবে। এ বছর সুবিধা ভোগ না করতে পারলেও পরবর্তী বছরগুলোতে এসব সড়কের সুবিধা পাবে স্থানীয়রা।

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ঢাকা বাইপাস সড়কে বালি ভরাটের কাজ চলমান। দুই লেনের সড়কটিও স্থানে স্থানে খানাখন্দে পরিণত হয়েছে। ফলে যাতায়াত ভোগান্তি নিয়েই এবার বাণিজ্য মেলায় লোকজনকে আসতে হবে। পূর্বাচল রঘুরামপুর এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রউফ মালুম বলেন, স্থায়ী বাণিজ্য মেলার প্যাভিলিয়নে প্রবেশ করতে এবার হয়তো কষ্ট হবে। তবে শীতকালে এ মেলা হওয়ায় উভয় সড়কে কাজ চলমান থাকায় ধুলাবালির সমস্যা বাড়বে। ইতোমধ্যে ধুলাবালির কারণে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছে এ সড়কে যাতায়াতকারীরা।

রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ নুসরাত জাহান বলেন, পূর্বাচলে এ বাণিজ্য মেলা পরিচালনায় রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো তদারকি করবেন। তাদের প্রয়োজনে আমরা পাশে থাকব।
ঢাকায় যানযট কমবে : উন্নত বিশ্বে স্থায়ী অবকাঠামোতেই মেলা ও প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়ে থাকে। শেরেবাংলা নগরে অস্থায়ী মাঠে যে মেলার আয়োজন হয়ে আসছিল সেখানে স্টল প্যাভিলিয়ন নির্মাণ করতে গিয়ে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে অনেক অর্থ ব্যয় করতে হতো। মেলার ভেন্যু পূর্বাচলের স্থায়ী ঠিকানায় যাওয়ায় সেই সমস্যার সমাধান হচ্ছে। তাছাড়া এই মেলার কারণে শেরেবাংলা নগর, আগারগাঁও, শ্যামলীসহ আশপাশের সড়কগুলোতে মাসজুড়ে যানজট লেগে থাকত। সেই সমস্যারও সমাধান মিলছে।

বিনোদনের উপলক্ষ : জনবহুল রাজধানীর মানুষ একটু বিনোদনের আশায় যাত্রা করেন দূর দূরান্তে। পূর্বাচলে এমনিতেই অনেক মানুষ ভ্রমণ করে থাকেন নিছক বিনোদনের জন্য। মেলার স্থায়ী প্যাভিলিয়ন দেখতে প্রতিদিন জড়ো হয় হাজারো দর্শনার্থী। তবে উদ্বোধন না করায় এর ভেতরে প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছেন না সাধারণ লোকজন। সূত্র জানায়, দর্শনার্থীদের ভেতরে প্রবেশ করে প্যাভিলিয়ন ঘুরে দেখার ইচ্ছে থাকলেও নিরাপত্তা অযুহাত ও উদ্বোধন না করায় আপাতত কোনো সুযোগ পাচ্ছে না দর্শনার্থীরা। তবে মেলা চালু হলে সে সুযোগ পাবেন তারা।
কুড়িল থেকে বিআরটিসির বাস : বাণিজ্যমেলাকে কেন্দ্র করে কুড়িল ফ্লাইওভার থেকে পূর্বাচলের মেলাকেন্দ্রে বিআরটিসির বাস চলাচল করবে। মাসব্যাপী এই রুটে বিআরটিসির ৩০টি বাস চলাচলের জন্য চিঠি দিয়েছে ইপিবি। এসব বাসের নূন্যতম একটা ভাড়া থাকবে। এতে সহজেই কুড়িল ফ্লাইওভারের নিচ থেকে মেলাকেন্দ্রে যেতে পারবেন দর্শনার্থীরা। এ বিষয়ে চলতি মাসে রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে বিআরটিসিকে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে আগামী ১ জানুয়ারি থেকে মাসব্যাপী বিআরটিসির ৩০টি বাস কুড়িল ফ্লাইওভারের নিচ থেকে বাণিজ্য মেলার কেন্দ্র পর্যন্ত চলাচলের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। তবে এসব বাসে ফ্রি সার্ভিস দেয়া হবে না। ন্যূনতম ভাড়ায় এসব বাসে চলাচল করতে হবে।

ডিসেম্বরেই সড়ক সংস্কার : বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে যাওয়ার পথে সড়কের দুর্দশা নিরসনে দ্রুত উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে পূর্বাচলের ১০ কিলোমিটার সড়কে নির্বিঘ্নে যানবাহন চলাচলের জন্য উপযোগী করে গড়ে তোলা হবে।

সম্প্রতি পূর্বাচলের রাস্তার কাজের দায়িত্বে থাকা প্রকল্প পরিচালক বাণিজ্য সচিবের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সভায় রাজউকের চেয়ারম্যান ও ঊর্ধ্বতন ইঞ্জিনিয়ার ও ইপিবির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় জানানো হয়, ডিসেম্বরের মধ্যে পূর্বাচলের ১০ কিলোমিটার রাস্তা চলাচলের জন্য উপযোগী থাকবে। দুই লেন করে দুইপাশে চার লেনে গাড়ি চলবে। কোনো কোনো জায়গায় হয়তো বেশিও থাকবে। এখনই অনেক জায়গায় প্রধান সড়ক দিয়ে চলাচল করা যাচ্ছে। আর প্রধানমন্ত্রী সরাসরি বাণিজ্য মেলা কেন্দ্রে গেলে এই সড়ক সংস্কারে সর্বাত্মক প্রচেষ্টার কথা বলা হয়েছে।

প্রায় তিনশ’ স্টল : এবারের বাণিজ্য মেলায় প্রায় তিনশ’ স্টল থাকবে। ভেতরে এবং বাইরে মিলে এসব স্টল থাকবে। তবে মেলাকেন্দ্রের ভেতরে থাকা জায়গার মধ্যে অধিকাংশই মানুষের চলাচলের জন্য ফাঁকা রাখা হবে। আর কেন্দ্রের বাইরে ডানপাশে স্টল বসলেও, আরেকদিক সৌন্দর্যের জন্য ফাঁকা রাখা হবে। সূত্র জানায়, মেলাকেন্দ্রের ভেতরে সেল স্ক্রিন দিয়ে আন্তর্জাতিক মেলাগুলোর মতো ছোট ছোট স্টল সীমানা দিয়ে দেয়া হবে। ভেতরে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের মতো করে প্রয়োজন অনুযায়ী ডেকোরেশন করবে। ইপিবির কাছে শতাধিক আবেদন আছে। আর রিজার্ভ মিলে ১২৫টি আবেদন রয়েছে।

পার্কিং ব্যবস্থা : নতুন মেলাকেন্দ্রে বৃহৎ পরিসরে পার্কিং সুবিধা রয়েছে। তবে মেলার শৃঙ্খলার স্বার্থে গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য কেন্দ্রের পাশেই রাজউকের পানির প্ল্যান্ট ভাড়া নেয়া হয়েছে। সেখানেই এক হাজার গাড়ি পার্কিং হবে। জানা গেছে, দোতলা পার্কিং বিল্ডিংয়ের মোট পার্কিং স্পেস সাত হাজার ৯১২ বর্গমিটার, যেখানে ৫০০টি গাড়ি রাখা যাবে আর এক্সিবিশন বিল্ডিংয়ের সামনের খোলা জায়গায় আরো এক হাজার গাড়ি পার্কিং করার সুযোগ আছে।

এক্সিবিশন সেন্টারে সুবিধা : রাজধানীর পূর্বাচলের বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারটি নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৭৭৩ কোটি টাকা। যার মধ্যে চীনের অনুদান ৫২০ কোটি ৭৩ লাখ টাকা, বাংলাদেশ সরকারের ২৩১ কোটি টাকা ও ইপিবি নিজস্ব তহবিল থেকে ২১ কোটি ২৭ লাখ টাকা অর্থায়ন করেছে।

এক্সিবিশন সেন্টারে তৈরি করা ফ্লোরের আয়তন ৩৩ হাজার বর্গমিটার, বিল্ডিংয়ের ফ্লোরের আয়তন ২৪ হাজার ৩৭০ বর্গমিটার, এক্সিবিশন হলের আয়তন ১৫ হাজার ৪১৮ বর্গমিটার। এক্সিবিশন হলে ৮০০টি বুথ রয়েছে, প্রতিটি বুথের আয়তন ৯ দশমিক ৬৭ বর্গমিটার। দোতলা পার্কিং বিল্ডিংয়ের মোট পার্কিং স্পেস সাত হাজার ৯১২ বর্গমিটার, যেখানে ৫০০টি গাড়ি রাখা যাবে আর এক্সিবিশন বিল্ডিংয়ের সামনের খোলা জায়গায় আরও এক হাজার গাড়ি পার্কিং করার সুযোগ আছে।

এছাড়াও রয়েছে ৪৭৩ আসনবিশিষ্ট একটি মাল্টি-ফাংশনাল হল, ৫০ আসনবিশিষ্ট একটি কনফারেন্স রুম, ছয়টি মিটিং রুম, ৫০০ আসনবিশিষ্ট ক্যাফেটেরিয়া, শিশুদের খেলার স্পেস, নামাজের কক্ষ, অফিস রুম দুটি, মেডিক্যাল রুম, ডরমিটরি-গেস্ট রুম, ১৩৯টি টয়লেট, বিল্ট ইন পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেম, নিজস্ব ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, স্টোর রুম, সিসিটিভি কন্ট্রোল রুম, অটোমেটেড সেন্ট্রাল এসি সিস্টেম, ইনবিল্ট ইন্টারনেটসহ আধুনিক সুবিধা।
উল্লেখ্য, ১৯৯৫ সাল থেকে ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অস্থায়ী জায়গায় ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল। প্রতিবছর জানুয়ারির ১ তারিখ প্রধানমন্ত্রী এ মেলার উদ্বোধন করেন। করোনার কারণে চলতি বছর বাণিজ্যমেলা হয়নি। গত ৭ ফেব্রুয়ারি বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির কাছে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারটি হস্তান্তর করেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিং। পরে গত ২১ অক্টোবর প্রদর্শনী কেন্দ্রটির উদ্বোধন করা হয়।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (10)
Abid Tanjim Khan ৩ ডিসেম্বর, ২০২১, ৬:৫৪ এএম says : 0
নিরাপত্তা ইস্যুতে প্রশ্ন রয়েছে ( কুড়িল বিশ্বরোড থেকে পূর্বাঞ্চল পর্যন্ত সড়ক পথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা চ্যালেঞ্জিং হবে বিশেষ করে সন্ধ্যার পর মেলায় আগত দর্শনার্থীদের ও ক্রেতাদের)
Total Reply(0)
শংকু দাস সুরঞ্জন ৩ ডিসেম্বর, ২০২১, ৬:৫৫ এএম says : 0
এই এলাকায় বাণিজ্যমেলা হলে এখানে সাধারন মানুষ বেশি একটা যেতে পারবেনা। আগে যখন শেরেবাংলা নগরে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা হতো সাধারণ মানুষ। যারা নিম্নআয়ের তারা কোন কিছু কিনতে না পারলেও পঞ্চাশ টাকার টিকিট কেটে আনন্দ উপভোগ করতে যেত। আমার মনে হয়, বাণিজ্য মেলা কর্তৃপক্ষ ওই পঞ্চাশ টাকার টিকিট থেকে বঞ্চিত হবে। টাকাটা বড় কথা নয় মেলায়, যে সুন্দর করে প্রদর্শনী করা হয় সেগুলো দেখে আসলে সাধারণ মানুষ অনেক আনন্দ উপভোগ করত। সেটা থেকে সাধারণ মানুষ মনে হয় বঞ্চিত হল। দেখা যাক যেহেতু 300 ফিট রাস্তার উন্নয়ন কাজ চলছে, উন্নয়ন শেষ হলে হয়তো যাত্রীবাহী বাস যখন চলাচল, করবে সাধারণ মানুষ অল্প টাকায় মেলায় গিয়ে পৌঁছাতে পারবে সে সময় হয়তো মেলা জমজমাট হয়ে উঠবে।। ধন্যবাদ সবাইকে
Total Reply(0)
Nasrin Sultana ৩ ডিসেম্বর, ২০২১, ৬:৫৬ এএম says : 0
একটা ভালো উদ্যোগ আমি মনে করি
Total Reply(0)
Afsana Nur Chowdhury ৩ ডিসেম্বর, ২০২১, ৬:৫৬ এএম says : 0
গণ পরিবহন না থাকলে আমাদের মত সাধারন মানুষের পক্ষে মেলায় যাওয়া হবে না।
Total Reply(0)
Sukumol Chowdhury ৩ ডিসেম্বর, ২০২১, ৭:০০ এএম says : 0
ভালো কাজকে সম্মান করতে হবে, আর মন্দ কাজকে ঘৃণা করতে হবে।
Total Reply(0)
Jannat Fardus ৩ ডিসেম্বর, ২০২১, ৭:০১ এএম says : 0
দেশ কে আর সামনে এগিয়ে নিতে হবে যেন কেউ আর সুযোগ না পায় দেশর মধ্যে অশান্তি না করতে তার জন্য দরকার শেখ হাসিনার সরকার।
Total Reply(0)
তরিকুল ৩ ডিসেম্বর, ২০২১, ৭:০৩ এএম says : 0
অপেক্ষায় আছি নতুন বাণিজ্য মেলায় যাবো।
Total Reply(0)
সুশান্ত কুমার্ ৩ ডিসেম্বর, ২০২১, ৭:০২ এএম says : 0
খুবই ভালো একটা কাজ হয়েছে। এবার থেকে বাণিজ্য মেলা ভালোভাবে উপভোগ করতে পারবেন দর্শনার্থীরা।
Total Reply(0)
মোহাম্মদ রমিজ ৩ ডিসেম্বর, ২০২১, ৭:০২ এএম says : 0
যাওয়া আসার ব্যবস্থা সহজ করলে ভালো সাড়া পাওয়া যাবে বলে মনে করি।
Total Reply(0)
Noman ৩ ডিসেম্বর, ২০২১, ৪:৫৫ পিএম says : 0
Dhaka International Trade Fair 2022 a j kono brand promoter or Sales man hisebe Job korte chai, Apnara Job circular diye akto upokar korben. Karo Lok lagle...Pls Contact with me by Facebook: Noman Ehtesham
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন