ঢাকা, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ০৫ শাওয়াল ১৪৪১ হিজরী

অভ্যন্তরীণ

ভারতীয় জাহাজ আশুগঞ্জ নৌবন্দরে

১১শ’ ১৭ টন পাথর নিয়ে

আশুগঞ্জ (ব্রাক্ষণবাড়িয়া) থেকে মোঃ হুমায়ূন কবির | প্রকাশের সময় : ১৫ আগস্ট, ২০১৮, ১২:০৪ এএম

ভারতীয় জাহাজ এবার ১১’শ ১৭ মেট্রিক টন পাথর নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ নৌবন্দরে নোঙ্গর করেছে। আশুগঞ্জ নৌবন্দর ও আখাউড়া স্থলবন্দর ব্যবহার করে ট্রাকে করে পাথরগুলো যাবে ভারতের ত্রিপুরার আগরতলায়। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল ও স্বাক্ষরসহ সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে গতকাল মঙ্গলবার সকালে জাহাজ থেকে পণ্য খালাসের কাজ শুরু করে বলে জানান কর্তৃপক্ষ।
জানা যায়, কলকাতার হলদিয়া বন্দরের পাশের জিআর-২ জেটি থেকে জাহাজটিতে ভারতীয় পাথর লোড করা হয়। পরে ২৮ জুলাই দুপুরে ১,১১৭ মেট্রিকটন পাথর নিয়ে ভারতীয় জাহাজ এমভি গড়াই ডবিøউ ভি ১৩৬৭ রওয়ানা হয়। প্রায় ১৫ দিন পর জাহাজটি রোববার বিকালে আশুগঞ্জ নৌবন্দর জেটিতে নোঙ্গর করে। আশুগঞ্জ নৌবন্দর ও আখাউড়া স্থলবন্দর ব্যবহার করে ট্রাকে করে পাথরগুলো যাবে ভারতের ত্রিপুরার আগরতলায়। ১৯৭২ সালের নৌ প্রটোকোল চুক্তির (ট্রান্সশিপমেন্ট) আওতায় কোন প্রকার শুল্ক ছাড়াই এসব ভারতীয় পন্য বাংলাদেশের অভ্যান্তরে ৪৫০ কিলোমিটার জলপথ ও স্থলপথ ব্যবহার করে বিভিন্ন মালামাল নেয়া হচ্ছে ভারতের আগরতলা। তবে মানবিক দিক বিবেচনা করে পরিবহনের সুবিধার ক্ষেত্রে টনপ্রতি ১৯২ টাকা মাসুলসহ ভয়েজ পারমিট ফি, পাইলট অবস্থান ফি, ল্যান্ডিং ফি, চ্যানেল চার্জ ও স্থানীয় লেবার চার্জ দেয়া হবে বলে জানান বিআইডবিøউটিএ কর্মকর্তারা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এই চুক্তির আওতায় এর আগে মানবিক কারণ দেখিয়ে ভারত প্রথমে পালাটানা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভারী যন্ত্রাংশ ও পরে কয়েক দফায় রড, স্টীল সীট, চাল ও ভোজ্য তেল পরিবহন করেছে ভারত। এরই ধারাবাহিকতায় এবারও আশুগঞ্জ নৌবন্দর ও আখাউড়া স্থলবন্দর ব্যবহার করে ট্রাকে করে পাথরগুলো যাবে ভারতের ত্রিপুরার আগরতলায়।
এমভি গড়াই ডবিøউ ভি ১৩৬৭ নামে জাহাজটির মাস্টার মানষ গাইন জানান, ২৮ জুলাই ১১’১৭ মেট্রিকটন পাথর নিয়ে রওয়ানা হয় ভারতীয় জাহাজটি। ১৫ দিন পর আশুগঞ্জে রোববার বিকালে আশুগঞ্জ নৌবন্দরে নোঙ্গর করা হয়। সবকিছু ঠিক থাকলে দু’একদিনের মধ্যে মঙ্গলবারে জাহাজ থেকে পাথর খালাসের কাজ শুরু হবে বলে জানান ।
বাংলাদেশের লোডিং ঠিকাদার আদনান ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের মালিক মো. আক্তার হোসেন জানান, আমাদের প্রতিষ্ঠান জাহাজ থেকে পণ্য খালাস করে ভারতের আগরতলায় পৌছে দেয়ার জন্য কাজ করছেন। বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ভারতীয় পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে প্রতি টনে ১৯২ টাকা মাসুল দেয়া হচ্ছে। এছাড়াও টনপ্রতি ভয়েজ পারমিশন ফি, পাইলট অবস্থান ফি, ল্যান্ডিং ফি, চ্যানেল চার্জ, ও লেবার চার্জ আগের মতই দেয়া হবে।
বিআইডবিøউটিএ এর আশুগঞ্জ বন্দরের পরিদর্শক মো. শাহআলম জানান, কাস্টমসসহ সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে মঙ্গলবার অথবা বুধবার সকাল থেকেই বাংলাদেশী ট্রাক ব্যবহার করে পাথরগুলি আখাউড়া স্থলবন্দর হয়ে আগরতলা যাবে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন