ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯, ৩০ আশ্বিন ১৪২৬, ১৫ সফর ১৪৪১ হিজরী

সারা বাংলার খবর

পিপলস লীজিংয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধসহ ৭ দাবি

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৭ আগস্ট, ২০১৯, ৮:২৫ পিএম

অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে পিপলস্ লীজিং এন্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের অবসায়ন হচ্ছে। এরই প্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধসহ ৭ দফা দাবি জানিয়েছেন। তাদের এই বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর ও হাইকোর্টের নিযুক্ত সাময়িক অবসায়কের (পিএলএফএসএল) জরুরী হস্তক্ষেপের অনুরোধ জানিয়েছেন।

বুধবার (৭ আগস্ট) বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন (ক্্র্যাব) কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অনুরোধ জানান কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এতে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. হারুন-উর-রশীদ, লিয়াকত আলী, কিসমত আরা, মামুন হাসানসহ অন্যান্যরা।

এর আগে একই দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মস‚চী পালন করেন তারা।

লিখিত বক্তব্যে তারা জানান, গত ৯ জুলাই দৈনিক সংবাদপত্রের মাধ্যমে জানতে পারি বাংলাদেশ ব্যাংকের আবেদনের প্রেক্ষিতে এবং অর্থ মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে ‘পিপলস্ লীজিং এন্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড’ অবসায়ন হতে যাচ্ছে। ১৪ জুলাই হাইকোর্ট ডিভিশন অবসায়নের অনুমতি প্রদান করেন। এতে প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের ভবিষ্যত নিয়ে চরম আতঙ্কের মধ্যে দিনাতিপাত করছে। আকস্মিক লিক্যুইডেশন হওয়ায় বিগত মাসগুলোর বেতন-ভাতা না পেয়ে বাড়ীভাড়া পরিশোধ করতে পারছে না, এতে করে তাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে রাস্তায় থাকতে হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ১৭৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত আছে। এর মধ্যে প্রধান কার্যালয়ে ৫৮ জন, গুলশান শাখায় ১৩ জন, চট্টগ্রাম শাখা অফিসে ৭ জন এবং বাকি ১০০ জন লাইবেলিটি মার্কেটিং ডিপার্টমেন্ট এ কর্মরত। তাদের আয়ের উপর নির্ভর করে প্রায় ১৭৮ টি পরিবারের কমপক্ষে ১১শ’ জন ব্যক্তির ভরনপোষণ ও পড়াশোনার খরচ চলে। এ অবস্থায়, যদি চাকরী না থাকে, কোনো বেতন-বোনাস না পাওয়া যায় এবং সার্ভিস বেনিফিট না পাওয়া যায় তাহলে পরিবার-পরিজনসহ মৃত্যুর পথ বেছে নেয়া ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না বলে জানানো হয়।

আরো জানানো হয়, তাদের বেতন ভাতা ও ঈদ বোনাস পাওয়ার জন্য হাইকোর্টের নিযুক্ত সাময়িক অবসায়ক (পিএলএফএসএল) এবং ব্যাবস্থাপনা পরিচালকের (পিএলএফএসএল) কাছে তাদের ন্যায্য পাওনা পরিশোধের জন্য লিখিতভাবে অবহিত করা হয়। কিন্তু অদ্যাবধি তারা কোনো ব্যাবস্থা গ্রহণ করেননি বিধায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের দাবীগুলো বাস্তবায়নে সুদৃষ্টি কামনা করছেন। ৭ দফা দাবিগুলো হলো, ঈদুল আযহার বোনাস, চাকুরীর নিরাপত্তার নিশ্চয়তা, চাকুরীবিধি অনুযায়ী প্রাপ্য সকল সুযোগ-সুবিধার নিশ্চয়তা, বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাকরণ, বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত ছাঁটাই প্রক্রিয়া বন্ধ এবং সর্বোপরি গোল্ডেন হ্যান্ডশেকসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধায় পরিশোধের ব্যবস্থা করা।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন