ঢাকা মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ০৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ০৮ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী

অভ্যন্তরীণ

চলার অনুপযোগী আশুগঞ্জ-তালশহর সড়ক

দুর্ভোগে লাখো মানুষ

খ আ ম রশিদুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে | প্রকাশের সময় : ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:২১ এএম


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ-তালশহর আঞ্চলিক সড়কের সংস্কার কাজের সকল প্রস্তুতি শেষ করেও কাজ শুরু করছে না ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। আর এতে করে এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী ৫টি ইউনিয়নের লাখো মানুষের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে প্রতিদিন। সড়কটিতে বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তাটির বিভিন্ন ভাংগা অংশে পানি জমে থাকে। যার কারণে বিভিন্ন সময় ঘটছে দুর্ঘটনা। বিকল্প কোন সড়ক না থাকায় বাধ্য হয়েই চলাচল করতে হয় এই সড়কটি দিয়ে।
একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানান, এলজিইডি ও ঠিকাদারের গাফিলতির কারণেই রাস্তাটিতে কাজ শুরু হচ্ছে না। তবে এলজিইডি কর্তৃপক্ষ জানায়, সারাদেশে বন্যা ও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে কাজ করা যাচ্ছে না।
জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ উপজেলা সদরের সাথে দক্ষিণ এলাকায় ৫টি ইউনিয়ন ও জেলা সদরের সাথে আঞ্চলিক যোগাযোগের একমাত্র সড়ক আশুগঞ্জ-তালশহর সড়কটি। প্রতিদিন প্রচুর পরিমানে রিকশা সিএনজি, ট্রাক ও ট্রাক্টর চলাচল করে এই সড়কটি দিয়ে। সংস্কার কাজ না করার কারণে প্রতিনিয়ন রাস্তাটিতে ইট-সুরকি ওঠে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে সামান্য বৃষ্টি হলেই গর্তে পানি জমে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যায় রাস্তাটি। যার কারণে বাধ্য হয়েই অনেকটা ঝুঁকি নিয়ে এই সড়কটি দিয়ে চলাচল করছে পথচারিরা।
এদিকে রাস্তাটির সংস্কার কাজের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ে দরপত্রসহ অন্যান্য সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে চলতি বছরের ১৬ জুন এই সড়কটির কাজ পায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মেসার্স লোকমান হোসাইন ও মেসার্স মোস্তফা কামাল (জেভি)। চুক্তি অনুযায়ী কাজ শুরু করার জন্য সময় ধরা আছে ২৩ জুন ২০১৯ এবং কাজ শেষ করতে হবে ১৯ মার্চ ২০২০ এর মধ্যে। তবে নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও এখনো কাজ শুরু করছে না ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, আমাদের কোন গাফিলতি নাই। কারণ সারাদেশে বন্যা ও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার প্রভাব ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়ও পড়েছে। যার কারণে কাজ শুরু করা যাচ্ছে না। বৃষ্টিপাত শেষ হলেই কাজ শুরু হবে। দেরি হলেও কাজ নির্ধারিত সময়েই শেষ হবে বলেও জানান তিনি।
আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজিমুল হায়দার জানান, উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগের সড়কটি অবস্থা খুব নাজুক। এলজিইডি ও ঠিকাদারকে বলা হয়েছে দ্রæত কাজ শেষ করতে।

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন