ঢাকা, শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২০, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭, ২৪ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

পাপুল পরিবারের তথ্য চেয়েছে দুদক

জয়েন্ট স্টকে চিঠি

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৩০ জুন, ২০২০, ১২:০০ এএম

কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল, তার স্ত্র্রী, মেয়ে এবং শ্যালিকার নামে কি কি প্রতিষ্ঠান রয়েছে সেই তথ্য জানতে যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমুহের (জয়েন্ট স্টক) নিবন্ধকের কাছে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল দুদকের উপ-পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন এ নোটিশ দেন। 

দুদক সূত্র জানায়, অর্জিত সম্পদের তথ্য জানতে পাপুল ও তার স্ত্রী সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি সেলিনা ইসলাম, মেয়ে ওয়াফা ইসলাম ও সেলিনার বোন জেসমিনের নামে কোম্পানির নিবন্ধনপত্র, কোম্পানির মেমোরেন্ডাম ও অংশীদারত্বের চুক্তিপত্রসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র জরুরি ভিত্তিতে চাওয়া হয় চিঠিতে। সূত্রমতে, এমপি এবং এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালক কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে গ্রাহককে লোন বরাদ্দ করাসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ মানিলন্ডারিং করে বিদেশে পাচার এবং শত শত কোটি টাকা জ্ঞাত আয় বহিভর্‚ত সম্পদ অর্জন অভিযোগের অনুসন্ধান করছে দুদক। এ বিষয়ে দুদক পরিচালক (জনসংযোগ) প্রনব ভট্টাচার্য বলেন, এমপি পাপুলের বিষয়ে দুদকের অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। এরইমধ্যে তার পরিবারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের অনুসন্ধান কর্মকর্তা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চিঠি পাঠাচ্ছেন।
এদিকে জয়েন্ট স্টক কোম্পানি সূত্র জানায়, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডে কাজী শহিদ ইসলামের নামে ২ কোটি ২১ লাখ শেয়ার রয়েছে। আর তার স্ত্রী সেলিনা ইসলামের নামে রয়েছে ১ কোটি ৯ লাখ শেয়ার। প্রতিটি শেয়ারের দাম ১০ টাকা হলে ব্যাংকটিতে তাদের বিনিয়োগ প্রায় ৩৩ কোটি কোটি টাকা। তবে এর বাইরেও তার বড় অঙ্কেও শেয়ার থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এর আগে গত ২১ জুন তাদের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সব হিসাব স্থগিত করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট নথিপত্র তলব করে চিঠি দেয় দুদক। গত ১৮ জুন পাপুল, তার স্ত্রী, মেয়ে ও শ্যালিকাকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে সংস্থাটি। ওই দিনই পাপুল দম্পতি ও পাপুলের শ্যালিকার আয়করের নথিপত্র চেয়ে এনবিআরের কর অঞ্চল-৫ ও কর অঞ্চল-১৩ এর ডেপুটি কমিশনার বরাবর দেয়া চিঠিতে গত তিন অর্থবছরের আয়কর রিটার্নসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র চায় দুদক। গত ১৬ মার্চ তাদের নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহের জন্য অর্থ প্রাপ্তির সম্ভাব্য উৎসের বিবরণী (ফরম-২০), সম্পদ ও দায় এবং বাৎসরিক আয় ও ব্যয়ের বিবরণী (ফরম-২১), দাখিলকৃত শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদসহ প্রার্থীর দাখিল করা অন্যান্য রেকর্ডপত্র চেয়ে চিঠি দিয়েছিল। অর্থ ও মানবপাচার এবং ভিসা বিক্রির অভিযোগে কুয়েতে গ্রেফতার পাপুল ও তার কুয়েতি প্রতিষ্ঠান মারাফি কুয়েতিয়া কোম্পানির অ্যাকাউন্টে ৫০ লাখ কুয়েতি দিনার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৩৭ কোটি ৮৮ লাখ ৮৩ টাকা) জব্দের খবর পাওয়া গেছে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন