বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ০৩ জামাদিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী

সারা বাংলার খবর

দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচনের ইতিহাস এদেশে নেই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৪ অক্টোবর, ২০২১, ৪:২৭ পিএম

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেছেন, দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার ইতিহাস বাংলাদেশে নেই। দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন হলে তা প্রশ্নবিদ্ধ হয়। অতীতে তা বার বার প্রমাণিত হয়েছে। দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে তা প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা থেকেই ১৯৯৩ সালে সংসদের বিরোধী দলের নেতার মস্তিস্কপ্রসূত দল-নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয় এমন সরকারের যৌক্তিকতা ও প্রয়োজনীয়তা সেদিনের মত আজকেও দেশবাসী মর্মে মর্মে অনুধাবন করছেন।

আজ সোমবার এক বিবৃতিতে মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, রাজনীতি সচেতন মহলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। কারণ, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ইতিপূর্বের তিনটি সংসদ নির্বাচন স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার অনন্য দৃষ্টান্তের এক উজ্জ্বল উদাহরণ। অপরদিকে পরবর্তীতে দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলোতে সরকারী প্রভাবে নির্বাচন কমিশন আর পক্ষপাতদুষ্ট প্রশাসন সর্বস্তরেই জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে বারবার ব্যর্থ হয়েছে। ভোটার বিহীন নির্বাচন, মধ্যরাতের ভোট, অর্ধেকেরও বেশী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত সাংসদ ইত্যাদি নমুনার মাধ্যমে প্রমাণিত সত্য।
এদিকে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কুমিল্লা জেলা (পূর্ব) শাখার সাবেক সেক্রেটারী মাওলানা হাবিবুর রহমান আশরাফীর শ্বশুর চাঁদপুর ফরিদগঞ্জ মজিদিয়া কামিল মাদরাসার সহযোগী অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল করীম সিদ্দিকী (৮৫) গতকাল দুপুরে গোসল করার সময় পুকুরে ডুবে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। ইন্তেকালের সময় তিনি স্ত্রী, ৯ ছেলে ও ৩ মেয়ে, নাতী-নাতনী, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও হিতাকাঙ্খি রেখে গেছেন। মরহুমের ৯ ছেলের মধ্যে ৯ ছেলেই আলেম এবং ৮ ছেলে হাফেজে কোরআন।
অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল করীম সিদ্দিকীর ইন্তেকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব প্রিন্সিপাল মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম গভীর শোক প্রকাশ করে মরহুমের মাগফিরাত কামনা করেছেন। এক শোকবাণীতে নেতৃদ্বয় মরহুমের মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল করীম সিদ্দিকীর ইন্তেকালে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বাদ মাগরিব এক দোয়া অনুষ্ঠত হয়। এতে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ অনেক মুসল্লি অংশ নেন।
ঢাকা মহানগর ৬৭ নং ওয়ার্ড শাখার দাওয়াতী সভা: গতকাল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ-এর ৬৭নং ওয়ার্ড শাখার উদ্যোগে শাখা সভাপতি ৬৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজী ইব্রাহিম খলিলের সভাপতিত্বে দাওয়াতী সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় শিক্ষা-সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মাদ নেছার উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সহ-সভাপতি আলহাজ আলতাফ হোসেন, কেন্দ্রীয় যুবনেতা মুফতী মানসুর আহমাদ সাকী, শ্রমিকনেতা সৈয়দ ওমর ফারুক।

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (1)
jack ali ৪ অক্টোবর, ২০২১, ৫:০৮ পিএম says : 0
প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, আপনারা কি ধরনের ইসলামিক আন্দোলন করেন??????? মানব রচিত আইন হচ্ছে বর্ড় শিরিক,, আর যারা বড় শিরিক করে তারা আর মুসলমান বলে পরিচয় হারিয়ে যায় তারা কাফের হয়ে যায়... শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহমতউল্লাহ লিখেছেন: অকাট্য দলিল ও সমস্ত উম্মাহর ঐক্য বদ্ধ ঐক্যমতের ভিত্তিতে একথা স্পষ্ট যে ব্যক্তি ইসলাম ব্যতীত অন্য ধর্মকে সমর্থন করবে কিংবা মোহাম্মদ [সাঃ] শরিয়া ব্যতীত অন্য কোন রাষ্ট্রব্যবস্থাকে সমর্থন করবে সে কাফের. যেভাবে কেউ কোরআনের কিছু অংশ বিশ্বাস করে আর কিছু অংশ অবিশ্বাস করলে কাফের হয়. { মাজমুউ ফাতাওয়া শাইখুল ইসলাম 524/28 } Surah:5: Ayat:44: “যে ব্যক্তি আল্লাহর বিধান অনুযায়ী বিচার করে না এমন লোক তো পূর্ণ কাফির” তো নবী [সাঃ] নবীজির জীবনে 10 বছরে প্রায় 100 পাঁচটা যুদ্ধ হয়েছিল…..নিজেই সাতাশটা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন কাফেরদের বিরুদ্ধে যারা আল্লাহর আইন দিয়ে দেশ শাসন করত না…
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন