শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২, ০৭ মাঘ ১৪২৮, ১৭ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

বিনোদন প্রতিদিন

ঘৃণা উদ্গীরক চলচ্চিত্রের বক্স অফিসে সাফল্য

ভারতে ইসলামবিদ্বেষ-হিন্দু জাতীয়তাবাদের উত্তরণ : আমাদের সবার উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত

ওয়াশিংটন পোস্ট | প্রকাশের সময় : ১৯ নভেম্বর, ২০২১, ১২:০৪ এএম

মুম্বাইতে সূর্যবংশী ছবির একটি পোস্টার -সংগৃহীত


এক মুসলিম যুবক ভারতীয় সমাজে নিজেকে হিন্দু হিসাবে উপস্থাপন করে এবং গাড়ির মেকানিক হিসাবে কাজ করে একটি শান্ত ঘরোয়া জীবন যাপন করছিল। কিন্তু যখন তার সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর প্রধান তাকে ফিরিয়ে নিতে আসে, তার হিন্দু স্ত্রী সন্ত্রাসী ষড়যন্ত্রের বিষয়ে তার মুখোমুখি হয়। এ কারণে তার স্ত্রীকে জিহাদের নামে হত্যা করা হয়। অনতিবিলম্বে দেখা যায় যে, যুবকটি এবং অন্যান্য মুসলিম পুরুষরা প্রার্থনা করছে এবং সন্ত্রাসী আক্রমণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ওপরে বর্ণিত দৃশ্যগুলো সম্প্রতি ভারতে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘সূর্যবংশী’ চলচ্চিত্রে দেখানো হয়েছে, যেটি এ মুহূর্তে দেশটির বক্স অফিসে রাজত্ব করছে। চলচ্চিত্রটি ভারতের হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপির বিপজ্জনক ‘লাভ জিহাদ’ ইস্যুকে উস্কে দিয়েছে, যা হিন্দু নারী বা মেয়েদের প্রলুব্ধ বা অপহরণ করে তাদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার জন্য মুসলিম পুরুষদের কথিত ষড়যন্ত্রকে চিত্রিত করে।

করোনা মহামারির লকডাউন শিথিল করার পর সূর্যবংশী হ’ল ভারতের অন্যতম সফল ছবি। এর সাফল্য ভারতের ঘৃণা এবং বৈষম্যমূলক পরিবেশে অবদান রাখছে, ভারতের আনুমানিক ২শ’ মিলিয়ন মুসলিমকে প্রতিদিন যার মুখোমুখি হতে হবে। চলচ্চিত্রের প্রতি তৃতীয় ফ্রেম একটি রক্তক্ষয়ী ইসলামবিদ্বেষকে প্রতিফলিত করে। এর প্রধান চরিত্রে রয়েছেন ভারতের অন্যতম বড় তারকা অক্ষয় কুমার, যিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একজন বড় ভক্ত এবং যুদ্ধবাজ ও উগ্র দেশপ্রেমমূলক চলচ্চিত্রের জন্য খ্যাত।

সূর্যবংশীতে কুমার অভিনীত একটি উচ্চ-শ্রেণীর হিন্দু চরিত্র দেশপ্রেমের পাঠ দেয়। এর বিপরীতে, তার মুসলিম প্রতিপক্ষ ঘৃণা দিয়ে প্রতিক্রিয়া জানায়; লম্বা দাড়ি আর টুপি নিয়ে সে দেশের প্রতি অকৃতজ্ঞ। চলচ্চিত্রটিতে প্রতিবার যখন নায়ককে সফলভাবে ভারতীয় মুসলিমদের মোকাবেলা করতে দেখা যায়, হলের হিন্দুবাদী দর্শকদের উচ্ছসিত হয়ে শিস এবং করতালি দিতে দেখা যায়।

সূর্যবংশীতে মোদি সরকারের ডানপন্থী হিন্দু জাতীয়তাবাদী কার্যক্রমের সাথে একাত্মতা প্রকাশের ক্ষেত্রে কোনো রাখঢাক করা হয়নি। এটি কাশ্মীরকে প্রদত্ত বিশেষ মর্যাদা বাতিলকে ন্যায্য বলে দাবি করে, যেখানে হাজার হাজার যুবককে আটক করা হয় এবং ২০১৯ সালে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট আরোপ করা হয়। মোদির সরকারের মতোই, চলচ্চিত্রটি যুক্তি দেখায় যে, ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করে মুসলিমদের নাগরিকত্ব সংশোধনের আইনটি সন্ত্রাসবাদকে নিশ্চিহ্ন করেছে।

কুমারের নায়ক চরিত্রটি মুম্বাইতে ১৯৯৩ সালের বিস্ফোরণ সম্পর্কে কথা বলেছেন, কিন্তু সুবিধামত ১৯৯২ সালের মুসলিমবিরোধী হত্যাকাণ্ডকে উপেক্ষা করে গেছেন। চরিত্রটি সযত্নে গুজরাটের ২০০২ সালের দাঙ্গা, ২০০৬ সালের মালেগাঁও বিস্ফোরণ, যা জুমার নামাজের পরে মুসলিমদের হত্যা করেছিল এবং ২০০৮ সালের মালেগাঁও বিস্ফোরণ, যেখানে ভারতীয় সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জড়িত ছিলেন, সেসব তথ্য উপেক্ষা করেছেন।
সূর্যবংশীতে একজন মুসলিম শিক্ষক এবং মাওলানাকে পাকিস্তানের অর্থায়নে একটি সন্ত্রাসী পরিকল্পনার মাস্টারমাইন্ড হিসাবে দেখানো হয়েছে। নির্মাতাদের উচিত ছিল অন্তত মোদি ও তার সহযোগীদের চলচ্চিত্রটি লেখার কৃতিত্ব দেওয়া। দুঃখজনকভাবে, ছবিটি প্রযোজনা করেছেন প্রখ্যাত পরিচালক করন জোহর, যিনি ৯/১১-এর পর মুসলিমদের ওপর সংঘটিত পৈশাচিকতাকে চিত্রিত করে ‘মাই নেম ইজ খান’ চলচ্চিত্র তৈরি করেছিলেন। কিন্তু সেই ইতিহাস মোদির রাজত্বের আগের।

করন যদি কাশ্মীর নিয়ে কোনো খবর পড়তেন, তাহলে হয়তো বাস্তবতাটি পরিবেশন করতেও পারতেন। কিন্তু উদ্দেশ্য যখন অপপ্রচার, তখন কে বাস্তবতার কথা বলতে চায়? ইতোমধ্যেই, বিজেপি সরকার জোহরের এই নতুন বিশ্বদর্শনের পুরস্কার দিয়েছে। তিনি সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তার ক্ষমতাশালী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পেয়েছেন।

এদিকে, ভারতের পুলিশ সম্প্রতি ১০২টি টুইটার অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে, যার মধ্যে সাংবাদিক, আন্দোলন কর্মী এবং আইনজীবীরা রয়েছেন, যারা অক্টোবরে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ত্রিপুরায় মুসলিমবিরোধী সহিংসতার বিরুদ্ধে কথা বলেছিল এবং যারা হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের মসজিদ ভাঙচুর এবং মুসলিমদের বাড়িতে হামলা চালানোর প্রতিবাদ করেছে। ত্রিপুরা পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনে তাদের পিছু নিয়েছে।

এছাড়া, নয়াদিল্লিতে কয়েক সপ্তাহ ধরে হিন্দু জাতীয়তাবাদীরা মুসলিমদের জুমার নামাজে বাধা দিয়েছে এবং ভারতের মুসলিমরা অবশেষে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এরপর, ৫ নভেম্বর ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) একজন নেতার উপস্থিতিতে এক বিশাল হিন্দু প্রার্থনা সভার আয়োজন করা হয়। সেইসাথে, ভারতে বিদেশী অর্থ ব্যবহার করে সন্ত্রাস ছড়ানোর অভিযোগে মোদি সরকার ইসলামিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সংগঠনগুলোকে বন্ধ করে দিয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে সূর্যবংশীর মতো একটি চলচ্চিত্র কেবল বিনোদন নয়, এটি হিন্দু কট্টরপন্থীদের সহিংসতার অসংখ্য ঘটনাকে উপেক্ষা করে মুসলিমদের সন্ত্রাসী হিসেবে পরিবেশন করার একটি ষড়যন্ত্র। সূর্যবংশী দেখার পর নাৎসি জার্মানির কথা না ভাবা অসম্ভব, যেখানে হিটলার একটি চলচ্চিত্র শিল্প গড়ে তুলেছিলেন, যা তার প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে ইহুদিদের বিরুদ্ধে ঘৃণামূলক চলচ্চিত্র তৈরি করেছিল। বলিউড যদি হিন্দু জাতীয়তাবাদের লালন এবং মুসলিমদের প্রতি ঘৃণার এই আক্রমণাত্মক উত্তরণ অব্যাহত রাখে, তাহলে এর হাতও রক্তে রঞ্জিত হবে। বক্স অফিসের কোনো রেকর্ডই তা মুছতে পারবে না।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (26)
Mulla Tashfin ১৮ নভেম্বর, ২০২১, ৯:০০ পিএম says : 7
ভারত কেবল সিনেমাতেই পারে!!! এদের মতো কাপুরুষ রাষ্ট্র পৃথিবীতে আর একটাও পাওয়া যাবে না।
Total Reply(0)
তরিকুল ১৮ নভেম্বর, ২০২১, ৮:৩১ পিএম says : 0
ইনশায়াল্লাহ, এই মুসলিম বিদ্বেষই একদিন ভারতের কাল হয়ে দাঁড়াবে। সেদিন গেরুয়া সন্ত্রাসীদের খুঁজে পাওয়া যাবে না উপমহাদেশ থেকে।
Total Reply(0)
নাজমুল হাসান ১৮ নভেম্বর, ২০২১, ৮:৩০ পিএম says : 0
এমনিতেই ভারতে প্রতিনিয়ত মুসিলমরা নির্যাতিত নিপীড়িত হয়ে আসছে। এই সিনেমাটি তাতে আরও ঘি ঢিলে দেবে বলে মনে করি। যার প্রভাবে প্রতিদিন বহু মুসলিম উগ্র হিন্দুদের সন্ত্রাসী হামলার শিকার হবে। আর জঙ্গি রাষ্ট্র ভারত তাতে সমর্থন দেবে।
Total Reply(0)
Jahidul Islam ১৮ নভেম্বর, ২০২১, ৮:২৭ পিএম says : 0
উগ্রবাদি বিজেপি সরকারের মদদে ভারতে পরিকল্পিতভাবে মুসলিম বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে। এবার সিনেমার মাধ্যমে সেই কাজটি করা হলো। এর ফল অবশ্যই উগ্র হিন্দুরা একদিন ভোগ করবে।
Total Reply(0)
মোঃ কামরুজ্জামান ১৮ নভেম্বর, ২০২১, ৮:২৮ পিএম says : 0
পৃথিবীর বুকে একটা কাপুরুষ দেশ ভারত, যারা কারোর সাথে আদর্শিক ভাবে না পেরে সিনেমা বানিয়ে বিশ্ব জয় করে ফেলে!! এদের লজ্জা থাকলে এটা করতো না।
Total Reply(0)
Sayful Islam Rayhan ১৮ নভেম্বর, ২০২১, ৮:৫৭ পিএম says : 1
ভারত একটা উগ্র হিন্দু জংগী রাষ্ট্র,,,,
Total Reply(0)
Mehedi Hasan ১৮ নভেম্বর, ২০২১, ৮:৫৮ পিএম says : 0
এজন্যই ভারতের আজ এই অবস্থা,,,
Total Reply(0)
গিয়াস উদ্দীন ফোরকান ১৮ নভেম্বর, ২০২১, ৮:৫৯ পিএম says : 0
তীব্র নিন্দা জানাই।
Total Reply(0)
Md. Ariful Islam ১৮ নভেম্বর, ২০২১, ৮:৫৬ পিএম says : 0
ভারতের মুসলমানরা হিন্দু জঙ্গি দের অত্যাচারে নরকে আছে।
Total Reply(0)
আবদুল্লাহ আল মাসুম ১৮ নভেম্বর, ২০২১, ৮:৫৬ পিএম says : 0
ভারত ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যাক
Total Reply(0)
Sabuj Hassan ১৮ নভেম্বর, ২০২১, ৮:৫৬ পিএম says : 0
তোদের এই বাড়াবাড়ির কারনেই ভারত ভাঙবে
Total Reply(0)
Aahammad Ullah ১৮ নভেম্বর, ২০২১, ৮:৫৬ পিএম says : 0
আল্লাহ সবচেয়ে বড় কৌশলবিদ।আল্লাহ কোন কৌশলে ধরবেন তা একমাত্র তিনিই যানেন। আপনাদের কৌশলে কোন কাজ হবেনা।
Total Reply(0)
Şəķh Zihad ১৮ নভেম্বর, ২০২১, ৮:৫৭ পিএম says : 0
বাংলাদেশের ভারতীয় দালালরা কোথায় তোমরা!!! দেখো তোমাদের আ... দেশ কতো ভালো।
Total Reply(0)
সুশান্ত কুমার্ ১৮ নভেম্বর, ২০২১, ৮:৩৩ পিএম says : 5
আমি হিন্দু হলেও এই ধরনের বিভাজনমূলক ও বিদ্বেষপূর্ণ সিনেমা ঘৃণা করি। এটা আমাদের হাজার বছরের সম্প্রীতির ধারাবাহিকতাকে ব্যাপবভাবে বিনষ্ট করবে।
Total Reply(0)
মামুন রশিদ চৌধুরী ১৮ নভেম্বর, ২০২১, ৮:৩৩ পিএম says : 0
এখন থেকে অক্ষয় কুমারের সিনেমা দেখা বাদ দিলাম। সবার আগে আমার কাছে ইসলাম ও মুসলমান আগে। মুসলিম বিদ্বেষীদের বয়কট করার আহ্বান জানাচ্ছি।
Total Reply(0)
কায়কোবাদ মিলন ১৮ নভেম্বর, ২০২১, ৮:৩৫ পিএম says : 0
ভারতের মুসলিমদের জেগে উঠতে হবে, আর ঘুমালে চলবে না আর ভয় পেয়ে চললে হবে না, এখন সময় ঘূরে দাঁড়ানোর। যদি তা না করেন তাহলে শক্তি শেষ হয়ে গেলে কিছু করার থাকবে না।
Total Reply(0)
নিজাম ১৮ নভেম্বর, ২০২১, ৯:০২ পিএম says : 0
বয়কট ‘সূর্যবংশী. বয়কট অক্ষয় কুমার, বয়কট ইন্ডিয়ান মুভি, বয়কট বলিউড।
Total Reply(0)
নিরব হেলাল ১৮ নভেম্বর, ২০২১, ৯:০৩ পিএম says : 0
নিজেদের ছড়ানো বিদ্বেষের আগুণেই ভারত একদিন ছাই হয়ে যাবে সেদিন আর বেশি দূরে নয়।
Total Reply(0)
বিধান কবিরাজ ১৮ নভেম্বর, ২০২১, ৯:০৪ পিএম says : 0
প্রতিবাদে মুসলিমদের আদর্শিক সিনেমা বানিয়ে দেখিয়ে দেওয়ার দরকার উগ্রবাদি হিন্দুদের।
Total Reply(0)
নিলিমা জাহান তনুশ্রী ১৮ নভেম্বর, ২০২১, ১০:৩৯ পিএম says : 0
ভারতীয় সমাজের রন্ধে রন্ধে মুসলিম বিদ্বেষকে কতটা কুকৌশলে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এই ছবিটি তার প্রমাণ। উগ্র হিন্দুত্ববাদিরা বিশ্বাস করে যে, তারা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে সামাজিকভাবে মুসলিমদের নির্মূল করবে কিন্তু কখনই তাদের এই দিবা স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে না। উলটো মহান আল্লাহ আবারও মুসলিম শাসন কবুল করতে পারেন।
Total Reply(0)
মিনার রশিদ ১৯ নভেম্বর, ২০২১, ৬:৪৩ এএম says : 0
ভারতের মুসলিমদের জন্য হয়তো আরও ভয়াবহ পরিণতি অপেক্ষা করছে...তবে উগ্রবাদি হিন্দুরা খুব নিকটেই পরাজিত হবে ইনশায়াল্লাহ।
Total Reply(0)
Shantanur Khokan ১৯ নভেম্বর, ২০২১, ৬:৪২ এএম says : 0
ওরা দুবাইসহ গোটা মধ‍্যপ্রাচ‍্যে যখন অর্ধউলঙ্গ হয়ে নেচেগেয়ে শেখ আমীরদের ধরাশায়ী করে ফেলছে তখন ওরা মুসলমানদের ভেড়া ছাড়া আরকি ভাববে
Total Reply(0)
Nazmul Hasan ১৯ নভেম্বর, ২০২১, ১১:০৮ এএম says : 0
ভারতের মুসলিমরা যদি এখনও না জাগে তাহলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। উগ্রবাদি হিন্দুরা চায় মুসলিমদের সমূলে উৎখাত করতে। সেলক্ষেই সিনেমা বানিয়ে মুসলিম বিদ্বেষ ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
Total Reply(0)
Mohiuddin ১৮ নভেম্বর, ২০২১, ৯:২৮ পিএম says : 0
উগ্রতা, হিংসা ও সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়ে মোদি সরকার সাময়ীক রাজনৈতিক সুবিধা পেলেও এর পেছনেই যে মোদি সরকার ও ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদের পতন অপেক্ষা করছে মোদির গেরুয়া রঙ্গীন চশমায় তা দেখা যাচ্ছে না। শয়তানের শয়তানী খেলা নিপাত যাক, সত্য ও মানবতা মুক্তি পাক।
Total Reply(0)
নিরব হেলাল ১৯ নভেম্বর, ২০২১, ৯:০২ পিএম says : 0
সিনেমা দিয়ে বিদ্বেষ ছড়িয়ে কখণও মুসলিমদের দমন করা যাবে না। ইনশায়াল্লাহ ভারত আবার মুসলিমরা শাসন করবে।
Total Reply(0)
নিজাম ১৯ নভেম্বর, ২০২১, ৯:০৩ পিএম says : 0
ঘৃণার আগুনেই ভারত একদিন শেষ হয়ে যাবে। সেদি উগ্রবাদি বিজেপি আরএসএসকে খুঁজে পাওয়া যাবে না।
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন