শুক্রবার, ১২ আগস্ট ২০২২, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৯, ১৩ মুহাররম ১৪৪৪

ব্যবসা বাণিজ্য

সম্ভাবনাময়ী রাঙ্গুনিয়ায় গড়ে উঠছে না শি

| প্রকাশের সময় : ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, ১২:০০ এএম

নুরুল আবছার চৌধুরী, রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) : প্রচুর সম্ভাবনা থাকা সত্তে¡ও রাঙ্গুনিয়ায় নতুন করে কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে না। এককালে শিল্পে রাঙ্গুনিয়ার গৌরবময় ঐতিহ্যের অংশ বিভিন্ন শিল্প কারখানা মুখ থুবড়ে পড়েছে। কৃষি ও শিল্প কারখানায় দেশের অন্যতম স্বনির্ভর উপজেলা রাঙ্গুনিয়া। আধুনিক যন্ত্রপাতি সমৃদ্ধ কর্ণফুলি জুট মিল পাকিস্তান আমলে দাউদ কোম্পানি স্থাপন করেন। স্বাধীনতা পরবর্তীতে তা জাতীয়করণ করা হয়।
কর্ণফুলী জুট মিলস ও ফোরাত কর্ণফুলী কার্পেট ফ্যাক্টরি ২০১৩ সালের ২৬ জানুয়ারি সরকারি তত্ত¡াবধানে পুনরায় চালু হয়। উদ্বোধনের তিন মাসের মধ্যে শ্রমিক-কর্মচারীদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় মিলের উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়। মানসম্মত পণ্য উৎপাদন হওয়ায় বিখ্যাত সুতা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের মডেল মিল হিসেবে স্বীকৃতি এবং উৎপাদন, কারিগরি পুরস্কার লাভ করে। দেশের মূল্যবান গøু ও ফরমালিন উৎপাদনকারী মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ণ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ রাঙ্গুনিয়ায়।
মিল সূত্র জানায়, বর্তমানে বিজেএমসি ও মিল কর্তৃপক্ষের কাছে এখানকার উৎপাদিত পণ্যের প্রচুর বিক্রয় আদেশ রয়েছে। তারপরও আর্থিক ও কাঁচামাল সঙ্কটে মিলের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিদিন ৪০০ মণ পাট প্রয়োজন। সেখানে মাত্র ১০ মণ পাট সরবরাহ হচ্ছে। কাজের অভাবে শ্রমিকেরা বেকার হয়ে পড়ছেন। মিলের ৬০টি স্পিনিং মেশিনের মধ্যে ২০-২৫টি কোনো রকমে চালু রয়েছে। শ্রমিক নেতা মো: ইসকান্দর মিয়া বলেন, পাট সংগ্রহের উপযুক্ত সময়ে কর্তৃপক্ষ মাঠপর্যায়ে থেকে ন্যায্য মূল্যে পাট সংগ্রহ করতে না পারলে পরে বেশি দামে ক্রয় করলে উৎপাদনের সাথে বিক্রির বড় ব্যবধান সৃষ্টি হবে।
সূত্র জানায়, ২০০৭ সালে বিজেএমসির নিয়ন্ত্রণাধীন ডিএফডি লিমিটেড মিল দু’টি বন্ধ ঘোষণা করে। তত্ত¡াবধায়ক সরকারের সময়ে ‘মুসা সাদ গ্রুপ’কে ভাড়ায় লিজ দেয়া হয়। মুছা সাদ গ্রুপ দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে ব্যাপক হারে শ্রমিক ছাঁটাই, মিলের মেশিনারি যন্ত্রাংশের ব্যাপক ক্ষতি করে বলে মিল সূত্রে জানা গেছে। পরে মিল দু’টি চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়। মেহনতি শ্রমিকদের প্রচেষ্টায় মিল দু’টি লাভের মুখ দেখে।
২০০৭ সালে কেএফডিসহ আরো চারটি পাটকল লোকসানের কারণে বন্ধ ঘোষণা করে। মহাজোট সরকার খুলনার দৌলতপুর জুটমিল, পিপলস্ জুট মিল, রাঙ্গুনিয়ার কর্ণফুলী জুট মিল, ফোরাত কর্ণফুলী জুট মিল, যশোরের আলিম জুট মিল ক্রমান্বয়ে চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করে। চালু করা মিলের মধ্যে শুধু কেএফডির শ্রমিকদের স্থায়ীকরণ ও নিয়োগপত্র এখনো দেয়া হয়নি। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি এখনো নিশ্চিত করা হয়নি বলে শ্রমিকরা অভিযোগ করেন। কেএফডি শ্রমিকদের সাথে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে বলে শ্রমিকেরা অভিযোগ করেছেন।
শ্রমিকেরা জানান, বর্তমানে কেএফডিতে প্রায় ৮০০ শ্রমিক কর্মরত আছেন। এর মধ্যে মহিলা শ্রমিক তিন শতাধিক। সরকারি নীতিমালা মোতাবেক শ্রমিকদের যোগ্যতা অনুসারে বেতন নির্ধারণের নিয়ম থাকলেও কর্ণফুলী জুট মিলে তা মানা হচ্ছে না। তারপরও শ্রমিকদের মধ্যে তিন গ্রেডে সর্দার, সাজেন্টসহ শতাধিক শ্রমিককে বেতন দেয়া হচ্ছে দৈনিক ২৮৯ টাকা। দুই শতাধিক শ্রমিককে দৈনিক ২৮৫ টাকা ও পাঁচ শতাধিক শ্রমিককে দৈনিক ২৭৭ টাকা করে মজুরি দেয়া হচ্ছে। তা ছাড়া ডেপ্লামেন্ট ডেকোরেটর ফেব্রিকসের (ডিএফডি) ৩০ জন শ্রমিক দৈনিক মাত্র ১৬৫ টাকা বেতনে চাকরী করছেন।
পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, লাভজনক করতে ২০০৮ সালের ৩১ জুলাই এ পাটকল দু’টি পাঁচ বছরের জন্য লিজ দেয় সরকার। ২০১৩ সালের ২৬ জানুয়ারি ওই প্রতিষ্ঠানটির লিজের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে তা আবারও সরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরিয়ে আনা হয়। মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের পরিচালনাধীন রাঙ্গুনিয়ায় অবস্থিত ইস্টার্ন কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লি. কে লোকসান দেখিয়ে লিজ দিয়ে লাভজনক এই শিল্প প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেয়ার চেষ্টা করছে কর্তৃপক্ষ। অথচ ট্রাস্টের অন্যান্য শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তুকি দিয়ে চালানো হলেও এ পর্যন্ত ইস্টার্ণ কেমিক্যালে কখনো ভর্তুকি দেয়নি ট্রাস্ট।
রাঙ্গুনিয়ার ইস্টার্ন কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজসহ মোট ৯টি শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে লিজ দিতে গত জুলাই মাসে একটি জাতীয় দৈনিকে টেন্ডার আহবান করেন মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষ। ট্রাস্টের মোট ৩২টি শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রাঙ্গুনিয়ার ইস্টার্ন কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ, ঢাকার তেজগাঁও শিল্প এলাকায় মিমি চকোলেট লিমিটেড ও টয়েনবি সার্কুলার রোডে পূর্ণিমা ফিলিং এন্ড সার্ভিস স্টেশন চালু আছে বর্তমানে। বাকি গুলো বন্ধ করা হয়। ট্রাস্টের সব শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের নাম-নিশানা মুছে ফেলার সব প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে। অনিয়ম অব্যবস্থাপনা ও কর্তৃপক্ষের গাফেলতির কারণে ক্রমান্বয়ে লোকসানের ফাঁদে ফেলা রাঙ্গুনিয়ার ইস্টার্ন কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ এখনো মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের একটি লাভজনক শিল্প প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত।
গতবছরও এই শিল্প প্রতিষ্ঠান ট্রাস্টের লাভজনক প্রতিষ্ঠানের তালিকায় ছিল। সঠিক পরিকল্পনা ও প্রয়োজনীয় জনবলের অভাবে মাত্র কয়েক মাস ধরে এটি লোকসান গুণছে। চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায় ইস্টার্ণ কেমিক্যালের মালিকানাধীন দুটি প্লটে এখন একটি ডেভেলপার কোম্পানির মাধ্যমে ১৯ ও ২৯ তলা বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। ডেভেলপার কোম্পানির কাছ থেকে জামানত হিসেবে নেয়া হয়েছে ১৫ কোটি টাকা। ব্যাংক থেকে এই ১৫ কোটি টাকার ৮ শতাংশ হারে লভ্যাংশ পাচ্ছে ট্রাস্ট। প্রতিষ্ঠানটির আড়াই কোটি টাকার ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল রয়েছে। প্রায় এক কোটি টাকার কাঁচামাল মজুদ আছে। এই শিল্প প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে ৪ জন কর্মকর্তা, ২৪ জন কর্মচারী ও ১২ জন শ্রমিকসহ মোট ৪০ জন কর্মরত আছেন। এ ছাড়া অস্থায়ী শ্রমিক কাজ করেন আরো ৪০-৫০ জন। সব মিলিয়ে কর্মকর্তা ও শ্রমিক কর্মচারীদের মাসিক বেতনের পেছনে ব্যয় হয় সাড়ে আট লাখ টাকা। বর্তমানে গড়ে মাসিক উৎপাদিত মালামাল বিক্রি করে পান ২২ লাখ টাকা।
রাঙ্গুনিয়ার ১০ একর জমিতে প্রতিষ্ঠিত এই শিল্প প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাপক, ডেপুটি চিফ একাউন্টেনসহ কর্তা ব্যক্তিরা অফিস করে মোহরা শিল্প এলাকায় ট্রাস্টের অপর বন্ধ প্রতিষ্ঠান মাল্টিপল জুস কনসেনট্রেট প্ল্যান্টের অফিসে। অথচ রাঙ্গুনিয়ার কারখানায় অফিস করার মতো যথেষ্ট সুযোগ সুবিধা রয়েছে।
মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট সূত্র জানায়, ১৯৬৫ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের বাওয়ানি গ্রুপের প্রতিষ্ঠিত রাঙ্গুনিয়ার ইস্টার্ন কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর বাওয়ানি গ্রুপ বাংলাদেশ থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নিলে পরিত্যক্ত সম্পত্তি হিসেবে সরকার অধিগ্রহণ করেন। এরপর ১৯৭৮ সালে ইস্টার্ন কেমিক্যালকে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে ন্যস্ত করে তৎকালীন সরকার। রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার নোয়াগাঁও এলাকায় ১০.১ একর ভ‚মির উপর প্রতিষ্ঠিত এই শিল্প প্রতিষ্ঠানের পাশে নিজস্ব আরো ১৫ একর পাহাড়ি জমি রয়েছে। চট্টগ্রাম শহরের আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায় ২৪ ও ১৯ শতাংশের পৃথক দুটি প্লট আছে ইস্টার্ন কেমিক্যালের। প্লট দুটিতে ১৯ ও ২৯ তলা টাওয়ার নির্মাণ করছে। কারখানায় ফর্মালিন, ইউরিয়া ফর্মালডিহাইড এডহেসিভ গেøা, ইউরিয়া ফর্মালডিহাইভ কম্পাউন্ড পাউডার, থার্মোসেটিং মোলডিং আর্টিক্যাল তৈরি করা হয় ইস্টার্ন কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিতে। দৈনিক পাঁচ টন ইউরিয়া ফর্মালডিহাইড এডহেসিভ গেøা তৈরির ক্ষমতা সম্পন্ন এই প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন এডহেসিভ গেøা বিক্রি করেই আয় করছে আনুমানিক পাঁচ লাখ টাকা। চলতি মাসেই প্রায় এক কোটি টাকার এডহেসিভ গেøা বিক্রি করেছেন ইস্টার্ন কেমিক্যাল। সারাদেশে কয়েক হাজার টন এডহেসিভ গেøার চাহিদা থাকা সত্তে¡ও অদক্ষ ব্যবস্থাপনার কারণে উৎপাদন ও বাজারজাত করতে পারছে না প্রতিষ্ঠানটি। ইউরিয়া ফর্মালডিহাইভ কম্পাউন্ড পাউডার দিয়ে তৈরি হয় অত্যাধুনিক টয়লেট কমোট সিট, ক্রোকারিজ আইটেম, বোতাম, ইলেক্ট্রিক্যাল সুইস ও হোল্ডার। এই ইউনিটে একসময় দুই’শ ৫০ জন শ্রমিক কর্মচারী কর্মরত ছিলেন। একসময় এই শিল্প প্রতিষ্ঠানে উৎপাদিত মেলামাইন সামগ্রীর খ্যাতি ছিল দেশ জুড়ে। বিভিন্ন মেলামাইন কোম্পানি তাদের সামগ্রী ইস্টার্ণ কেমিক্যালের এই ইউনিটে ভাড়ায় উৎপাদন করে ব্যবসায় খ্যাতি অর্জন করলেও লাভজনক এই ইউনিটটি বর্তমানে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে।
দেশে একসময় একমাত্র ফরমালিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ণ কেমিক্যালে গত বিশ বছর ধরে বন্ধ রেখেছেন ফরমালিন উৎপাদন ইউনিট। বিদেশ থেকে মিথানল আমদানি করে উন্নত মানের ফরমালিন উৎপাদন করা হতো এখানে। ব্যক্তি মালিকানাধীন বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগসাজস করে মিথানল আমদাান বন্ধ করে ফরমালিন উৎপাদন বন্ধ করে দেন বিশ বছর আগে। বর্তমানে প্যারা ফরমালিন আমদানি করে ইউরিয়া ফর্মালডিহাইড এডহেসিভ গেøা, ইউরিয়া ফর্মালডিহাইভ কম্পাউন্ড পাউডার ইউনিট দুটি কোনো রকমে চালু রাখা হয়েছে। অথচ এই শিল্প প্রতিষ্ঠানে একসময় কম খরচে ফরমালিন উৎপাদন করা হতো। এখন অধিক মূল্যে আমদানি করে ইউনিট দুটো চালু রেখেছেন কোনো রকমে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ৬ এপ্রিল মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের আয় বাড়ানোর জন্য ট্রাস্টের মালিকানাধীন জায়গায় বহুতল ভবন নির্মাণের সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। এ ছাড়া রাঙ্গুনিয়ার ইস্টার্ণ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের কারখানা ও পাহাড়ি জমিতে কনটেইনার ডিপো তৈরির সুপারিশও করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। কমিটির ১২তম বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।
১৯৯৯ সালের ১০ অক্টোবর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইপিজেড প্রকল্প ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করার পর দীর্ঘ ১৭ বছর এ প্রকল্পটি ফাইলবন্দি রয়েছে। বর্তমানে রাঙ্গুনিয়ার আজিজ নগরে ৪শ’ একর জমিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে নতুন করে উদ্যোগ নেয়া হয়।
২০১০ সালের ৭ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বেসরকারি রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা পরিচালনা বোর্ডের ১৬তম সভায় চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় ইপিজেড স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণে নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ওই সভায় জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত একটি কমিটিও গঠন করা হয়।
পরে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল রাঙ্গুনিয়া ইপিজেড এলাকা পরিদর্শন করলে গত ১৭ জুন প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠকে জমি অধিগ্রহণের বিষয়টি অনুমোদন দেয়া হয়। ‘রাঙ্গুনিয়া ইপিজেডকে শতভাগ দেশীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রস্তাবিত ইপিজেড। কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, গার্মেন্টস এক্সেসরিজ, তথ্যপ্রযুক্তিসহ বিভিন্ন সেক্টরের বিনিয়োগকারীরা রাঙ্গুনিয়া ইপিজেড-এ বিনিয়োগ করার আগ্রহ দেখিয়েছিল। প্রসঙ্গত, ১৯৯৯ সালে রাঙ্গুনিয়া ইপিজেড প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর ২০০০ সালের ৩ ডিসেম্বরে বেশ কয়েকটি বেসরকারি কোম্পানি এ প্রকল্পের বিনিয়োগ লাইসেন্সও পেয়ে যায়। কিন্তু ২০০১ সালের সরকার পরিবর্তনের পর প্রকল্পটি মুখ থুবড়ে পড়ে। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর দুই দফা উদ্যোগ নেয়া হলেও তা আলোর মুখ দেখেনি।

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন