ঢাকা মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২১, ০৫ মাঘ ১৪২৭, ০৫ জামাদিউস সানী ১৪৪২ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

ভাস্কর্য-মূর্তি দুটোই ইসলামে নিষিদ্ধ

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৯ নভেম্বর, ২০২০, ১২:০০ এএম

ইসলামবিরোধী ভাস্কর্যের নামে মূর্তির পক্ষ নিয়ে ইমাম উলামা ও মুসলমানরা নিজেদের ঈমান বিক্রি করবে না। জনগণ মসজিদের শহরে ভাস্কর্যের নামে মূর্তি স্থাপন চায় না। বঙ্গবন্ধুর ঈমানী চেতনাকে উপলব্ধি করে ভাস্কর্যের পরিবর্তে মুজিব মিনার স্থাপন করুন। ভাস্কর্য বা মূর্তি অকল্যাণের প্রতীক। ইসলামে ভাস্কর্র্য বা মূর্তি উভয়ই নিষিদ্ধ। গতকাল শনিবার বিভিন্ন ইসলামী দলের আলোচনা সভা ও বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ : ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই শুক্রবার শান্তিনগরে মাদরাসার ছাত্রদের মিছিলে পুলিশের হামলা ও ১৮ জন মাদরাসা ছাত্র ও তৌহিদী জনতাকে আটকের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। গতকাল শনিবার এক বিবৃতিতে মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, ভাস্কর্র্য বা মূর্তির বিরোধীতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরোধীতা নয়।

এটা যারা বুঝতে পারে না, তারাই দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। ভাস্কর্যবিরোধী মাদরাসার ছাত্র-জনতার কর্মসূচিতে পুলিশের লাঠিচার্জ খুবই দুঃখজনক ঘটনা। নিরীহ মাদরাসার ছাত্রদের মিছিলে এধরণের লাঠিচার্জ সরকারের জন্য সুখকর হবে না। তিনি অবিলম্বে গ্রেফতারকৃত ১৮ জন মাদরাসা ছাত্র এবং ঈমানদার মুসল্লিদের মুক্তির দাবি জানান।

তিনি বলেন, দেশের শীর্ষ ধর্মীয় নেতাদের বিরুদ্ধে শাহবাগ ও চট্টগ্রামে ছাত্রলীগ, যুবলীগকে মাঠে নামিয়ে তাদের বিরুদ্ধে গালি-গালাজ করিয়ে সরকার অত্যন্ত খারাপ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। ছাত্র-যুবলীগ সারাদেশে যখন ধর্ষণের রাজত্ব কায়েম করেছে, তখন তাদের নিয়ন্ত্রণ ও নিবৃত না করে ওলামায়ে কেরামের বিরুদ্ধে উসকে দিয়ে সরকার অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক কাজ করেছেন।

মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশের হামলা সরকার নাস্তিক মুরতাদ ও শয়তানী শক্তির পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তিনি বলেন, ওলামায়ে কেরাম শুধু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্যবিরোধী নন, তারা সকল মানবমূর্তি বা ভাস্কর্যের বিরোধী। ওলামায়ে কেরাম বঙ্গবন্ধুসহ দেশ, জাতি ও মানবতার কল্যাণ চান বলেই তার বিরোধীতা করছেন এবং ওলামায়ে কেরাম মূর্তি ও ভাস্কর্যের বিষয়ে খোলামেলা বিশ্লেষণ করে জাতিকে বুঝানোর চেষ্টা করছেন। ভাস্কর্র্য বা মূর্তি অকল্যাণের প্রতীক। এতে কোনো শান্তি ও কল্যাণ নেই। বঙ্গবন্ধুর নামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মাদরাসা, স্কুল-কলেজ বানিয়ে তাকে স্মরণীয় করে রাখুন। এতে প্রতিনিয়ত তার আত্মায় সওয়াব পৌঁছতে থাকবে। তিনি বলেন, অনেক বুদ্ধিজীবী মূর্তিবিরোধীদের বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতাবিরোধী হিসেবে দাঁড় করানোর অপচেষ্টা করছেন। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও বঙ্গবন্ধু আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইতোপূর্বে ধমপ্রাণ মুসলমানরা হাইকোর্টের সামনে থেকে থেমিসের মূর্তি অপসারণে যেমন আন্দোলন করেছে, এখন দোলাইপাড়ে নতুন মূর্তি স্থাপনসহ সারাদেশে নির্মিত মানবমূর্তির বিরোধিতা করছে।

বাংলাদেশ ইমাম মুসল্লি ঐক্য পরিষদ : বাংলাদেশ ইমাম মুসল্লী ঐক্য পরিষদের দেলাইরপাড়স্থ কার্যালয়ে নেতৃবৃন্দের এক জরুরি পরামর্শসভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, ভাস্কর্র্য নির্মাণকে কেন্দ্র করে ওলামা মাশায়েখ ও তৌহিদী জনতার সাথে সরকারের দূরত্ব বাড়ছে যার অবসান অতি দ্রæত করতে হবে। শুধু বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্র্য বা মূর্তিই নয় বরং সকল প্রকার প্রাণ ভাস্কর্র্য বা মূর্তির বিরুদ্ধে তৌহিদী জনতার ঈমানী আন্দোলন। দুনিয়ার কেহ এই ঈমানী আন্দোলন রুখে স্থির থাকতে পারে নাই। কওমী মাদরাসার সনদের স্বীকৃতি দিয়ে ওলামা-মাশায়েখকে প্রধানমন্ত্রী সম্মান করেছেন এজন্য আমরা আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ইমাম সমাজের সাথে জনসাধারণের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। সাধারণ মানুষের মনোভাব ইমামরা বুঝেন। জনগণ মসজিদের শহরে ভাস্কর্যের নামে মূর্তি স্থাপন চায় না। বঙ্গবন্ধুর ঈমানী চেতনাকে উপলব্ধি করে মূর্তির পরিবর্তে মুজিব মিনার স্থাপন করুন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ বিভিন্ন দফতরে ইতিমধ্যেই এ দাবির লিখিত আবেদন পৌঁছে দেয়া হয়েছে। এই আবেদনকে অবজ্ঞা করে জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিবেন না। দেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে বিনষ্ট করার গভীর ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। দেশের আলেম ওলামার সাথে সরকারে যে সুসম্পর্ক রয়েছে তা নষ্ট করে আলেম ওলামার কুষ্পত্তলিকা দাহ করে দেশের নীরহ মাদরাসার ছাত্রদের উপর দমন পীড়ন চালিয়ে লাভ হবে না। আমরা এই দমন পীড়নের তিব্র নিন্দা এবং গ্রেফতারকৃত ছাত্রদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানাই।

নেতৃবৃন্দ বলেন- স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধুর জন্য আল্লাহর ৯৯ নাম অঙ্কিত মুজিব মিনার স্থাপন করে আপনার পিতার কবরে শান্তি পৌঁছানোর জোর দাবি জানাচ্ছি।

পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা মাওলানা রশিদ আহমাদের সভাপতিত্বে এতে আরো বক্তব্য রাখেন, পরিষদের উপদেষ্টা মুফতি মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, মুফতি মনিরুজ্জামান, পরিষদের সভাপতি মাওলানা মুরশিদুল আলম, মহাসচিব হাফেজ মাওলানা হারুনুর রশীদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি রুহুল আমীন, মুফতি শফিক সাদী, হাফেজ মাওলানা আনোয়ার হামিদী, মাওলানা হাসান বিন বাশার, মুফতি সিরাজুল ইসলাম, মাওলানা নূর আহমাদ ও মাওলানা ইবরাহীম শরীয়তপুরী।

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ঢাকা মহানগরী : জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর এর উদ্যোগে আগামী ৩০ ডিসেম্বরের কাউন্সিল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এক ‘আলোচনা সভা’ পল্টন অফিসে মহানগর সভাপতি প্রিন্সিপাল মাওলানা বেলায়েত হোসাইন আল-ফিরোজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। প্রিন্সিপাল মাওলানা বেলায়েত হোসাইন আল-ফিরোজী শান্তিনগরে মিছিলরত ছাত্রদের ওপর পুলিশি নির্যাতনের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি হেফাজত নেতৃবৃন্দের সমালোচনা করে বলেন যে, এভাবে নেতৃত্ব ছাড়া মাদ্রাসার তালবে ইলম তথা মাসুম ছাত্রদের মিছিলের নামে রাজপথে ছেড়ে দেয়া কোনোভাবেই উচিত হয়নি। তিনি ভাস্কর্যের নামে রাজধানীসহ দেশের মোড়ে মোড়ে মূর্তি স্থাপনেরও তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তিনি বলেন, ভাস্কর্য ইসলাম কখনো সমর্থন করে না। তাই প্রয়োজনে মিনার সাদৃশ্য বহু ধরনের ভাস্কর্য স্থাপন করা যেতে পারে- এতে পৃথিবীর কোনো উলাম-ফুকাহা বিরোধিতা ইনশাআল্লাহ করবে না। কেননা ভাস্কর্য, মূর্তি ও প্রতিমা একই বস্তুর বিভিন্ন নাম মাত্র। তারা প্রকৃতপক্ষে মূর্তিরই প্রতিচ্ছবি। তাই ইসলামবিরোধী আবদার এদেশের মুসলমান কোনো মতেই গ্রহণ করবে না। সভায় উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের মহাসচিব- মাওলানা শেখ মুজিবর রহমান, মুফতি রেজাউল করীম, মুফতি আতাউর রহমান, মুফতি ইমরান, মুফতী মাহফুজ আহমাদ, মাওলানা রেজওয়ানুল বারী সিরাজী, মাওলানা আদ্নান, মাওলানা সোহাইল আহমদ ও মাওলানা মনিরুল ইসলাম।

খেলাফত মজলিস ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলা : ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলা সংবাদদাতা জানান, খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমীর ইসলামি চিন্তাবিদ আল্লামা যুবায়ের আহমদ আনসারী (রহ.)-এর স্মরণে স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরে শহরের সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তনে খেলাফত মজলিস জেলা শাখার উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমীর মাওলানা রেজাউল করীম জালালী।

অনুষ্ঠানে খেলাফত মজলিসের জেলা শাখার সভাপতি হাফেজ মাওলানা খন্দকার আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা খুরশিদ আলম কাসেমী, মাওলানা জালালুদ্দিন আহমদ, মুফতী মুহসিনুল হাসান, মাওলানা শায়খ সাজিদুর রহমান, মুফতী আবদুর রহিম কাসেমী, মাওলানা আসাদুল্লাহ আল গালীব আনসারী প্রমুখ। এ সময় বক্তারা বলেন, ইসলাম প্রচারে এবং সমাজে দ্বিনী শিক্ষা প্রতিষ্ঠায় আল্লামা যুবায়ের আহমদ আনসারী বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এছাড়াও বক্তারা ভাস্কর্য নির্মাণ প্রসঙ্গে বলেন, আলেম-ওলামাদের দেশে মূর্তি সংস্কৃতি চলতে দেয়া হবে না। তারা সরকারকে এ ধরনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে আহ্বান জানান। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা। পরে দেশ ও জাতির কল্যাণ ও আল্লামা যুবায়ের আহমদ আনসারীর রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (18)
Sazzad Hossain Saju ২৯ নভেম্বর, ২০২০, ১:৪৫ এএম says : 1
মুর্তি আর ভাস্কর্যের মধ্যে পার্থক্য হলো। লাউ আর কদু বিশ টাকা আর কুড়ি টাকার মত।
Total Reply(0)
Mohammad Mohiuddin Mahi ২৯ নভেম্বর, ২০২০, ১:৪৫ এএম says : 1
আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে প্রকৃত ইসলাম জানার ও বুঝার তাওফিক দিন। দুনিয়ার অস্থায়ী ও ক্ষুদ্র মোহে ইসলামের অপব্যাখ্যা করা থেকে আলেম ওলামাদের হেফাজত করুন। আমীন।
Total Reply(0)
আমিনুল ইসলাম ২৯ নভেম্বর, ২০২০, ১:৫০ এএম says : 1
যে দেশে শতকরা ৯৬ জন মুসলমান বাস করে, সে দেশে আলিমদের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পায় কিভাবে?
Total Reply(0)
মনির হোসেন মনির ২৯ নভেম্বর, ২০২০, ১:৩৯ এএম says : 1
হৃদয়ে অমর হোক, ভাস্কর্যে নয়
Total Reply(0)
Md Anwar Ahmed ২৯ নভেম্বর, ২০২০, ১:৪০ এএম says : 1
ভাস্কর্য শিল্প— এটি অমুসলিমদের কৃষ্টি সমৃদ্ধ একটি শিল্প বা কলাকৌশল। কোন ব্যক্তি যতো সম্মান আর মর্যাদার অধিকারী হোক না কেন, তার স্মৃতি সংরক্ষণের জন্য মূর্তি বা ভাস্কর্য তৈরি ইসলামে বৈধ নয়।
Total Reply(0)
Najmul Hasan ২৯ নভেম্বর, ২০২০, ১:৪১ এএম says : 1
মুক্তমনা ও প্রগতিশীল দাবীদার যারা এতদিন কুরবানি না দিয়ে সেই টাকা গরিবদের মাঝে দান করে দেয়ার কথা বলতেন। তাদের কেউ কি ভাস্কর্য না বানিয়ে সেই টাকা গরিব দু:খীদের মাঝে বিতরন করে দেয়ার কথা বলেছেন? করোনা কালে ব্যপকভাবে মানুষ খাদ্য ও চিকিৎসা সংকটে ভুগছে। এমন ক্রান্তিকালে ভাস্কর্য তৈরী নিয়ে পুরো দেশে এরকম অস্থিতিশীলতা তৈরী করা মোটেও কাম্য নয়।
Total Reply(0)
Bazlur Rashid ২৯ নভেম্বর, ২০২০, ১:৪২ এএম says : 1
নগরের সৌন্দর্য্য বর্ধনের এবং দেশের মহান ও বরেণ্য ব্যক্তিত্বদের স্মৃতি সংরক্ষণের কার্যকর অনেক পদ্ধতি রয়েছে। আমরা চাইলেই ন্যাশনাল হিরোদের নামে আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয়, উন্নত মানের লাইব্রেরি, গবেষণাগার, সড়ক, সেতু, রিসার্চ সেন্টার, ইন্স্টিটিউট, চ্যারিটি ফাউন্ডেশন ইত্যাদি নির্মাণ করতে পারি। অথবা তাদের কর্মের উপর নির্মিত তথ্যবহুল ডকুমেন্টারি, আন্তর্জাতিক মানের ওয়েবসাইট, রিসার্চ গ্র্যান্ট কিংবা রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় জাতীয় সেমিনার সিম্পোজিয়াম ইত্যাদির উদ্যোগ নিতে পারি। এতে করে দেশের উন্নয়ন হবে, দশের উপকার হবে এবং স্মরণীয়রাও হৃদয়ের মণিকোঠায় আরো স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
Total Reply(0)
Lotiful Islam ২৯ নভেম্বর, ২০২০, ১:৪৮ এএম says : 1
বাংলার জমিনে ভাস্কর্যের নামে মূর্তি স্থাপন করে হিন্দুত্ববাদ কায়েম করতে দেওয়া হবে না।
Total Reply(0)
Mahedi Hasan ২৯ নভেম্বর, ২০২০, ১:৪৯ এএম says : 1
আফসোস হয় তাদের জন্যে ... যারা এই ক্ষনস্থায়ী ক্ষমতার জন্য ধর্মের চেয়ে দলকে বড় করে দেখে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ইসলাম এর সকল নিয়ম কানুন মেনে চলার তওফিক দান করুক।
Total Reply(0)
এক পথিক ২৯ নভেম্বর, ২০২০, ৭:১০ এএম says : 1
এ ভাস্কর্য, মূর্তি ইত্যাদি সব ধ্বংশ হবে এটা সুনিচ্চিত; এটা সময়ের ব্যাপার মাত্র। তবে এগুলো তৈরি কিংবা এগুলোর সমর্থনকারীদের জন্য রয়েছে মহান আল্লাহর তরফ থেকে মহাশাস্তি; এরা তা বিশ্বাস করুক আর না-ই করুক, মহান আল্লাহর তাতে কিছু আসে যায় না। আর যাঁরা গোমরাহীর বিরোধিতা করছেন, মহান আল্লাহর কাছে রয়েছে এঁদের জন্য উচ্চ সম্মান এবং পুরস্কার।
Total Reply(0)
H M M Shibly Ahmad ২৯ নভেম্বর, ২০২০, ৭:১৩ এএম says : 1
যারা ভাস্কর্যের পক্ষে তারা বঙ্গবন্ধুর দুশমন
Total Reply(0)
H M M Shibly Ahmad ২৯ নভেম্বর, ২০২০, ৭:১৩ এএম says : 1
যারা ভাস্কর্যের পক্ষে তারা বঙ্গবন্ধুর দুশমন
Total Reply(0)
মুজাহিদ ২৯ নভেম্বর, ২০২০, ১০:৩৮ এএম says : 1
যারা ইসলাম বুঝে ও জানে তারা সবাই বলবে মূর্তী ও ভাস্কর্য এক । সুতারাং বুঝে কাজ করো ।
Total Reply(0)
Mizanur Rahman ২৯ নভেম্বর, ২০২০, ১:১৯ পিএম says : 1
কথা বার্তা পরিষ্কার ইসলামের বিরুদ্ধে যারা অবস্থান নিচ্ছেন যেনে রাখুন মূর্তির পক্ষে অবস্থান নিয়ে নিজেদের কে আল্লাহর বিরুদ্ধে দাঁড় করাচ্ছেন। ইনশাআল্লাহ আল্লাহ তাআলা যেদিন ধরবেন সেই দিন তোমাকে কোন তাগুতী শক্তি রক্ষা করতে পারবে না। আল্লাহর পাকড়াও বড়ই কঠিন , আল্লাহর আযাবে পতিত হ‌ওয়ার আগে আগে নিজেকে তাওবা করে সংশোধন করে নেন। আর যদি উলামায়ে কেরাম দের পরামর্শ আমলে না নিয়ে মূর্তির পক্ষের সমর্থকদের অন্তর্ভুক্ত করে নিয়ে মৃত্যু বরণ করেন তাহলে নামাজ রোজা করলেও মুসলিম হয়ে মরতে পারবেন না। কারণ শিরিক ছাড়া আর সকল প্রকার গুনাহ ক্ষমার যোগ্য কিন্তূ শিরিক আল্লাহ পাক কখনো ক্ষমা করবেন না।
Total Reply(0)
Gm Akib Ullah ২৯ নভেম্বর, ২০২০, ৬:২২ পিএম says : 0
ভাস্কর্য নির্মাণ মূর্তি নির্মাণ দুইটা হারাম
Total Reply(0)
mdmusa443 ২৯ নভেম্বর, ২০২০, ৪:৪৬ পিএম says : 0
কিছু মুসলিম ইসলাম থেকে দুরে সরে গেছে।আল্লাহ্ তাঁদের ইসলাম সঠিকভাবে জানার তৌফিক দান করুক-আমিন
Total Reply(0)
mdmusa443 ২৯ নভেম্বর, ২০২০, ৪:৪৭ পিএম says : 0
কিছু মুসলিম ইসলাম থেকে দুরে সরে গেছে।আল্লাহ্ তাঁদের ইসলাম সঠিকভাবে জানার তৌফিক দান করুক-আমিন
Total Reply(0)
শিহাব ৩০ নভেম্বর, ২০২০, ৬:৫৮ এএম says : 0
অকল্যাণের প্রতীক মূর্তি ও ভাস্কর্য দুটিই হারাম।
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন