সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ০৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২১ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

পরামর্শকের পেটে প্রকল্পের টাকা

৩৪ কোটি টাকার প্রকল্পে পরামর্শক ব্যয়ই ২৫ কোটি উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার কিছু নিয়ম ও চাহিদার বেড়াজালে পড়তে হয় : এম এ মান্নান দেশের জনগণের ওপর মাথাপিছু বিদেশি ঋণের বোঝা বাড়ছে : অধ্যাপক

পঞ্চায়েত হাবিব | প্রকাশের সময় : ২৭ জানুয়ারি, ২০২২, ১২:০৩ এএম

দেশে গত কয়েক বছরে অনেকগুলো উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। এসব প্রকল্পের কোনোটির কাজ শেষ পর্যায়ে, কোনোটির কাজ এগিয়ে চলছে। আবার কোনোটির কাজ এখনো শুরু হয়নি। তবে অধিকাংশ প্রকল্পে ‘খাজনার চেয়ে বাজনা বেশি’ প্রবাদের মতোই প্রকল্প বাস্তবায়নের চেয়ে পরামর্শকদের দিতে হচ্ছে প্রচুর টাকা। দেশি-বিদেশী অর্থায়নে এসব প্রকল্পে বিপুল পরিমাণ টাকা বিদেশী পরামর্শকদের পকেটে চলে যাচ্ছে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) ৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ের ট্রান্সপোর্ট প্রকল্পে পরামর্শক খাতে ব্যয়ের ২৫ কোটি টাকা প্রস্তাব করেছে। অসংখ্য প্রকল্পে পরামর্শকদের পেছনে খরচ হচ্ছে বিপুল পরিমাণ টাকা।

জানতে চাইলে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান ইনকিলাবকে বলেন, আসলে পরামর্শক নিয়োগের ক্ষেত্রে কিছু উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার কিছু চাহিদা থাকে। স্বল্প সুদে ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের বেশ কিছু নিয়মের বেড়াজালে পড়তে হয়। কিছু প্রকল্পে পরামর্শক ব্যয় টাকার অঙ্কে বেশি দেখা যায়, আসলে এটা খুব টেকনিক্যাল বিষয়। প্রকল্প বিষয়ে ঢালাওভাবে মন্তব্য করা ঠিক হবে না। তবে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলো মানতে চায় না যে আমরা সক্ষম হয়েছি। আমরা এসব নিয়মের বেড়াজাল থেকে বেরিয়ে আসতে চাই।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ ইনকিলাবকে বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পে প্রতিস্থাপক পরামর্শক নিয়োগ-সংক্রান্ত আন্ত:মন্ত্রণালয় কমিটি থাকলেও এ কমিটি কাজ করছে না। সে কারণে উন্নয়ন প্রকল্পে প্রতিস্থাপক পরামর্শক নিয়োগ খাতে সরকারের ব্যয় দিন দিন বাড়ছে। আসলে পৃথিবীর অনেক দেশের চেয়ে আমাদের দেশে উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় বেশি। এসব প্রকল্পে সরকারের পাশাপাশি জনগণের উপর ঋণের বোঝা বাড়ছে। তবে এসব প্রকল্পে কত টাকা ব্যয় হচ্ছে এবং পরামর্শক নিয়োগে ব্যয় হচ্ছে তা জনগণকে জানানো প্রয়োজন। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার আওতায় আনার দররকার। জবাবদিহিতা না থাকায় এসব হচ্ছে।

উন্নয়ন প্রকল্পে প্রতিস্থাপক পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ পাওয়া বিদেশী পরামর্শকরা হাজার হাজার কোটি টাকা দেশ থেকে নিয়ে যাচ্ছে। অথচ বাংলাদেশে এখনো উন্নয়ন প্রকল্পে কাজের জন্য গড়ে উঠেনি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান। উন্নয়ন প্রকল্পে প্রতিস্থাপক পরামর্শক নিয়োগ-সংক্রান্ত আন্ত:মন্ত্রণালয় কমিটি থাকলেও এ কমিটি কাজ করছে না। সে কারণে উন্নয়ন প্রকল্পে প্রতিস্থাপক পরামর্শক নিয়োগ খাতে সরকারে ব্যয় দিন দিন বাড়ছে। অন্যদিকে সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরে ব্যয় কমছে।

প্রয়োজন থাকুক আর না থাকুক, বিদেশি ঋণের প্রায় সব ধরনের প্রকল্পে পরামর্শক সেবা নেয়া হচ্ছে। এর দামও চড়া বা অস্বাভাবিক। নিজস্ব অর্থায়নে যেসব প্রকল্প বাস্তবায়নে পরামর্শক সেবা কেনার প্রয়োজন পড়ে না, বিদেশি ঋণের সে ধরনের প্রকল্পেও পরামর্শক সেবা নেয়া হচ্ছে। পরামর্শক সেবার নামে ঋণের বড় অঙ্কের অর্থ বিদেশিদের কাছে ফিরে যাচ্ছে। এতে দেশের জনগণ ঋণ গ্রহণের ফলভোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং তাদের ওপর ঋণের বোঝা বাড়ছে।

২০২০ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন পাওয়া বিদেশি ঋণ ও অনুদানের নতুন এবং সংশোধিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে ২২টির তথ্য বিশ্লেষণ করে পরামর্শক সেবার এমন চিত্র পাওয়া গেছে। ২২টির মধ্যে ২১টি প্রকল্পেই পরামর্শক খাত রাখা হয়েছে। ২১ প্রকল্পের পরামর্শক খাতে খরচ হচ্ছে দুই হাজার ৮১৫ কোটি ১৮ লাখ ১১ হাজার টাকা।

পরামর্শক খরচ রাখা ২২ প্রকল্পের মধ্যে ছয়টিতে বিশ্বব্যাংক, পাঁচটিতে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), তিনটিতে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা), তিনটিতে এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি), দুটিতে চায়না এক্সিম ব্যাংক, একটিতে ফরাসি উন্নয়ন সংস্থা (এএফডি), একটিতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), একটিতে দ্য হংকং অ্যান্ড সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশন (এইচএসবিসি) বাংলাদেশ, একটিতে দক্ষিণ কোরিয়ার ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন ফান্ড (ইডিসিএফ), একটিতে ভারতীয় তৃতীয় লাইন অব ক্রেডিট (এলওসি) এবং একটিতে কোরিয়ান এক্সিম ব্যাংক ঋণ (দু-একটিতে আংশিক অনুদানও) দিচ্ছে। কোনো কোনো প্রকল্পে যৌথভাবেও ঋণ দিচ্ছে দু-একটি সংস্থা।

জানা গেছে, ৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ের ট্রান্সপোর্ট পরিকল্পনায় ২৫ কোটি টাকা পরামর্শক খাতে ব্যয়ের প্রস্তাব করেছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ)। মিডটার্ম রিভিউ অ্যান্ড আপডেটিং অব স্ট্র্যাটেজিক ট্রান্সপোর্ট প্রকল্পের আওতায় পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগে এমন প্রস্তাব করা হয়েছে। ডিটিসিএর এমন প্রস্তাবনায় প্রশ্ন তুলেছে কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগ। সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরে ব্যয় কমছে, তবে বাড়ছে পরামর্শক খাতে। এজন্য শেষ সময়ে এসে সংশোধন হচ্ছে সাসেক সড়ক সংযোগ প্রকল্প: জয়দেবপুর-চন্দ্রা-টাঙ্গাইল-এলেঙ্গা সড়ক চার লেন মহাসড়কে উন্নীতকরণ শীর্ষক প্রকল্পটি। এটির বৈদেশিক প্রশিক্ষণ ও রাজস্ব খাতে ৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা কমছে।

অন্যদিকে প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধির ফলে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য পরামর্শক সেবার ব্যয় ৩৩ কোটি ৫৯ লাখ ২৬ হাজার টাকা বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত বছরের আগস্ট পর্যন্ত প্রকল্পটির ক্রমপুঞ্জিত আর্থিক অগ্রগতি দাঁড়িয়েছে মোট ৫ হাজার ১৫৩ কোটি ৪৩ লাখ ৯২ হাজার টাকা এবং বাস্তবায়ন অগ্রগতি ৯৪ দশমিক ১০ শতাংশ।

পরিকল্পনা কমিশনের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাব পাওয়ার পর গত বছরের ২২ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয় পিইসি (প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি) সভা। ওই সভায় দেওয়া সুপারিশগুলো প্রতিপালন করায় প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে। অনুমোদন পেলে চলতি বছর ডিসেম্বরের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন করবে সড়ক ও জনপথ অধিদফতর।

প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশ এবং প্রতিবেশি দেশগুলোর সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ উন্নতকরণের মাধ্যমে ট্রান্সপোর্ট এবং ট্রান্সশিপমেন্ট ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য জয়দেবপুর হতে এলেঙ্গা পর্যন্ত জাতীয় মহাসড়কের ৭০ কিলোমিটার সড়ক দুই লেন থেকে চার লেনে উন্নীত করার জন্য মোট ২ হাজার ৭৮৮ কোটি ৪৫ লাখ ৫৫ হাজার টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ২০১৩ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৮ মেয়াদে বাস্তবায়নের জন্য ২০১৩ সালের ২৩ এপ্রিল একনেকে মূল ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব) অনুমোদিত হয়।

ভূমি অধিগ্রহণের অতিরিক্ত অর্থের সংস্থানের জন্য মোট ৩ হাজার ৬৬ কোটি ৮০ লাখ ২৩ হাজার টাকা ব্যয়ে ২০১৩ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৮ সালের মার্চে বাস্তবায়নের জন্য প্রথম সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এই সংশোধনী ২০১৪ সালের ৯ জানুয়ারি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অনুমোদন করেন।

পরবর্তীতে প্রকল্পটির বিশেষ সংশোধিত ডিপিপি ২০১৬ সালের ২২ মার্চ সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় মোট ৩ হাজার ৩৬৪ কোটি ৭৪ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ব্যয়ে ২০১৩ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৮ সালের মার্চে বাস্তবায়নের জন্য অনুমোদিত হয়। প্রকল্পের ব্যয় হ্রাস বৃদ্ধি ও বাস্তবায়ন মেয়াদকাল বৃদ্ধিসহ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি অনুসারে পূর্ত কাজের ব্যয় প্রাক্কলনের কারণে মোট ৫ হাজার ৫৯৩ কোটি ১৫ লাখ ৮৮ হাজার টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ২০১৩ সালের এপ্রিল থেকে ২০২০ সালের জুনে বাস্তবায়নের জন্য ২০১৮ সালের মে মাসে একনেকে দ্বিতীয় সংশোধিত ডিপিপি অনুমোদিত হয়। এতেও কাজ শেষ হয়নি। ফলে মোট ৬ হাজার ২১৪ কোটি ৪১ লাখ ২২ হাজার টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে প্রকল্পের আবারও বিশেষ সংশোধন করেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রী। করোনাভাইরাসের কারণে ২০২০ সালের ১৯ মে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে এর মধ্যেই প্রকল্পের মেয়াদ গত বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। এছাড়া গত বছরের ৬ জুনে পরিকল্পনা কমিশন প্রকল্পের মেয়াদ ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

প্রকল্প সংশোধনের কারণ হিসাবে বলা হয়েছে, স্পেশাল ড্রইং রাইটসের বিপরীতে ডলারের মূল্যমান পরিবর্তন হওয়ায় এবং চুক্তি অনুযায়ী নির্মাণ কাজের জন্য প্রতিশ্রুত পরিমাণ বৈদেশিক ঋণ না পাওয়ায় ফাইন্যান্সিং গ্যাপ পূরণের জন্য সরকারি খাত হতে প্রায় ১৭০ কোটি টাকার সমন্বয় করতে হচ্ছে। এছাড়া প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধিতে প্রাইস এডজাস্টমেন্ট খাতে ১৯৩ কোটি ৯৭ লাখ টাকা ব্যয় বৃদ্ধি। ভ্যাট, আইটি, সিডি খাতে মোট ১৪৫ কোটি ৩২ লাখ ৪৮ হাজার টাকা ব্যয় বৃদ্ধি।

নতুন অঙ্গ হিসাবে বৈদ্যুতিক লাইট স্থাপন অঙ্গ অন্তর্ভুক্তসহ এ খাতে প্রাক্কলন ব্যয় ১১ কোটি ১১ লাখ টাকা। আরএইচডি হেড কোয়ার্টার নির্মাণ খাতে ২০ কোটি টাকা, ভূমি অধিগ্রহণ খাতে ১৩৩ কোটি ২৬ লাখ ৫৩ হাজার টাকা, পুনর্বাসন খাতে ১৪১ কোটি ৯৭ লাখ ৬৬ হাজার টাকা, আরএইচডি ইকুইপমেন্ট খাতে ৭ কোটি ৬৬ হাজার টাকা, ইউটিলিটি খাতে ১১২ কোটি ৬৬ হাজার টাকা, ফিজিক্যাল কনটিনজেন্সি খাতে ১০ কোটি টাকা, বৈদেশিক প্রশিক্ষণ ও রাজস্ব খাতে বিভিন্ন অংশে ৪ কোটি ৬০ লাখ ৩৮ হাজার টাকা হ্রাস পেয়েছে।

বাস্তব অবস্থা বিবেচনায় প্রতি পাঁচ বছর পরপর আরএসটিপির মধ্যবর্তী পর্যালোচনা ও পুনর্মূল্যায়নের বিধান রাখা হয়েছে। এটা হালনাগাদ করতে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) আর্থিক অনুদানে কারিগরি সহায়তা প্রকল্প গ্রহণের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ৩৪ কোটি ১৯ লাখ ৮৭ হাজার টাকা। এর মধ্যে ৯ কোটি ৭৯ লাখ টাকা সরকারি অর্থায়ন, বাকি ২৪ কোটি ৪০ লাখ ৮০ হাজার টাকা দেবে এডিবি। প্রকল্পটি অনুমোদনের পর চার বছর মেয়াদে বাস্তবায়ন হবে। পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সচিব) মো. মামুন আল রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশেষ প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (এসপিইসি) সভায় এ প্রশ্ন তুলেছেন। প্রস্তাবিত প্রকল্পের আওতায় মোট ২৫ কোটি টাকা বিভিন্ন পরামর্শক খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে শুধু কনসালটেন্সি সার্ভিস ফর মিডটার্ম রিভিউ অ্যান্ড আপডেটিং অব স্ট্র্যাটেজিক ট্রান্সপোর্ট পরিকল্পনা খাতেই ২০ কোটি ৭৬ লাখ ৮৬ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

নৌপরিবহন, রেলপথ এবং পণ্য পরিবহনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ও উন্নত ট্রাফিকের বিষয়গুলো নতুন পরিকল্পনায় ঠাঁই পায়নি। ডিটিসিএর আওতায় মহানগর ঢাকাসহ নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর এবং নরসিংদী জেলাও অন্তর্ভুক্ত আছে। প্রকল্পের আওতায় গবেষণা কাজে ৫০টি কার্যক্রম ও জরিপ কাজের জন্য ২৫ লাখ টাকা ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (7)
বান্নাহ ২৬ জানুয়ারি, ২০২২, ৩:১৯ এএম says : 0
উন্নয়ন প্রকল্পে প্রতিস্থাপক পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ পাওয়া বিদেশী পরামর্শকরা হাজার হাজার কোটি টাকা দেশ থেকে নিয়ে যাচ্ছে।
Total Reply(0)
ইকবাল শেখ ২৬ জানুয়ারি, ২০২২, ৩:২৫ এএম says : 0
এভাবে নষ্ট হচ্ছে দেশের টাকা আর বাড়ছে ঋণের বোঝা
Total Reply(0)
এমডি রায়হান ২৬ জানুয়ারি, ২০২২, ৩:২৬ এএম says : 0
নিউজটির জন্য রিপোর্টার পঞ্চায়েত হাবিব সাহেব ও দৈনিক ইনকিলাবকে অসংখ্য ধন্যবাদ জ্ঞাপণ করছি
Total Reply(0)
Jubayer Sany ২৬ জানুয়ারি, ২০২২, ৩:৪২ এএম says : 0
সরকারের উন্নয়ন
Total Reply(0)
Wobaidul Huq Sohel ২৬ জানুয়ারি, ২০২২, ৩:৫৫ এএম says : 0
জনগ‌ণের টাকা এভা‌বে লুটপাট কর‌তে‌ছে, অথচ সরকার নীরব!!! কো‌নো ডাকাত য‌দি ১০ হাজার টাকাও ডাকা‌তি ক‌রে ধরা প‌ড়ে তা‌কে বেধম পিটু‌নি দেয়‌া হয়। অথচ শত শত কো‌টি টাকা ডাকা‌তি ক‌রে নি‌য়ে যা‌চ্ছে, তা‌দের কিছুই হয়না! স‌ত্যি কথা বল‌তে কি, জনগ‌ণের কা‌ছে য‌দি সরকা‌রের বিন্দুমাত্র জবাবদি‌হিতা না থাকে এমন হওয়াটাই স্বাভা‌বিক। এ ক্ষে‌ত্রে দে‌শের জনগণই দা‌য়ি, কারণ জনগণ নি‌জে‌দের অ‌ধিকার সম্প‌র্কে স‌চেতন নয়, জনগণ প্র‌তিবা‌দি নয়।
Total Reply(0)
Hasanuzzaman Sumon ২৬ জানুয়ারি, ২০২২, ৪:০৩ এএম says : 0
রক্ষক যখন ভক্ষক হয় তখন কাউকে দোষারোপ করে লাভ নাই। বিচার চেয়েও লাভ নাই। খালি আল্লাহ উপর বিচার দেওয়াটাই আমি ভালো মনে করি।
Total Reply(0)
Mahmudur Rahman ২৬ জানুয়ারি, ২০২২, ৪:০৪ এএম says : 0
এই সত্য তথ্যগুলো সবার জানা জরুরী কারণ জনগণকে জবাবদিহি করতে হবে। এইসব দুর্নীতি নীরবে হয়ে আসিতেছে যুগের পর যুগ ধরে প্রতিটি সরকারি অফিসেই। কিন্তু আমরা জানি না সেসব কিছুই জবাবদিহিতা ও সবচছ ও স্বাধীন সাংবাদিকতার অভাবে। দু:খজনক বেপার।
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন