ঢাকা শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১২ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী

নিবন্ধ

বর্জ্য থেকে শক্তি উৎপাদন

| প্রকাশের সময় : ৭ আগস্ট, ২০১৮, ১২:০১ এএম

প্রতিদিন আপনার ঘরে কতটুকু ময়লা হয়? কঠিন বর্জ্যরে মধ্যে যে বর্জ্যগুলো হয় তার মধ্যে খাবারের বর্জ্য অনেক বেশি। খাবারের যে পরিমাণ বর্জ্য হয় এগুলো বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সরাসরি ফেলা হয় প্রকৃতিতে। বাড়ির বর্জ্য দিয়েই একসময় ভরে ওঠে আমাদের পাশের খাল-বিল, নদী-নালা। ঘর থেকে ঢিল মেরে বাইরে ময়লা ফেলতে পারলেই যেন আমাদের বাঁচা। কিন্তু এই বেঁচে যাওয়াই যে আমাদের ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে, তা কি আমরা ভাবতে পারছি? আপনার চারপাশের পরিবেশ আপনার ওজনের কতটুকু ময়লা গ্রহণ করতে পারবে, এ ব্যাপারে কোনো সমীক্ষা এখন পর্যন্ত আছে কি? নেই বলেই প্রচুর পরিমাণে ময়লা এখনো আমরা যেখানে-সেখানে ফেলে রাখি। বর্জ্য থেকে যত দ্রুত সম্ভব শক্তি উৎপাদনের ব্যবস্থা করতে হবে। বিশ্বের অনেক দেশই এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নিয়েছে এবং তারা সফলও হয়েছে। উন্নত বিশ্বের অনেক দেশ বর্জ্যকে শক্তির উৎস হিসেবে কাজে লাগাচ্ছে। আমরা এখনো প্রকল্প হাতে নেওয়ার মধ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছি। বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ, বায়োগ্যাস, জৈব সার তৈরির ব্যাপারটি আমরা জানলেও সফলভাবে ব্যবহার করতে পারছি না। বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বানাতে সময় প্রয়োজন প্রায় চার থেকে পাঁচ বছর। গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, সাভার, চট্টগ্রামের মতো ভারী শিল্প এলাকায় যদি এখন থেকে আরো চার বছর এমনিভাবে ময়লা অব্যবস্থাপনার মধ্যে রাখা হয়, তাহলে আমরা কি ভাবতে পারি কী ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি ও পরিবেশ সম্পর্কীয় অর্থনৈতিক ঝুঁকির মধ্যে পড়ব? বড় শিল্প এলাকাগুলোর মানুষের গ্যাসের চাহিদা, বিদ্যুতের চাহিদা বর্জ্য থেকেই মেটানো সম্ভব। সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কাছে আবেদন, এ ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বর্জ্য থেকে শক্তি উৎপাদন সম্ভব না হলে বর্জ্যের দূষণের নিচেই চাপা পড়বে সভ্যতা।
সাঈদ চৌধুরী
শ্রীপুর, গাজীপুর।

অতিরিক্ত ডাকমাশুল প্রত্যাহার করা হোক
এবার বাজেট ধরা হয়েছে চার লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা। এ বাজেট দেশকে এগিয়ে নেবে বলেই আমার দৃঢ় বিশ্বাস। তবে একটি বিষয় আমার কাছে একেবারেই ভালো লাগেনি! আর তা হচ্ছে, ডাকমাসুলের (পোস্ট কার্ড ও খাম) মূল্য বৃদ্ধির বিষয়টি। এটা সাধারণ মানুষকে যোগাযোগ বঞ্চিত করা ও ডাক বিভাগকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে উপনীত করার শামিল। অতিরিক্ত ডাকমাসুল প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে বলে আশা করি। শিক্ষা খাতে বিপুল বরাদ্দকে স্বাগত জানাই।
বিলকিছ আক্তার
সরকারি মহিলা কলেজ, কুড়িগ্রাম।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন