ঢাকা, রবিবার, ০৯ আগস্ট ২০২০, ২৫ শ্রাবণ ১৪২৭, ১৮ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী

নিবন্ধ

চিঠিপত্র

গণপরিবহনে নারীদের বিড়ম্বনা

| প্রকাশের সময় : ৯ আগস্ট, ২০১৮, ১২:০২ এএম

আমাদের সবারই মা, বোন, কন্যা আছে। পরিবার বা নিজের প্রয়োজনেই হোক, নারীদেরও দিনদুপুরে কিংবা রাতবিরাতে পথ চলতে হয়। যাত্রী হয়ে গণপরিবহনে চলাচল করতে হয়। দিনে যতটা না, রাতে তার চেয়ে বেশি নিরাপত্তা শঙ্কা নিয়ে তাদের চলতে হয়। বাংলাদেশে নারী যাত্রীদের যৌন হয়রানি ও ইভ টিজিংয়ের শিকার হতে হয়। বিশেষ করে রাতে চলাচলের ক্ষেত্রে গণপরিবহনসংশ্লিষ্ট লোকজন অথবা পুরুষ যাত্রীদের দ্বারা শারীরিক কিংবা মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়। অনেকে হয়তো সাহস করে প্রকাশ করে, প্রতিবাদ জানায়। অনেকে সম্মানের ভয়ে হয়রানির শিকার হলেও প্রকাশ করে না। গণপরিবহনে নারীদের ওপর এমন যৌন নিপীড়ন ও নির্যাতন রোধে এবং নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দৃশ্যমান তৎপরতা বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নারীদের প্রতি সংবেদনশীল হতে হবে। রাতে নারীদের নিরাপত্তার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। পাশাপাশি আমাদের পুরুষদেরও মনমানসিকতার পরিবর্তন দরকার। এ বিষয়ে সবার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।
নীলিমা চৌধুরী
ঢাকা।

ছোট মাছ নিধন বন্ধ করুন
দাদা-দাদুদের মুখে শুনেছি বড় বড় মাছের গল্প। পাঁচ কেজি, ছয় কেজি ওজনের মাছ ছাড়া কেউ বাজার থেকে মাছ আনত না। আর এখন বড় মাছ চোখে দেখা দুষ্কর, বর্তমান প্রজন্মের কাছে একপ্রকার স্বপ্নের মতো। সমুদ্রের অনেক প্রজাতির মাছ এখন বিলুপ্তির পথে। আয়োডিনের এক বড় ভাগ আসে সামুদ্রিক মাছ থেকে। কিন্তু এখন সমুদ্রে চলছে ছোট মাছ নিধনের মহাযজ্ঞ। ফলে আমরা এখন সমুদ্রের যে মাছ পাই তা প্রায়ই অপরিপক্ব বা খুবই ছোট। মাছ ভালোভাবে না বাড়ার আগেই তা বাজারে ওঠানো হয়। অসাধু ব্যবসায়ীরা বেশি মুনাফার আশায় এহেন কর্মে লিপ্ত হচ্ছে। ফলে মাছ থেকে সঠিক পরিমাণ আয়োডিনের চাহিদা অপরিপক্ব মাছ থেকে পাওয়া সম্ভব নয়। কাঁচাবাজারে গেলে দেখা যায়, সামুদ্রিক সব অপরিপক্ব মাছ নিয়ে বসে আছে কিছু অসাধু জেলে ও মাছ ব্যবসায়ী। আবারও দেখা মিলতে পারে বড় ওজনের সব কেমিক্যালমুক্ত নির্ভেজাল মাছের। আর এ জন্য সব মাছ ব্যবসায়ী ও জেলে ভাইকে মৎস্য আইন মেনে চলতে হবে। তাহলেই দেশ মৎস্যসম্পদে ভরপুর হয়ে যাবে। কোস্ট গার্ডসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা নিয়ে কাজ করতে হবে। আইন লঙ্ঘন করে মাছ আহরণকারী অসাধু জেলে ও মাছ ব্যবসায়ীদের উপযুক্ত শাস্তির আওতায় আনতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
তাইফুর রহমান মুন্না
মোরেলগঞ্জ, বাগেরহাট।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (7)
shimul ২৮ নভেম্বর, ২০১৮, ৭:৩৪ পিএম says : 0
দরকাস্তে নিওম
Total Reply(0)
shimu islam ২৪ আগস্ট, ২০১৯, ৫:৩৬ পিএম says : 0
আমার একটা চাকরির অনেক দরকার দয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রীরকাছে একটা চাকরি চাই
Total Reply(0)
shimu islam ২৪ আগস্ট, ২০১৯, ৫:৩৫ পিএম says : 0
আমার একটা চাকরির অনেক দরকার দয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রীরকাছে একটা চাকরি চাই
Total Reply(0)
মোঃমেহেদীহাসান ১১ এপ্রিল, ২০২০, ১০:০৭ পিএম says : 0
আনার একটা সরকারি চাকরির দরকা। আমি HSC exam দিবো।আমি অনেক গরিব গরের ছেলে। আপনি আমার মা এর মতো।আমার মার নাম ও হাসিনা। তাই আমি আপনাকে আমার মার মতো ভালো বাসি।আমাকে একটা চাকরি দেন মা।দরকার হলে আপনি আপনার বাসার কাজ ও আমাকে দিয়ে করাতে পারবেন মা।
Total Reply(0)
মোঃমেহেদীহাসান ১১ এপ্রিল, ২০২০, ১০:০৭ পিএম says : 0
আনার একটা সরকারি চাকরির দরকা। আমি HSC exam দিবো।আমি অনেক গরিব গরের ছেলে। আপনি আমার মা এর মতো।আমার মার নাম ও হাসিনা। তাই আমি আপনাকে আমার মার মতো ভালো বাসি।আমাকে একটা চাকরি দেন মা।দরকার হলে আপনি আপনার বাসার কাজ ও আমাকে দিয়ে করাতে পারবেন মা।
Total Reply(0)
মাসুদ আলম ৩ মে, ২০২০, ১২:৩৯ পিএম says : 0
সবার কথা গুলো ভালো।
Total Reply(0)
মোঃ আল মামুনন অর রশিদ ৬ জুলাই, ২০২০, ৭:৪৮ পিএম says : 0
আমি মোঃ আল মামুন অর রশিদ পিতা মোঃ আব্দুল হাকিম সরকার গ্রাম পশারী পাড়া ডাকঘর মন্ডলের হাট উপজেলাঃ উলিপুর জেলা কুড়িগ্রাম, আমি আলিম পাশ করছি ২০১৭,এখন আর পড়াশুনা করি না আর্থিল সংকটের কারনে আমরা চার ভাইবোন আমি পরবারের বড় ছেলে বাবর ইনকাম নাই খুব কষ্টে জীবন জাপন করছি অনেক চাকরীর আাবেদন করে কোন ফল পাইনি তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার আকুল আবেদন আমাকে আপনার ছেলের মতো মনে করে দয়া করে একটা চাকরী দিবেন , আপনি আমার মায়ের মতো দয়া করে আমাকে ফিরিয়ে দিবেন না,, প্লিজ দয়া করুন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,, আমি একজন আনসার ভিডিপির সদস্য নিবেদক মোঃ আল মামুন অর রশিদ পিতাঃ মোঃ আব্দুল হাকিম গ্রামঃ পশারী পাড়া ডাকঃ মন্ডলের হাট উপজেলাঃ উলিপুর জেলাঃকুড়িগ্রাম
Total Reply(0)

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন